বাংলাদেশের
মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস নিয়ে বিশ্বব্যাংকের কঠোর
সমালোচনা করেছেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। গতকাল জাতীয়
অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে তিনি সাংবাদিকদের
বলেন, বিশ্বব্যাংক নিজেরাই নিজেদের প্রতিবেদন বিশ্বাস করে না। তারা নানা
সময়ে নানা মত দেয়। তাদের প্রতিবেদন সারা বিশ্বের কেউ বিশ্বাস করে কি না, তা
জানা নেই। তিনি বলেন, সাউথ এশিয়ান স্প্রিং রিপোর্টে বিশ্বব্যাংক বলেছে,
২০১৪-১৫ অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৫.৬ শতাংশ। পরে সাউথ এশিয়ান স্প্রিং বৈঠক
২০১৫-তে বলা হলো এই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৬.১ শতাংশ। কিন্তু প্রবৃদ্ধি
আমাদের হিসাবে হয়েছিল ৬.৫ শতাংশ। মন্ত্রী জানান, এর আগেও বিশ্বব্যাংক এমন
কম প্রবৃদ্ধির কথা বলেছিল। পরে তারা সরকারের হিসাবই মেনে নিয়েছে। যেমন:
গ্লোবাল প্রসপেকটাস ২০১৫ প্রতিবেদনে বিশ্বব্যাংক বলেছে চলতি ২০১৫-১৬
অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হবে ৬.৭ শতাংশ। শেষে আবার কমিয়ে এখন বলছে ৬.৩ শতাংশ।
তাই তাদের অনুমান ঠিক নয়। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, সাময়িক হিসাব অনুযায়ী,
চলতি অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি ৭.০৫ শতাংশ হবে। প্রকৃত হিসাবে এটা আরও বাড়বে।
একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন: জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)। এগুলো বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩,৫৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১,৫৭১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৯৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১,৯১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। একনেক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
মুস্তফা কামাল বলেন, গ্যাস খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত এগিয়ে এলে ভালো হবে। আগামীতে সারা দেশে শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে। গ্যাস আমদানি করা হলে তখন আর সমস্যা থাকবে না।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো: ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম-২য় পর্যায় প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৮৭৮ কোটি টাকা; মানসম্পন্ন বীজ সরবরাহ বৃদ্ধীকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা; প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মাননিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা; পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের আওতায় ৭০ হাজার ওভারলোডেড বিতরণ ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা; জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা; ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুড়িং প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা; গাইবান্ধা-ফুলছড়ি-ভারতখালী-সাঘাটা সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।
পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনটি অনুশাসন দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- সরকার বিদ্যুতের উৎপাদন যেভাবে বাড়িয়ে চলেছে এবং বিদ্যুতের যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন, এগুলো বাস্তবায়িত হলে ২০১৮ সাল নাগাদ দেশের ৯০ ভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় আসবে। এ ছাড়া পল্লী এলাকায় যেসব ওভারলোডেড ট্রান্সফরমার আছে সেগুলো দ্রুত প্রতিস্থাপন করা এবং সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্সে অতিথিদের বসার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
একনেকে ৮ প্রকল্প অনুমোদন: জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চলসহ ৮টি উন্নয়ন প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক)। এগুলো বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ৩,৫৮৪ কোটি টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১,৫৭১ কোটি ৪৬ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব তহবিল থেকে ৯৮ কোটি ৭২ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ১,৯১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা ব্যয় করা হবে। একনেক বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।
মুস্তফা কামাল বলেন, গ্যাস খাতে বেসরকারি বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাত এগিয়ে এলে ভালো হবে। আগামীতে সারা দেশে শিল্প-কারখানা গড়ে উঠবে। গ্যাস আমদানি করা হলে তখন আর সমস্যা থাকবে না।
অনুমোদিত প্রকল্পগুলো হলো: ন্যাশনাল এগ্রিকালচারাল টেকনোলজি প্রোগ্রাম-২য় পর্যায় প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় ধরা হয়েছে ১,৮৭৮ কোটি টাকা; মানসম্পন্ন বীজ সরবরাহ বৃদ্ধীকরণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৪৪ কোটি ৯১ লাখ টাকা; প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মাননিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৬৬ কোটি ১৩ লাখ টাকা; পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের আওতায় ৭০ হাজার ওভারলোডেড বিতরণ ট্রান্সফরমার প্রতিস্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৭৯৯ কোটি ৯৪ লাখ টাকা; জামালপুর অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৩০২ কোটি ৫৮ লাখ টাকা; ইন্সটলেশন অব সিঙ্গেল পয়েন্ট মুড়িং প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৮ কোটি ৮৩ লাখ টাকা। সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্স নির্মাণ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৪৭ কোটি ১৫ লাখ টাকা; গাইবান্ধা-ফুলছড়ি-ভারতখালী-সাঘাটা সড়ক প্রশস্তকরণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয়েছে ৫৬ কোটি ৪৬ লাখ টাকা।
পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, একনেক সভায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তিনটি অনুশাসন দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর বরাত দিয়ে তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন- সরকার বিদ্যুতের উৎপাদন যেভাবে বাড়িয়ে চলেছে এবং বিদ্যুতের যেসব প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন, এগুলো বাস্তবায়িত হলে ২০১৮ সাল নাগাদ দেশের ৯০ ভাগ মানুষ বিদ্যুতের আওতায় আসবে। এ ছাড়া পল্লী এলাকায় যেসব ওভারলোডেড ট্রান্সফরমার আছে সেগুলো দ্রুত প্রতিস্থাপন করা এবং সৌদি আরবের রিয়াদে বাংলাদেশ চ্যান্সারি কমপ্লেক্সে অতিথিদের বসার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা রাখার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

No comments:
Post a Comment