জাপানে
ভূমিকম্পে নয়জন নিহত হওয়ার এক দিনের মাথায় আজ শুক্রবার রাতে আবার আঘাত
হেনেছে শক্তিশালী ভূমিকম্প। স্থানীয় সময় রাত ১টা ২৫ মিনিটে এ ভূমিকম্পের পর
জারি করা হয় সুনামি সতর্কতা। তবে সেই সতর্কতা পরে আবার তুলে নেওয়া হয়।
নতুন ভূমিকম্পে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এএফপির খবরে বলা
হয়েছে, গত রাতের কিউশু দ্বীপে আঘাত হানা সর্বশেষ ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল
রিখটার স্কেলে ৭। এতে একটি সেতু ধসে গেছে। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে একই
অঞ্চলে আঘাত হানে ৬ দশমিক ৫ মাত্রার ভূমিকম্প। ২০১১ সালের পর এটিই ছিল
দেশটিতে সবচেয়ে শক্তিশালী ভূমিকম্প। এতে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত নয়জন
নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন প্রায় এক হাজার জন। বৃহস্পতিবারের
ভূমিকম্পে বেশ কিছুসংখ্যক দালানকোঠা ও রাস্তাঘাট বিধ্বস্ত হয়। বিধ্বস্ত
ভবনের নিচে অনেকে আটকে পড়ে ছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। হতাহত ও চাপা পড়া
লোকজনকে উদ্ধারে শুরু হয় জোর তৎপরতা। আতঙ্কিত অনেকে দ্বিতীয় রাতের মতো
এদিন খোলা আকাশের নিচে রাত কাটান। কিউশু দ্বীপের এ ভূমিকম্পের পর হাজার
হাজার মানুষ ঘরবাড়ি ছেড়ে বাইরে বের হয়ে যান। কর্মকর্তারা আশঙ্কা প্রকাশ করে
বলেন, ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। জাপানের দক্ষিণাঞ্চলে গত
বৃহস্পতিবার আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে ধ্বংসলীলার মধ্যেও আট মাস বয়সী
এক শিশুকে শুক্রবার উদ্ধার করা হয়েছে। ভূমিকম্পে দ্রুতগতির একটি ট্রেনও
লাইনচ্যুত হয়। ঐতিহাসিক কুমামোতো দুর্গের ছাদ ধসে পড়ে। হারুকি ইতো নামের
একজন বাসিন্দা বলেন, ‘ভূমিকম্পের পর আমরা যে যা পেরেছি, সঙ্গে নিয়ে গাড়িতে
করে আশ্রয়কেন্দ্রে গেছি।’
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment