বিশ্বব্যাপী
চলমান সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদকে অভিন্ন বিপদ বলে মন্তব্য করেছেন সড়ক পরিবহন ও
সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের অভিন্ন
শত্রু হচ্ছে সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদ। এই অভিন্ন বিপদ মোকাবিলায় জনগণকে নিয়ে
অভিন্ন ক্ষেত্র তৈরি করতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই
সাম্প্রদায়িক উগ্রবাদকে রুখতে হবে।’
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডির একটি কমিউনিটি সেন্টারে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত দপ্তর উপকমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিএনপি আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে সবল পার্টি না, যাকে মোকাবিলা করা আমাদের জন্য দুরূহ। বিএনপির আন্দোলন, তাদের কর্মসূচি সাত-আট বছর ধরে দেখছি—প্রেস ব্রিফিংয়ের মধ্যে তাদের অ্যাকশন সীমিত। প্রেস ব্রিফিং করে বিএনপি যা করে, নতুন করে তাদের নাম দিতে হয় বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। বিএনপি—বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। বাস্তবে তো সেটাই।’
ওবায়দুল কাদের জানান, পরবর্তী জাতীয় কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদকদের সংখ্যা এক শর বেশি হবে না। তিনি বলেন, ‘৫ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের বিশেষ পরিস্থিতিতে সহসম্পাদকদের তালিকা দীর্ঘ হয়ে গেছে। এখন আওয়ামী লীগ অফিসের কোনো তরুণের সঙ্গে ধাক্কা লাগলেই বলে, আমি সহসম্পাদক। কিসের সহসম্পাদক? আওয়ামী লীগের সহসম্পাদক।’
সম্মেলনের আগে সহসম্পাদক হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের দপ্তরে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘সম্মেলন হলে কেউ আর সহসম্পাদক থাকবে না। এই জন্য যারা সহসম্পাদক হতে ইচ্ছুক, তাদের দপ্তরে সিভি জমা দিতে হবে। এবার যোগ্যতা দেখে, ত্যাগ ও বাছবিচার করে সহসম্পাদকদের সংখ্যা ১০০ জনের মধ্যে সীমিত রাখব। এর বেশি সহসম্পাদক করার কোনো সুযোগ নেই।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘সহসম্পাদক যেভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো বেড়ে গেছে, এতে কারও মর্যাদা নেই। প্রত্যেক উপকমিটির সহসম্পাদক জেলায় গিয়ে মাতব্বরী করে, উপজেলায় গিয়ে দাপট দেখায়। এ জন্য কিন্তু সহসম্পাদক করা হয়নি। এ ব্যাপারে পার্টির সভানেত্রী অত্যন্ত বিরক্ত। এ নিয়ে তাঁর কাছে প্রায় অভিযোগ আসে।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মান্নান, উপদপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কেন্দ্রীয় সদস্য এনামুল হক শামীম, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।
আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে ধানমন্ডির একটি কমিউনিটি সেন্টারে আওয়ামী লীগের ২০তম জাতীয় সম্মেলন উপলক্ষে গঠিত দপ্তর উপকমিটির সভায় সভাপতির বক্তব্যে ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই মুহূর্তে বিএনপি আমাদের প্রতিপক্ষ হিসেবে সবল পার্টি না, যাকে মোকাবিলা করা আমাদের জন্য দুরূহ। বিএনপির আন্দোলন, তাদের কর্মসূচি সাত-আট বছর ধরে দেখছি—প্রেস ব্রিফিংয়ের মধ্যে তাদের অ্যাকশন সীমিত। প্রেস ব্রিফিং করে বিএনপি যা করে, নতুন করে তাদের নাম দিতে হয় বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। বিএনপি—বাংলাদেশ নালিশ পার্টি। বাস্তবে তো সেটাই।’
ওবায়দুল কাদের জানান, পরবর্তী জাতীয় কাউন্সিলে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় উপকমিটির সহসম্পাদকদের সংখ্যা এক শর বেশি হবে না। তিনি বলেন, ‘৫ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের বিশেষ পরিস্থিতিতে সহসম্পাদকদের তালিকা দীর্ঘ হয়ে গেছে। এখন আওয়ামী লীগ অফিসের কোনো তরুণের সঙ্গে ধাক্কা লাগলেই বলে, আমি সহসম্পাদক। কিসের সহসম্পাদক? আওয়ামী লীগের সহসম্পাদক।’
সম্মেলনের আগে সহসম্পাদক হতে ইচ্ছুক ব্যক্তিদের দপ্তরে জীবনবৃত্তান্ত জমা দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, ‘সম্মেলন হলে কেউ আর সহসম্পাদক থাকবে না। এই জন্য যারা সহসম্পাদক হতে ইচ্ছুক, তাদের দপ্তরে সিভি জমা দিতে হবে। এবার যোগ্যতা দেখে, ত্যাগ ও বাছবিচার করে সহসম্পাদকদের সংখ্যা ১০০ জনের মধ্যে সীমিত রাখব। এর বেশি সহসম্পাদক করার কোনো সুযোগ নেই।’
ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, ‘সহসম্পাদক যেভাবে ব্যাঙের ছাতার মতো বেড়ে গেছে, এতে কারও মর্যাদা নেই। প্রত্যেক উপকমিটির সহসম্পাদক জেলায় গিয়ে মাতব্বরী করে, উপজেলায় গিয়ে দাপট দেখায়। এ জন্য কিন্তু সহসম্পাদক করা হয়নি। এ ব্যাপারে পার্টির সভানেত্রী অত্যন্ত বিরক্ত। এ নিয়ে তাঁর কাছে প্রায় অভিযোগ আসে।’
সভায় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ, সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন, বি এম মোজাম্মেল হক, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবদুল মান্নান, উপদপ্তর সম্পাদক মৃণাল কান্তি দাস, কেন্দ্রীয় সদস্য এনামুল হক শামীম, এস এম কামাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী প্রমুখ।

No comments:
Post a Comment