Monday, April 11, 2016

নতুন মহাসচিব ও বিএনপির ভবিষ্যৎ

আসিফ নজরুল | এপ্রিল ০৭
মতামত: বিএনপির প্রধান চ্যালেঞ্জ এখন একটি সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন অনুষ্ঠানে সরকারকে বাধ্য বা রাজি করানো। অথবা আগামী নির্বাচনে অংশ নিয়ে একে যতটা সম্ভব সুষ্ঠু করতে সর্বাত্মক চেষ্টা করা। বিএনপিকে একই সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় কমিটেড দল হিসেবেও নিজেকে বিশ্বাসযোগ্য করার কাজটি করতে হবে। প্রভাবশালী রাষ্ট্রগুলো, বিশেষ করে ভারতের সঙ্গে আস্থার সম্পর্ক গড়ে তুলতে হবে। মহাসচিব হিসেবে মির্জা ফখরুল এসব বিষয়ে সচেতন থাকতে পারেন। তবে তাঁকে দলের শীর্ষ ও সিনিয়র নেতারা সহযোগিতা না করলে তাঁর নিয়োগ বিএনপি বা দেশের জন্য তেমন কোনো সুফল বয়ে আনবে না।
আবু তাইয়েব
বিএনপির প্রকৃত সংকট যত না সমর্থনের ক্ষেত্রে, তার চেয়ে অনেক বেশি রয়েছে নেতৃত্ব পরিচালনা ও সাংগঠনিক সচলতা ধরে রাখার ক্ষেত্রে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থতা এবং গুরুত্বপূর্ণ সময়ে দলের ব্যাপকসংখ্যক সমর্থককে মাঠে নামাতে ব্যর্থতা। এ দিকগুলো ভালোভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এখানেই জয়ী আওয়ামী লীগ
মো. আব্দুর রহমান
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ মুহূর্তে খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের পর বিএনপির সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা। তিনি যেখানেই যান মানুষের ঢল নামে। তাঁর ওপর গত কয়েক বছরে অত্যাচারের যে স্টিমরোলার চালানো হয়েছে, তা অতীতে কখনো হয়নি। তিনি মাসের পর মাস কারাভোগ করেছেন। একশ্রেণির আওয়ামী নেতার মতো যদি তাঁর রাস্তায় গড়াগড়ি খাওয়ার অভ্যাস থাকত, তাহলে বিষয়টি মানুষের কাছে আরও বেশি দৃশ্যমান হতো। মির্জা ফখরুলকে তাঁর কাজে স্বাধীনতা দেওয়া হলে বিএনপির কাছে মানুষের যে প্রত্যাশা তা পূরণ করা এই দলটির পক্ষে সম্ভব হবে।
আজাদ রহমান
মহাসচিব হিসেবে উনি তো আর নতুন না। ভারপ্রাপ্ত হিসেবে এর আগে পাঁচ বছর চালিয়েছেন। ভারপ্রাপ্ত হিসেবে যেভাবে চালিয়েছেন, ভারমুক্ত হয়ে বিশাল কোনো চমক দেখিয়ে দেবেন এই সম্ভাবনা হয়তো অন্ধ সমর্থকেরাও আর দেখেন না।

No comments:

Post a Comment