নৌযান
শ্রমিকদের চলমান ধর্মঘটের মধ্যে সাগরে মাছ ধরা বন্ধের হুমকি দিয়েছে
সমুদ্রগামী ফিশিং জাহাজের মালিকদের তিনটি সংগঠন। রোববার দুপুরে নগরীর একটি
রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ হুমকি দেওয়া হয়।
সমুদ্রগামী ফিশিং জাহাজে সন্ত্রসীদের ধর্মঘটের নামে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টির প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মেরিন হোয়াইট ফিশ ট্রলার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও মেরিন ফিশারিজ একাডেমি যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলন করে।
এতে লিখিত বক্তব্যে আহসান ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘গত ২০ এপ্রিল মৎস্য শিকারি জাহাজী শ্রমিক’ নাম দিয়ে একদল সন্ত্রাসী বিনা নোটিশে ধর্মঘটের নামে জাহাজে ভাংচুর ও ক্যাপ্টেন-ইঞ্জিনিয়ার-অফিসারদের উপর আক্রমণ করে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। দফায় দফায় হামলা চালিয়ে ফিশিং সেক্টরকে ধ্বংসের চেষ্টা করলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন ততপরতা দেখা যায়নি।
ফিশিং জাহাজ আন্তর্জাতিক কনভেনশন এসটিসিডব্লিউ-এফ, এমএলসি-২০০৬, ওয়ার্ক ইন ফিশিং এর আওতায় দেশিয় মেরিটাইম আইনের অধিনে পরিচালিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফলে সমুদ্রগামী ফিশিং জাহাজে কোন শ্রমিক কাজ করে না। কাজ করে নাবিক। তাই মৎস্য জাহাজী শ্রমিক ধর্মঘটের নামে এমন অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির কোন সুযোগ নেই।
ন্যুনতম মজুরির নামে ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমরা সরকারি আইন মেনে ব্যবসা করছি। ন্যুনতম মজুরি বাস্তবায়নের অজুহাতে বর্তমানে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
‘আমাদের পরিচালিত জাহাজে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি গ্যাজেটে নির্ধারিত ন্যুনতম মজুরির চেয়ে বেশি বেতন দিচ্ছি। এরপরও সরকার ও পেশাজীবীদের সঙ্গে আলাপ করে সমাধান বের করা যাবে।’
ধর্মঘটের নামে মেরিন সেক্টরকে ধ্বংস করে জাতীয় অর্থনীতিকে পঙ্গু করার মাধ্যমে বর্তমান সরকারের ব্লু-ইকনোমি এবং উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হামলার ঘটনার পর থেকে জাহাজের ক্যাপ্টেন ও নাবিকরা জাহাজে যেতে সাহস পাচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা অব্যাহতভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে একাধিক জিডি করা হয়েছে। এ অবস্থায় সাগরে জাহাজ, জাহাজের ক্যাপ্টেন ও নাবিকদের নিরাপ্তা নিশ্চিত করা না গেলে মাছ ধরা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় নেই।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে মশিউর রহমান চৌধুরী, জাবেদ নজরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, ক্যাপ্টেন ইমরান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সমুদ্রগামী ফিশিং জাহাজে সন্ত্রসীদের ধর্মঘটের নামে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টির প্রতিবাদে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশ মেরিন ফিশারিজ অ্যাসোসিয়েশন, মেরিন হোয়াইট ফিশ ট্রলার ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন ও মেরিন ফিশারিজ একাডেমি যৌথভাবে এ সংবাদ সম্মেলন করে।
এতে লিখিত বক্তব্যে আহসান ইকবাল চৌধুরী বলেন, ‘গত ২০ এপ্রিল মৎস্য শিকারি জাহাজী শ্রমিক’ নাম দিয়ে একদল সন্ত্রাসী বিনা নোটিশে ধর্মঘটের নামে জাহাজে ভাংচুর ও ক্যাপ্টেন-ইঞ্জিনিয়ার-অফিসারদের উপর আক্রমণ করে অরাজক পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। দফায় দফায় হামলা চালিয়ে ফিশিং সেক্টরকে ধ্বংসের চেষ্টা করলেও আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কোন ততপরতা দেখা যায়নি।
ফিশিং জাহাজ আন্তর্জাতিক কনভেনশন এসটিসিডব্লিউ-এফ, এমএলসি-২০০৬, ওয়ার্ক ইন ফিশিং এর আওতায় দেশিয় মেরিটাইম আইনের অধিনে পরিচালিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, ফলে সমুদ্রগামী ফিশিং জাহাজে কোন শ্রমিক কাজ করে না। কাজ করে নাবিক। তাই মৎস্য জাহাজী শ্রমিক ধর্মঘটের নামে এমন অরাজক পরিস্থিতি সৃষ্টির কোন সুযোগ নেই।
ন্যুনতম মজুরির নামে ধূম্রজাল সৃষ্টি করা হয়েছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমরা সরকারি আইন মেনে ব্যবসা করছি। ন্যুনতম মজুরি বাস্তবায়নের অজুহাতে বর্তমানে সন্ত্রাসী তৎপরতা চালানো হচ্ছে।
‘আমাদের পরিচালিত জাহাজে অনেক ক্ষেত্রেই সরকারি গ্যাজেটে নির্ধারিত ন্যুনতম মজুরির চেয়ে বেশি বেতন দিচ্ছি। এরপরও সরকার ও পেশাজীবীদের সঙ্গে আলাপ করে সমাধান বের করা যাবে।’
ধর্মঘটের নামে মেরিন সেক্টরকে ধ্বংস করে জাতীয় অর্থনীতিকে পঙ্গু করার মাধ্যমে বর্তমান সরকারের ব্লু-ইকনোমি এবং উন্নয়নের ধারাকে ব্যাহত করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হামলার ঘটনার পর থেকে জাহাজের ক্যাপ্টেন ও নাবিকরা জাহাজে যেতে সাহস পাচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, সন্ত্রাসীরা অব্যাহতভাবে হুমকি দিয়ে যাচ্ছে। এ বিষয়ে একাধিক জিডি করা হয়েছে। এ অবস্থায় সাগরে জাহাজ, জাহাজের ক্যাপ্টেন ও নাবিকদের নিরাপ্তা নিশ্চিত করা না গেলে মাছ ধরা বন্ধ করে দেওয়া ছাড়া আমাদের আর কোন উপায় নেই।
সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যের মধ্যে মশিউর রহমান চৌধুরী, জাবেদ নজরুল ইসলাম, আব্দুল কাদের, ক্যাপ্টেন ইমরান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment