![]() |
| কলাবাগান ক্রীড়াচক্রের সঙ্গে দুর্দান্ত বোলিংয়ের পর। ছবি: প্রথম আলো |
গত
মৌসুমে আবাহনীর হয়ে মাত্র একটি ম্যাচই খেলার সুযোগ পেয়েছিলেন জুবায়ের
হোসেন। আর এবার? এখন পর্যন্ত একাদশের বাইরেই থাকতে হয়নি তাঁকে। আস্থার
প্রতিদানও দিচ্ছেন। ৫ ম্যাচে ১২ উইকেট নিয়ে ঢাকা প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে
বোলারদের মধ্যে দ্বিতীয়। আজ মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মোহামেডানের
বিপক্ষে মহারণেও স্বরূপে দেখা যাবে আবাহনীর এই লেগ স্পিনারকে?
ঘরোয়া ক্রিকেটে কখনো এত বড় ম্যাচ খেলা হয়নি জুবায়েরের। রোমাঞ্চ কাজ করলেও খুব একটা চাপ অনুভব করছেন না। ভালো কিছুই করতে চাইছেন এই ম্যাচে, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটে আবাহনী-মোহামেডানের মতো বড় ম্যাচে খেলিনি। সবার নজরে থাকবে এই ম্যাচ। এখানে ভালো করার চেষ্টা করব।’ জুবায়েরকে ভাবাচ্ছে অন্য একটি বিষয়। প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত মিরপুরে যে দুটি ম্যাচ খেলেছেন, দুটিতেই থেকেছেন উইকেটশূন্য, রানও দিয়েছেন অনেক। রূপগঞ্জের সঙ্গে ৫ ওভার বোলিং করে ৩৫ রান আর শেখ জামালের বিপক্ষে সমান ওভার করে দিয়েছেন ৩৭ রান। দুটি ম্যাচই হেরেছে আবাহনী। যে ১২টি উইকেট পেয়েছেন তার ৮টি ফতুল্লায়, ৪টি বিকেএসপিতে। তিনটিতেই জিতেছে দল। অপয়া মাঠকে আজ ‘পয়া’ বানাতে চান জুবায়ের, ‘এখানে আগের দুই ম্যাচে ভালো করতে পারিনি। কাল (আজ) বড় ম্যাচে চেষ্টা করব ভালো করতে। ভালো বোলিং করলে উইকেট এমনি চলে আসবে। দলেরও ভালো হবে।’
অনেক সময় স্পিনের কিছু জাদু দেখিয়েও পরে তাঁর মধ্যে অতৃপ্তি কাজ করে বাজে বোলিংয়ের কারণে। ভালো বোলিং করতে করতে এ রকম খেই হারিয়ে ফেলাটা তাঁকেও ভাবায়, ‘মাঝেমধ্যে মনোযোগে ঘাটতি দেখা গেলে এমন হয়। লেগ স্পিন এমনিতেই কঠিন। ভালো একটা স্পেল করার পর আমাকে যখন রেখে দেওয়া হয়, পরের স্পেলে এসে ছন্দটা ধরে রাখতে পারি না। এটা নিয়ে কাজ করছি।’ জুবায়েরের প্রতিভা নিয়ে অনেক প্রশংসা হলেও তাঁর গায়ে সেঁটে আছে ‘খরুচে’ বোলারের তকমা। এবারের প্রিমিয়ার লিগে অপবাদটি মুছে ফেলার প্রতিজ্ঞায় নেমেছেন আবাহনীর লেগ স্পিনার, ‘আমাদের দেশে ভালো লেগ স্পিনার খুব একটা নেই। এটা আমার জন্য বিরাট সুযোগ। কখনো কখনো বেশি বাজে বল করে ফেলি। তখন নিজেরও খারাপ লাগে। ম্যাচ খেলতে খেলতে আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। অনেকেই বলেন, ‘‘তুই যখন পরিপূর্ণ বোলার হবি, তোকে খেলা খুবই কঠিন হয়ে যাবে।’’ চেষ্টা করছি নিজেকে পরিপূর্ণ করে তুলতে।’
ঘরোয়া ক্রিকেটে কখনো এত বড় ম্যাচ খেলা হয়নি জুবায়েরের। রোমাঞ্চ কাজ করলেও খুব একটা চাপ অনুভব করছেন না। ভালো কিছুই করতে চাইছেন এই ম্যাচে, ‘ঘরোয়া ক্রিকেটে আবাহনী-মোহামেডানের মতো বড় ম্যাচে খেলিনি। সবার নজরে থাকবে এই ম্যাচ। এখানে ভালো করার চেষ্টা করব।’ জুবায়েরকে ভাবাচ্ছে অন্য একটি বিষয়। প্রিমিয়ার লিগে এখন পর্যন্ত মিরপুরে যে দুটি ম্যাচ খেলেছেন, দুটিতেই থেকেছেন উইকেটশূন্য, রানও দিয়েছেন অনেক। রূপগঞ্জের সঙ্গে ৫ ওভার বোলিং করে ৩৫ রান আর শেখ জামালের বিপক্ষে সমান ওভার করে দিয়েছেন ৩৭ রান। দুটি ম্যাচই হেরেছে আবাহনী। যে ১২টি উইকেট পেয়েছেন তার ৮টি ফতুল্লায়, ৪টি বিকেএসপিতে। তিনটিতেই জিতেছে দল। অপয়া মাঠকে আজ ‘পয়া’ বানাতে চান জুবায়ের, ‘এখানে আগের দুই ম্যাচে ভালো করতে পারিনি। কাল (আজ) বড় ম্যাচে চেষ্টা করব ভালো করতে। ভালো বোলিং করলে উইকেট এমনি চলে আসবে। দলেরও ভালো হবে।’
অনেক সময় স্পিনের কিছু জাদু দেখিয়েও পরে তাঁর মধ্যে অতৃপ্তি কাজ করে বাজে বোলিংয়ের কারণে। ভালো বোলিং করতে করতে এ রকম খেই হারিয়ে ফেলাটা তাঁকেও ভাবায়, ‘মাঝেমধ্যে মনোযোগে ঘাটতি দেখা গেলে এমন হয়। লেগ স্পিন এমনিতেই কঠিন। ভালো একটা স্পেল করার পর আমাকে যখন রেখে দেওয়া হয়, পরের স্পেলে এসে ছন্দটা ধরে রাখতে পারি না। এটা নিয়ে কাজ করছি।’ জুবায়েরের প্রতিভা নিয়ে অনেক প্রশংসা হলেও তাঁর গায়ে সেঁটে আছে ‘খরুচে’ বোলারের তকমা। এবারের প্রিমিয়ার লিগে অপবাদটি মুছে ফেলার প্রতিজ্ঞায় নেমেছেন আবাহনীর লেগ স্পিনার, ‘আমাদের দেশে ভালো লেগ স্পিনার খুব একটা নেই। এটা আমার জন্য বিরাট সুযোগ। কখনো কখনো বেশি বাজে বল করে ফেলি। তখন নিজেরও খারাপ লাগে। ম্যাচ খেলতে খেলতে আশা করি ঠিক হয়ে যাবে। অনেকেই বলেন, ‘‘তুই যখন পরিপূর্ণ বোলার হবি, তোকে খেলা খুবই কঠিন হয়ে যাবে।’’ চেষ্টা করছি নিজেকে পরিপূর্ণ করে তুলতে।’

No comments:
Post a Comment