বার্সেলোনার হয়ে বছরের পর বছর একের পর এক ট্রফি ঢুকেছে তার ঘরে। কিন্তু
দেশের হয়ে? না, লিওনেল মেসির ওই ক্যাবিনেট হাতিয়ে মরলেও মিলবে না
আর্জেন্টিনার হয়ে পাওয়া কোনো ট্রফি। সামনেই কোপা আমেরিকা। গত বছর যে
টুর্নামেন্টে দাপিয়ে খেললেও, ফাইনালে হারতে হয়েছিল চিলির কাছে। তাই আবার এই
খেতাবের শতবর্ষে যে করেই হোক ট্রফিটা জিততে চান মেসি। এবং নীল–সাদা
জার্সিই যে খেতাবের যোগ্য দাবিদার, সে কথা জোর গলায় বলে দিয়েছেন। সম্প্রতি
‘স্পোর্টস ইলাস্ট্রেটেড’ ম্যাগাজিনে একটি সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। সেখানেই
বলেছেন, ‘কোপাতে আমরা সবাই নিজেদের সেরাটা দিতে মুখিয়ে রয়েছি। কারণ,
জেতাটা আমাদের কাছে প্রচণ্ড গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, বহুদিন হয়ে গেল
আর্জেন্টিনা বড় ট্রফি জেতেনি। বিশ্বকাপ আর কোপাতে অনেক কাছাকাছি এসেও হেরে
গেছি। তাই আমার মনে হয়, এবার আমরা জেতার যোগ্য দাবিদার।’ মূলত লাতিন
আমেরিকার প্রতিযোগিতা হলেও, এবার শতবর্ষ উপলক্ষে সেই প্রতিযোগিতা হতে চলেছে
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে। যা নিয়ে উত্তেজিত রয়েছেন স্বয়ং মেসিও। বলেছেন,
‘আমেরিকা একটা অসাধারণ দেশ। দারুণ সব স্টেডিয়াম, প্রচুর মানুষ আসেন খেলা
দেখতে। এর থেকে ভাল জায়গা আর হতে পারত না। এই সুযোগ আমাদের কাজে লাগাতেই
হবে।’
একটি গোপন ইচ্ছাও এদিন ফের উস্কে দিয়েছেন মেসি। আগেই বলেছিলেন, কেরিয়ারের শেষ প্রান্তে ঠিক একদিন নিজের দেশে ফিরে যাবেন। এখানেও সেই কথা উল্লেখ করে তার মন্তব্য, ‘বার্সেলোনা আমাকে সবকিছু দিয়েছে। তবু আমি আর্জেন্টিনায় ফিরে যেতে চাই। আমি এখানেই (বার্সিলোনায়) বেড়ে উঠেছি এবং ফুটবলার হয়েছি। কিন্তু আর্জেন্টিনায় ফিরতেই হবে আমাকে।’ মাত্র ১১ বছর বয়সে নিজের দেশ ছেড়ে বাবার হাত ধরে চলে এসেছিলেন স্পেনে। কিন্তু নিজের পরিচিত দেশ, বন্ধুবান্ধব, পরিবার ছেড়ে আসা কতটা কঠিন সেটা উল্লেখ করে মেসি বলেছেন, ‘খুব কঠিন সময় ছিল। একদিন বার্সেলোনায় খেলতে আসছি বলে উত্তেজনা হচ্ছিল। অপরদিকে, নিজের বাড়ি, পরিবার ছেড়ে এসে শূন্য থেকে শুরু করাটা ছিল খুব কঠিন ছিল।’
একটি গোপন ইচ্ছাও এদিন ফের উস্কে দিয়েছেন মেসি। আগেই বলেছিলেন, কেরিয়ারের শেষ প্রান্তে ঠিক একদিন নিজের দেশে ফিরে যাবেন। এখানেও সেই কথা উল্লেখ করে তার মন্তব্য, ‘বার্সেলোনা আমাকে সবকিছু দিয়েছে। তবু আমি আর্জেন্টিনায় ফিরে যেতে চাই। আমি এখানেই (বার্সিলোনায়) বেড়ে উঠেছি এবং ফুটবলার হয়েছি। কিন্তু আর্জেন্টিনায় ফিরতেই হবে আমাকে।’ মাত্র ১১ বছর বয়সে নিজের দেশ ছেড়ে বাবার হাত ধরে চলে এসেছিলেন স্পেনে। কিন্তু নিজের পরিচিত দেশ, বন্ধুবান্ধব, পরিবার ছেড়ে আসা কতটা কঠিন সেটা উল্লেখ করে মেসি বলেছেন, ‘খুব কঠিন সময় ছিল। একদিন বার্সেলোনায় খেলতে আসছি বলে উত্তেজনা হচ্ছিল। অপরদিকে, নিজের বাড়ি, পরিবার ছেড়ে এসে শূন্য থেকে শুরু করাটা ছিল খুব কঠিন ছিল।’

No comments:
Post a Comment