চলতি
২০১৫-১৬ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে (জুলাই-এপ্রিল) দেশের পণ্য রপ্তানি আয়
হয়েছে ২ হাজার ৭৬৩ কোটি মার্কিন ডলার। এর মধ্যে তৈরি পোশাক থেকেই এসেছে ৮১
দশমিক ৯০ শতাংশ বা ২ হাজার ২৬৩ কোটি ডলার। এ ক্ষেত্রে প্রবৃদ্ধি হয়েছে ১০
শতাংশ। পোশাকের ওপর ভর করেই সামগ্রিক পণ্য রপ্তানিতে প্রবৃদ্ধি হয় ৯ দশমিক
২২ শতাংশ। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো, বাংলাদেশ (ইপিবি) গতকাল বৃহস্পতিবার পণ্য
রপ্তানি আয়ের এই হালনাগাদ পরিসংখ্যান প্রকাশ করেছে। এতে দেখা যায়, ১০ মাসে
পোশাকের পর শীর্ষ ৬টি রপ্তানি খাতের মধ্যে প্রকৌশল পণ্যের প্রবৃদ্ধি ১৭
শতাংশ। বাকি ৫টি পণ্যের মধ্যে সর্বোচ্চ প্রবৃদ্ধি পাট ও পাটজাত পণ্যে শূন্য
দশমিক ৭৮ শতাংশ। ফলে পোশাক খাতের রপ্তানি প্রবৃদ্ধিই সামগ্রিক রপ্তানিতে
প্রভাব রাখছে। অবশ্য গত দুই যুগের বেশি সময় ধরেই রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ
পোশাক খাতের দখলে। ১৯৯০-৯১ অর্থবছরে ১৭১ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানির মধ্যে
৫০ দশমিক ৪৭ শতাংশ পোশাক খাত থেকে এসেছিল। পরে ধীরে ধীরে সেটি বাড়তে থাকে।
গত তিনটি অর্থবছর ধরে মোট রপ্তানিতে পোশাকের অবদান ৮১ শতাংশের ওপরে আছে।
জানতে চাইলে তৈরি পোশাকশিল্প মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সহসভাপতি ফারুক
হাসান বলেন, ‘রপ্তানি আয়ের একটি পণ্যের ওপর নির্ভরশীলতাকে একসময় ঝুঁকিপূর্ণ
বলা হতো। তবে আমরা সেই অবস্থা থেকে বের হয়ে আসছি। কারণ, পোশাক খাতের
উদ্যোক্তারা ইউরোপ ও আমেরিকার মধ্যে আর সীমাবদ্ধ নেই। তাঁরা এখন সারা বিশ্ব
চষে বেড়াচ্ছেন। বিভিন্ন দেশে কাজ করছেন। ফলে হঠাৎ কোনো দেশ মুখ ফিরিয়ে
নিলেও আমাদের সমস্যা হবে না।’ ফারুক হাসান আরও বলেন, ভালো ভালো কারখানা
স্থাপনে বিনিয়োগ হচ্ছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি আসছে। তবে দক্ষতা উন্নয়ন ও
উৎপাদনশীলতা বাড়াতে পারলে পোশাক খাতকে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাওয়া যাবে।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে আয় ২ হাজার ৭৬৩ কোটি ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের ২ হাজার ৫৩০ কোটি ডলারের চেয়ে ৯ দশমিক ২২ শতাংশ বেশি। ৯ মাসে প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ। এদিকে শুধু এপ্রিল মাসে ২৬৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় আলোচ্য সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ এবং গত বছরের এপ্রিলের ২৩৯ কোটি ডলারে রপ্তানির চেয়ে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ বেশি। ইপিবি বলছে, আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় এসেছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে, ৯২ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের চেয়ে দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। তৃতীয় অবস্থানে পাট ও পাটজাত পণ্য। খাতটির রপ্তানি আয় ৭২ কোটি ৯২ লাখ ডলার। এতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে দশমিক ৭৮ শতাংশ। হোম টেক্সটাইল থেকে আয় হয়েছে ৬২ কোটি ডলার, যা গতবারের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ৬ শতাংশ কম।
এ ছাড়া গত ১০ মাসে কৃষিজাত পণ্যে ৪৬ কোটি ডলার, প্রকৌশল পণ্যে ৪৫ কোটি ৯০ লাখ, হিমায়িত মাছে ৪৩ কোটি ৮৭ লাখ, বাইসাইকেলে ৮ কোটি, প্লাস্টিক পণ্যে ৭ কোটি, আসবাবে ৩ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের রপ্তানি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা হলো ৩ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। গতবার আয় হয়েছিল ৩ হাজার ১২০ কোটি ডলার।
ইপিবির তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরের ১০ মাসে আয় ২ হাজার ৭৬৩ কোটি ডলার, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১ দশমিক ৯৫ শতাংশ বেশি। একই সঙ্গে আয় গত অর্থবছরের একই সময়ের ২ হাজার ৫৩০ কোটি ডলারের চেয়ে ৯ দশমিক ২২ শতাংশ বেশি। ৯ মাসে প্রবৃদ্ধি ছিল ৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ। এদিকে শুধু এপ্রিল মাসে ২৬৮ কোটি ডলারের পণ্য রপ্তানি হয়েছে। এই আয় আলোচ্য সময়ের লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে শূন্য দশমিক ৪১ শতাংশ এবং গত বছরের এপ্রিলের ২৩৯ কোটি ডলারে রপ্তানির চেয়ে ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ বেশি। ইপিবি বলছে, আলোচ্য সময়ে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় এসেছে চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য থেকে, ৯২ কোটি ডলার, যা গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসের চেয়ে দশমিক ৭০ শতাংশ বেশি। তৃতীয় অবস্থানে পাট ও পাটজাত পণ্য। খাতটির রপ্তানি আয় ৭২ কোটি ৯২ লাখ ডলার। এতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে দশমিক ৭৮ শতাংশ। হোম টেক্সটাইল থেকে আয় হয়েছে ৬২ কোটি ডলার, যা গতবারের একই সময়ের চেয়ে সাড়ে ৬ শতাংশ কম।
এ ছাড়া গত ১০ মাসে কৃষিজাত পণ্যে ৪৬ কোটি ডলার, প্রকৌশল পণ্যে ৪৫ কোটি ৯০ লাখ, হিমায়িত মাছে ৪৩ কোটি ৮৭ লাখ, বাইসাইকেলে ৮ কোটি, প্লাস্টিক পণ্যে ৭ কোটি, আসবাবে ৩ কোটি ৮৪ লাখ ডলারের রপ্তানি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের রপ্তানি আয়ের লক্ষ্যমাত্রা হলো ৩ হাজার ৩৫০ কোটি ডলার। গতবার আয় হয়েছিল ৩ হাজার ১২০ কোটি ডলার।

No comments:
Post a Comment