![]() |
| ইরফানুল ইসলাম |
এক
দিন আগে কলাবাগান থানার এক পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছিলেন, শিগগিরই আসামি
গ্রেপ্তার হবে। গতকাল বুধবার জানা গেল, আলোকচিত্র ও শিল্পকর্ম প্রদর্শন
প্রতিষ্ঠান দৃক গ্যালারির প্রশাসনিক কর্মকর্তা ইরফানুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের
ঘটনায় সে অর্থে কোনো অগ্রগতি নেই। কাউকে ধরতে পারেনি পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের
কোনো কারণও খুঁজে পায়নি তারা। তবে কলাবাগান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো.
ইকবাল বলেছেন, ‘আমরা আসামি ধরার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। শিগগিরই হয়তো আসামি
গ্রেপ্তার করা সম্ভব হবে।’ ইরফানুল ইসলাম গত শনিবার বেলা ১১টার দিকে দৃক
গ্যালারি থেকে বেরিয়ে ধানমন্ডি ৮ নম্বরের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক থেকে ৩ লাখ ৮
হাজার টাকার চেক ভাঙিয়ে বের হওয়ার পর থেকে নিখোঁজ হন। ওই দিনই বিকেলে
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ির ঝোপ থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
এক দিন পর ওই ঘটনায় কলাবাগান থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন ইরফানুলের ভাই
ইমদাদুল ইসলাম। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গতকাল বুধবার নারায়ণগঞ্জের
সিদ্ধিরগঞ্জে অভিযান চালায় পুলিশ। কলাবাগান থানার পুলিশের সঙ্গে ফতুল্লা
থানার পুলিশও অংশ নেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত অভিযান থেকে কোনো ফল না নিয়েই
ফিরতে হয়েছে তাদের। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, খবর
ছিল নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি এলাকায় ইরফানুলকে দুজন লোক ধরাধরি
করে নিয়ে ঝোপের মধ্যে ফেলে গেছেন। এ ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আছে। কিন্তু
ঘটনাস্থলে গিয়ে আর কাউকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। মেয়র হানিফ ফ্লাইওভারের সিসি
টিভি ফুটেজেও কিছু পাওয়া যায়নি। পুলিশের একজন সদস্য নাম প্রকাশ না করার
শর্তে বলেন, ‘আমরা জানতাম সিসি টিভি ফুটেজে গাড়ির ভেতরে কেউ থাকলে বোঝা
যায়। কিন্তু যে ফুটেজ আমরা পেয়েছি, তাতে গাড়ির নম্বরপ্লেটও পরিষ্কার দেখা
যাচ্ছে না।’ এর বাইরে মুঠোফোনের কললিস্ট ও ব্যাংকের ফুটেজ থেকেও
সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য এখনো পাওয়া সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছে পুলিশ। এদিকে ওই
দিন ইরফানুল ইসলাম যে গাড়িতে ছিলেন সেই গাড়ির চালককেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছে
পুলিশ।

No comments:
Post a Comment