![]() |
| রাজউকের উদ্যোগে আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজার এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান। |
রাজধানীর
কারওয়ান বাজার এলাকায় অবৈধ স্থাপনাসহ কাঁচামালের দোকান উচ্ছেদ অভিযান
পরিচালনা করেছে রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক)। উচ্ছেদের সময় ব্যবসায়ী ও
দোকানদারদের বাধার মুখে পড়ে রাজউক। একপর্যায়ে বিক্ষুব্ধ লোকজন ওই এলাকায়
উত্তর সিটি করপোরেশনের আঞ্চলিক কার্যালয়ের সামনে থাকা কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর
করেন। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে এই উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। শেষ হয় বেলা
আড়াইটার ম্যাজিস্ট্রেট অলিউর রহমানের নেতৃত্বে অভিযানে সহায়তা করে তেজগাঁও
থানার পুলিশ। এ ব্যাপারে অলিউর রহমান প্রথম আলোকে বলেন, ‘আমরা অবৈধ
স্থাপনাগুলো উচ্ছেদ করছি।’
![]() |
| উচ্ছেদের একপর্যায়ে ৩৪ ও ৩৫ নম্বর প্লটের দিকে উচ্ছেদ করতে গেলে বিক্ষোভে ফেটে পড়েন মালিক-শ্রমিকেরা। |
তিনি জানান, কাওরান বাজারের ৩৫, ৪২ ও ৪৪ নম্বর প্লটের স্থাপনাগুলো অবৈধ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পশ্চিম ওয়াসা ভবনের পূর্ব পাশের রাস্তার ৩০০ থেকে ৪০০
অবৈধ স্থাপনা ভেঙে ফেলে রাজউক। উচ্ছেদ চলাকালে সময় কিছু আড়তদার ব্যবসায়ীকে
তাঁদের দোকান বুলডোজার দিয়ে ভেঙে ফেলার আগেই কাঁচামাল সরিয়ে নিতে দেখা
গেছে। এ সময় ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের সামনে শতাধিক কাঁচামাল আড়তদার
ব্যবসায়ী অভিযানের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়ে প্রতিবাদ করতে থাকেন।
ম্যাজিস্ট্রেটের নির্দেশে একজন বিদ্যুৎ-সংযোগের তার কেটে দিতে গেলে তাঁকে
ভয়ভীতি দেখান ব্যবসায়ীরা। বুলডোজারচালকের ওপর হামলা চালিয়ে সামান্য আহত করা
হয়।
![]() |
| একপর্যায়ে মিছিল থেকে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের যানবাহন ভাঙচুর করা হয়। |
উচ্ছেদের সময় ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ১২টি গাড়ি ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ
ব্যবসায়ীরা। এ সময় তাঁরা পুলিশের উদ্দেশ্যে ইট-পাটকেল ছোড়েন। কারওয়ান
বাজারের হাবীব ট্রেডার্সের মালিক নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আড়তে আমাদের কোটি
টাকার মালামাল আছে। রাজউক কোনো আ
![]() |
| উচ্ছেদের জন্য নিয়ে আসা বুলডোজারের ওপর ক্ষোভ ঝাড়ছেন শ্রমিকেরা। |
গাম নির্দেশনা ছাড়া হঠাৎ এসে দোকানগুলো ভেঙে ফেলছে।
![]() |
| ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের গাড়ি পার্কিংয়ে গিয়ে কয়েকটি গাড়ি ভাঙচুর করেন বিক্ষুব্ধ শ্রমিকেরা। |
এত টাকার লোকসান হলে আমরা পথে বসব।’ নোটিশ না দিয়ে উচ্ছেদের বিষয়ে
ম্যাজিস্ট্রেটর অলিউর রহমান বলেন, ‘এই উচ্ছেদ অভিযান মোবাইল কোর্টের
মাধ্যমে পরিচালনা করা হচ্ছে। তাই আগাম নির্দেশনার প্রয়োজন নেই। জমির
মালিকানা ঠিক থাকলেই ইচ্ছেমতো স্থাপনা ওঠানো যায় না। এর জন্য রাজউকের
অনুমতি নিতে হয়। আমি চাইলেই পথের ওপর একটা পাঁচতলা বিল্ডিং তুলে ফেলতে পারি
না। বিল্ডিং অবৈধ বলে উচ্ছেদ করা হলে এটি তৈরিতে যে খরচ হয়, তার সম্পূর্ণ
লোকসানকে আমি বৈধ বলে দাবি করতে পারি না।’





No comments:
Post a Comment