![]() |
| নরেন্দ্র মোদি |
গুজরাট
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে এমএ পাস করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী
নরেন্দ্র মোদি। শুধু তা–ই নয়, তিনি প্রথম শ্রেণিও পেয়েছেন। গুজরাট
বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়া তথ্য অনুসারে, মোদি ১৯৮৩ সালে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে প্রথম
শ্রেণিতে এমএ ডিগ্রি অর্জন করেন। তাঁর প্রাপ্ত নম্বর ছিল ৬২ দশমিক ৩
শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়ে মোদির পাঠ্য ছিল ইউরোপীয় রাজনীতি, ভারতের রাজনীতি
বিশ্লেষণ ও রাজনীতির মনস্তত্ত্ব। গুজরাত বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম এন
প্যাটেল জানান, এমএ পরীক্ষার প্রথম বর্ষে ৪০০–এর মধ্যে মোদি ২৩৭ নম্বর পান।
আর এমএ পরীক্ষার দ্বিতীয় বর্ষে ৪০০–এর মধ্যে মোদি পান ২৬২ নম্বর।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে মোদি ১০০ নম্বরে পান ৬৪। ইউরোপীয় ও সামাজিক-রাজনৈতিক
তত্ত্বে পান ৬২ নম্বর, ভারতের রাজনীতি বিশ্লেষণে পান ৬৭ নম্বর। টাইমস অব
ইন্ডিয়ার এক খবরে জানা যায়, এর আগে মোদি ভীষ্মনগরের এম এন সায়েন্স কলেজের
শিক্ষার্থী ছিলেন। কলেজের অধ্যক্ষ কে এম জোশি জানান, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী
আনন্দিবেন প্যাটেল একই কলেজের জৈব রসায়নে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
মোদিও তখন ওই কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। মজার ব্যাপার হলো, তাঁদের দুজনেরই
রোল নম্বর ছিল ৭১। ভারতে ভোটে দাঁড়াতে গেলে প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা
জানাতে হয়। তবে প্রমাণ দাখিল বাধ্যতামূলক নয়। মোদি হলফনামায় জানিয়েছিলেন,
তিনি ১৯৭৮ সালে দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ ও ১৯৮৩ সালে গুজরাট
বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএ পাস করেন। এই বিষয়ে তথ্য জানার অধিকার আইনে দুটি
আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু দুই বিশ্ববিদ্যালয় সেই তথ্য জানায়নি। তারা
বলে, রোল নম্বর না পেলে তাদের পক্ষে নির্দিষ্ট তথ্য জানানো সম্ভব নয়। কেউ
কেউ নিরাপত্তার কারণের কথাও বলে। এরপরই ভারতের তথ্য কমিশনার শ্রীধর
আচারুলুকে কড়া চিঠি দেন কেজরিওয়াল। চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় তথ্য
কমিশন (সিআইসি) দিল্লি ও গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষাগত
যোগ্যতার তথ্য জানানোর নির্দেশ দেয়।

No comments:
Post a Comment