Sunday, April 3, 2016

আগের চার লড়াই

ছোট পরিসরে হলেও এটি যেন বিশ্বকাপে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ! ওয়ানডে কিংবা টি-টোয়েন্টি কোনো বিশ্বকাপেই পাকিস্তান কখনো হারাতে পারেনি ভারতকে। তেমনি ওয়েস্ট ইন্ডিজও কখনো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে হারেনি ইংল্যান্ডের কাছে। আগের চারবারের দেখায় সবগুলোতেই জয়। পঞ্চম সাক্ষাৎটা হচ্ছে ইডেনে, এবারের ফাইনালে। মহাগুরুত্বপূর্ণ সেই ম্যাচের আগে ফিরে দেখা যাক টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে দুই দলের আগের চারটি লড়াই—
১৫ জুন ২০০৯, ওভাল
গ্রুপ পর্বের ম্যাচে আগে ব্যাট করে ইংল্যান্ড তুলেছিল ৬ উইকেটে ১৬১। কিন্তু বৃষ্টির কারণে খেলা বেশ কিছুক্ষণ বন্ধ থাকায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ জয়ের নতুন লক্ষ্য পেল ৯ ওভারে ৮০। তাড়া করতে নেমে ষষ্ঠ ওভারে ৪৫ রানেই ৫ উইকেট হারিয়ে বসে ক্যারিবীয়রা। তবে অভিজ্ঞ রামনরেশ সারওয়ান ও শিবনারায়ণ চন্দরপল আর কোনো বিপদ হতে দেননি। ৪ বল আর ৫ উইকেট হাতে রেখেই ম্যাচ জিতে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ, উঠে যায় সেমিফাইনালে।
৩ মে ২০১০, গায়ানা
এবারও গ্রুপ পর্বের ম্যাচ এবং আবারও বৃষ্টির বাগড়া। আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৯১ রান তুলেছিল ইংল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ২.২ ওভারে ৩০ করার পর নামে বৃষ্টি। বৃষ্টি থামার পর ওয়েস্ট ইন্ডিজের নতুন লক্ষ্য দাঁড়ায় ৬ ওভারে ৬০। ৮ উইকেট আর ১ বল হাতে রেখেই লক্ষ্যে পৌঁছে যায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে এ হারের পরও ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গেই সুপার এইটে জায়গা করে নিয়েছিল ইংল্যান্ড। শুধু তা-ই নয়, ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেবার চ্যাম্পিয়নও হয়েছিল ইংল্যান্ড। ওয়েস্ট ইন্ডিজের মিশন শেষ ওই সুপার এইটেই।
২৭ সেপ্টে. ২০১২, পাল্লেকেলে
সুপার এইটের ম্যাচ। জনসন চার্লস আর ক্রিস গেইলের বিধ্বংসী ব্যাটিংয়ে আগে ব্যাট করে ৫ উইকেটে ১৭৯ তুলেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তাড়া করতে নেমে এউইন মরগান ৩৬ বলে অপরাজিত ৭১ রানের দুর্দান্ত ইনিংসটি খেলার পরও জিততে পারেনি ইংল্যান্ড। ১৫ রানে হেরে বিদায় নেয় সুপার এইট থেকেই। ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ওই বিশ্বকাপে রুখতে পারেনি আর কেউ। ফাইনালে অস্ট্রেলিয়াকে ৭৪ রানে হারিয়ে সেবার শিরোপাও জিতেছিল ড্যারেন স্যামির দল।
১৬ মার্চ ২০১৬, মুম্বাই
এই বিশ্বকাপেরই গ্রুপ পর্বে দুই দলের প্রথম ম্যাচ। ৪৮ বলে অপরাজিত ১০০ রান করে ক্রিস গেইল একাই হারিয়ে দিলেন ইংল্যান্ডকে। অথচ আগে ব্যাট করা ইংল্যান্ড ৬ উইকেটে তুলেছিল ১৮২ রান। কিন্তু গেইল প্রমাণ করলেন, তিনি ছন্দে থাকলে কোনো লক্ষ্যই অসম্ভব নয় ক্যারিবীয়দের জন্য। ১১ বল ও ৬ উইকেট হাতে রেখে ম্যাচ জিতে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

No comments:

Post a Comment