চট্টগ্রাম
ও নোয়াখালী উপকূলে আজ শনিবার দুপুরের পর যেকোনো সময় আছড়ে পড়তে পারে
ঘূর্ণিঝড় ‘রোয়ানু’। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঝড়ের আঘাতে সম্ভাব্য ক্ষতি থেকে
রক্ষা পেতে দেশে উপকূলীয় এলাকাগুলোতে প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। রোয়ানুর কারণে
দেশে নৌচলাচল এখন প্রায় বন্ধ। বন্দরগুলোতে পণ্য খালাস হচ্ছে না। মাছ ধরার
ট্রলারগুলোও বেকার বসে আছে। ঘূর্ণিঝড়টির নাম কেন ‘রোয়ানু’, তা নিয়ে অনেকের
মধ্যে প্রশ্ন। এটি কোন ভাষার শব্দ, তা-ও জানতে চেয়েছেন অনেকে। বিভিন্ন সময়
ঘূর্ণিঝড়ের নাম কীভাবে হয়, তা নিয়ে সাধারণ মানুষের আগ্রহ রয়েছে। ‘রোয়ানু’
দ্বীপরাষ্ট্র মালদ্বীপের ভাষার একটি শব্দ। ইংরেজিতে এই শব্দটির অর্থ ‘কয়ার
রোপ’। বাংলায় যার অর্থ দাঁড়ায় ‘নারকেলের ছোবড়ার আঁশের দড়ি’।আটটি দেশ থেকে
ঘূর্ণিঝড়ের নামের প্রস্তাব করা হয়। এগুলো হলো ভারত, বাংলাদেশ, মালদ্বীপ,
শ্রীলঙ্কা, ওমান, পাকিস্তান, মিয়ানমার ও থাইল্যান্ড। এই দেশগুলো থেকে আসা
নামের প্রস্তাব থেকে ঘূর্ণিঝড়গুলোর নামকরণ করা হয়। তবে নামকরণের ক্ষেত্রে
সহজ ও সাধারণ মানুষ উচ্চারণ করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবে, এমন নামটি রাখা
হয়। যেমন: এর আগে সিডর, আইলা, মহাসেন নামের ঘূর্ণিঝড় ছিল। নামের প্রস্তাব
আসার পর ভারতের আবহাওয়া অধিদপ্তরে বৈঠকের মাধ্যমে প্রস্তাবিত নামের মধ্য
থেকে একটি নাম বেছে নেয়। তবে একের পর এক সৃষ্ট ঝড়ের নামকরণের ক্ষেত্রে
প্রত্যেক দেশের পাঠানো নামের তালিকা থেকে পর্যায়ক্রমে নামকরণ করা হয়।
অর্থাৎ এবার মালদ্বীপের প্রস্তাবিত নামটি নেওয়া হয়েছে। পরবর্তী ঝড়ের
ক্ষেত্রে অন্য আরেকটি দেশের প্রস্তাবিত নামের তালিকা থেকে নাম নেওয়া হবে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment