প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছেন, বিএনপি-জামায়াত উন্নয়নে বিশ্বাসী নয়, তারা মানুষ
পুড়িয়ে হত্যা করে ক্ষমতায় যেতে না পেরে এখন গুপ্তহত্যা চালাচ্ছে। তারা এখন
বেছে বেছে মানুষ হত্যা করছে। বিএনপি-জামায়াত দেশের উন্নয়ন চায় না।
হত্যাকাণ্ড আর ধ্বংস ছাড়া তারা আর কিছুই পারে না। আর আওয়ামী লীগ জাতির
পিতার নেতৃত্বে স্বাধীনতা এনে দিয়েছে। দেশের উন্নয়নের জন্য বিরামহীনভাবে
কাজ করছে। গতকাল গোপালগঞ্জের গোবরা-ঘোনাপাড়া মোড়ে অবস্থিত শেখ
ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতালে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা এ দেশের উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা পূরণ করতে পারেননি। কারণ ৭৫-এর ১৫ই আগস্ট স্বপরিবারে নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায় আসে। দেশের উন্নয়নের জন্য এরা কোনো কাজ করেনি।
শেখ হাসিনা বলেন, এদেশের মানুষের জন্য আমার বাবা-মা-ভাই-বোন সবাই জীবন দিয়ে গেছেন। আমি সব হারিয়েছি, আমারতো আর হারানোর কিছু নেই। চাওয়া-পাওয়ারও কিছু নেই। এখন এদেশের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নকে অনেকে বিস্ময় বলেন কিন্তু আমি বলি এটা বিস্ময় নয় এটা বিশ্বাস। দেশের জনগণের প্রতি আমার যেমন বিশ্বাস আছে ঠিক তেমনিভাবে আমার প্রতিও জনগণের বিশ্বাস আছে বলেই আজ আমি দেশে ব্যাপক উন্নয়ন করতে পেরেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র করেছে বলেই পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ করতে দেরি হয়েছে তা না হলে এতোদিনে পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ অনেক এগিয়ে যেতো। স্বাস্থ্যখাতে তার সরকারের আমলে অনেক উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এখাতে উন্নয়নের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি আমরা হাতে নিয়েছি। আর ৩টি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ করছি। এছাড়া প্রতিটি বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে। গণমুখী স্বাস্থ্য নীতি দিয়েছিলাম, সে অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এখন থেকে নার্সরাও পিএইচডি করতে পারবে। সে সুযোগও আমরা করে দিয়েছি।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়-জেলায় সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি। এক কোটি ৭০ লাখ ছাত্র-ছাত্রীর উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মেধাবৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। আজকে বই-খাতা কিনতে হয় না। আমরা সবই দিচ্ছি। দেশে এখন ৩ কোটি ৮৪ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য নিরাপত্তা রয়েছে। মানুষের চাহিদা বদলে গেছে কারণ মানুষের পেটে এখন খাবার আছে। এখন মানুষ বিদ্যুৎ চায়, স্কুল চায়, রাস্তাঘাট চায়- আমরা তা করে দিচ্ছি।
গোপালগঞ্জের গোবরা-ঘোনাপাড়া মোড়ে প্রায় দেড়শ‘ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন প্রতিষ্ঠান শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতালে নিজের চোখ দেখাতে আসবো এমন কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিানা বলেন, আমি আশা করি এই চিকিৎসাকেন্দ্র মানব সেবায় অবদান রাখবে। এর আগে সকাল ১১টায় শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ সদরে ১২টি উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ গোবরা-ঘোনাপাড়া মোড়ে নির্মিত শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল, মধুমতি নদীর উপর নির্মিত চাপাইল সেতুসহ ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৫টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বিকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়ায় এক সুধী সমাবেশে যোগদান শেষে ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করেন তিনি।
প্রত্যেকের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে
শেখ হাসিনা বলেন, জাতির পিতা এ দেশের উন্নয়নের যে স্বপ্ন দেখেছিলেন তা পূরণ করতে পারেননি। কারণ ৭৫-এর ১৫ই আগস্ট স্বপরিবারে নির্মমভাবে তাকে হত্যা করা হয়। এরপর স্বাধীনতা বিরোধীরা ক্ষমতায় আসে। দেশের উন্নয়নের জন্য এরা কোনো কাজ করেনি।
শেখ হাসিনা বলেন, এদেশের মানুষের জন্য আমার বাবা-মা-ভাই-বোন সবাই জীবন দিয়ে গেছেন। আমি সব হারিয়েছি, আমারতো আর হারানোর কিছু নেই। চাওয়া-পাওয়ারও কিছু নেই। এখন এদেশের মানুষের জন্য কিছু করতে চাই। তিনি বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নকে অনেকে বিস্ময় বলেন কিন্তু আমি বলি এটা বিস্ময় নয় এটা বিশ্বাস। দেশের জনগণের প্রতি আমার যেমন বিশ্বাস আছে ঠিক তেমনিভাবে আমার প্রতিও জনগণের বিশ্বাস আছে বলেই আজ আমি দেশে ব্যাপক উন্নয়ন করতে পেরেছি।
শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপি-জামায়াত পদ্মা সেতু নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র করেছে বলেই পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ করতে দেরি হয়েছে তা না হলে এতোদিনে পদ্মা সেতু নির্মাণকাজ অনেক এগিয়ে যেতো। স্বাস্থ্যখাতে তার সরকারের আমলে অনেক উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এখাতে উন্নয়নের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি আমরা হাতে নিয়েছি। আর ৩টি মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ করছি। এছাড়া প্রতিটি বিভাগে একটি করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে। গণমুখী স্বাস্থ্য নীতি দিয়েছিলাম, সে অনুযায়ী আমরা কাজ করে যাচ্ছি। এখন থেকে নার্সরাও পিএইচডি করতে পারবে। সে সুযোগও আমরা করে দিয়েছি।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়-জেলায় সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয় করে দিচ্ছি। এক কোটি ৭০ লাখ ছাত্র-ছাত্রীর উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত মেধাবৃত্তি দিয়ে যাচ্ছি। আজকে বই-খাতা কিনতে হয় না। আমরা সবই দিচ্ছি। দেশে এখন ৩ কোটি ৮৪ লাখ মেট্রিক টন খাদ্য নিরাপত্তা রয়েছে। মানুষের চাহিদা বদলে গেছে কারণ মানুষের পেটে এখন খাবার আছে। এখন মানুষ বিদ্যুৎ চায়, স্কুল চায়, রাস্তাঘাট চায়- আমরা তা করে দিচ্ছি।
গোপালগঞ্জের গোবরা-ঘোনাপাড়া মোড়ে প্রায় দেড়শ‘ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত নতুন প্রতিষ্ঠান শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতালে নিজের চোখ দেখাতে আসবো এমন কথা উল্লেখ করে শেখ হাসিানা বলেন, আমি আশা করি এই চিকিৎসাকেন্দ্র মানব সেবায় অবদান রাখবে। এর আগে সকাল ১১টায় শেখ হাসিনা গোপালগঞ্জ সদরে ১২টি উন্নয়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন ও ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। এর মধ্যে গোপালগঞ্জ গোবরা-ঘোনাপাড়া মোড়ে নির্মিত শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব চক্ষু হাসপাতাল, মধুমতি নদীর উপর নির্মিত চাপাইল সেতুসহ ৭টি উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ও ৫টি ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এর আগে প্রধানমন্ত্রী সকাল ১০টায় টুঙ্গিপাড়ায় পৌঁছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। বিকালে নিজ নির্বাচনী এলাকা কোটালীপাড়ায় এক সুধী সমাবেশে যোগদান শেষে ঢাকার উদ্দেশে টুঙ্গিপাড়া ত্যাগ করেন তিনি।
প্রত্যেকের ধর্ম পালনের অধিকার রয়েছে
প্রধানমন্ত্রী
শেখ হাসিনা বলেছেন, ইসলাম শান্তির ধর্ম। প্রত্যেকের নিজ নিজ ধর্ম পালনের
অধিকার রয়েছে। গতকাল গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি
কলেজ মাঠে উপজেলা আওয়ামী লীগ আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে
তিনি এসব কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি অ্যাডভোকেট শুভাষ চন্দ্র
জয়ধরের সভাপতিত্বে সভায় আরো বক্তব্য রাখেন শেখ ফজলুল করিম সেলিম এমপি,
অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল ফারুক খান এমপি, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের চেয়ারম্যান
আলহাজ কাজী আকরাম উদ্দিন আহম্মেদ, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এস এম কামাল,
প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিনিধি অ্যাডভোকেট শেখ মোহাম্মদ
আবদুল্লাহ, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এস এম হুমায়ুুন কবির,
সাংগঠনিক সম্পাদক আয়নাল হোসেন শেখ, উপজেলা চেয়ারম্যান মুজিবুর রহমান
হাওলাদার, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, পৌর মেয়র এইচএম
অহিদুল ইসলাম, ভাইস চেয়ারম্যান মতিয়ার রহমান হাজরা প্রমুখ। এর আগে
প্রধানমন্ত্রী বেলা ২টা ৪৫ মিনিটে সভাস্থলে পৌঁছে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা
কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন ও ১০০টি প্রাথমিক, ১৪টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান
শিক্ষকদের হাতে ল্যাপটপ মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর তুলে দেন। প্রধানমন্ত্রী
আরো বলেন, আমরা দেশের সর্বক্ষেত্রে ব্যাপক উন্নয়ন করেছি। আমাদের লক্ষ্য
বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ দেশ হিসেবে গড়া। ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশ মধ্যম
আয়ের দেশে পরিণত হবে ইনশাআল্লাহ। বিএনপি-জামায়াত বাংলাভাই সৃষ্টি করে একই
দিনে ৫শ’ জায়গায় বোমা হামলাসহ ১০ ট্রাক অস্ত্র সরবরাহ করে। খালেদা জিয়া এ
সরকারকে বিদায় না করে ঘরে ফিরবেন না বলেছিলেন। অবশেষে নাকে খত দিয়ে আদালতে
যেতে হয়েছে এবং ঘরে ফিরে যেতে হয়েছে। কোরআনে আছে, এতিমের টাকা আত্মসাৎ করতে
নেই। কিন্তু বিএনপি নেত্রী ও ছেলে তারেক রহমান মিলে এতিমের টাকা আত্মসাৎ
করেছেন।

No comments:
Post a Comment