![]() |
| মগবাজার মোড়ে উড়ালসড়কের নিচের রাস্তায় নর্দমা তৈরি করা হচ্ছে। তার মাটি তুলে রাখা হয়েছে ব্যস্ত সড়কে l প্রথম |
অনেক
দিন থেকেই মগবাজার-মৌচাক উড়ালসড়ক নির্মাণের কারণে নিচের সড়কে
নির্মাণসামগ্রী ফেলে রাখা হয়েছে। তার ওপর ব্যস্ত সড়কের ধারে নর্দমা
নির্মাণের জন্য বড় বড় গর্ত খুঁড়ে স্তূপাকার করে রাখা হয়েছে মাটি। ফলে
চলাচলে দুর্ভোগ আরও বেড়েছে। মগবাজার মোড় এলাকা এখন খোঁড়াখুঁড়িতে
দুরবস্থার কবলে। গতকাল বুধবার দুপুরে এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, নিউ ইস্কাটন
প্রান্তের দক্ষিণ দিকের রাস্তায় নর্দমা তৈরির জন্য বড় বড় গর্ত খোঁড়া
হয়েছে। নর্দমার কিছু অংশ পাকাও করা হয়েছে। কিন্তু ব্যস্ত সড়কে স্তূপাকার
করে রাখা হয়েছে মাটি, ইটের টুকরা, ব্লক। এতে যানবাহন আটকে থাকছে। সমস্যা
হচ্ছে পথচারীদের চলাচলেও। গত ৩০ মার্চ মগবাজার-মৌচাক উড়ালসড়কের হলি
ফ্যামিলি-সাতরাস্তা অংশ চালু হয়েছে। বর্তমানে মৌচাক-বাংলামোটর অংশের বাকি
কাজ হচ্ছে। সে কাজের জন্যও বিভিন্ন নির্মাণসামগ্রী পড়ে আছে রাস্তায়।
মগবাজার মোড় থেকে নিউ ইস্কাটন যাওয়ার পথের দক্ষিণ পাশ বন্ধ করে রাখা হয়েছে এক মাসের বেশি সময়। বাংলামোটরের দিকে সব ধরনের যানবাহনকে যেতে হচ্ছে উত্তর পাশ দিয়ে। দক্ষিণ পাশের মোড়ে নর্দমার মাটি ও অন্য নির্মাণসামগ্রী এলোপাতাড়িভাবে রাখা। হলি ফ্যামিলির দিক থেকে আসা যানবাহনগুলো চলাচল করতে গিয়ে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বেলা তিনটার দিকে দেখা গেল, যানবাহন এড়িয়ে স্তূপাকার মাটির পাশ দিয়ে চলতে গিয়ে হঠাৎ ভাঙা ইটে চাকা পিছলে পড়ে গেলেন এক মোটরসাইকেল চালক। পোশাক ধুলায় মাখামাখি। পেছনের আরোহীর মাথায় হেলমেট ছিল না, মাথায় আঘাত পেলেন তিনি। ফুটপাত বলতে সেখানে এখন কিছু নেই। ঘটনাস্থলে কথা হয় মগবাজার আদ্দীন হাসপাতালের গলির স্কুলশিক্ষক রফিকুল ইসলাম, দিলু রোডের বাসিন্দা রোমেল হোসেন ও আখতার সিদ্দিকীর সঙ্গে। তাঁদের বক্তব্য হচ্ছে, উড়ালসড়ক নির্মাণের কারণে চলাচলসহ যাবতীয় ভোগান্তি তাঁরা মেনে নিয়েছেন। কারণ, উড়ালসড়ক সম্পূর্ণ চালু হওয়ার পর তার একটি সুফল পাওয়া যাবে। কিন্তু নিচে সড়কের ধারে নর্দমা নির্মাণ করতে গিয়ে পরিত্যক্ত মাটি ও নির্মাণসামগ্রী কেন দীর্ঘ দিন ফেলে রেখে রাস্তা বন্ধ করে রাখা হবে?
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকৌশল বিভাগ থেকে জানানো হয়, মাটি বা নির্মাণসামগ্রী যথাসময়ে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঠিকাদারদের বলা আছে। কিন্তু বেশির ভাগ সময় তাঁরা তা শোনেন না।
মগবাজার মোড় থেকে নিউ ইস্কাটন যাওয়ার পথের দক্ষিণ পাশ বন্ধ করে রাখা হয়েছে এক মাসের বেশি সময়। বাংলামোটরের দিকে সব ধরনের যানবাহনকে যেতে হচ্ছে উত্তর পাশ দিয়ে। দক্ষিণ পাশের মোড়ে নর্দমার মাটি ও অন্য নির্মাণসামগ্রী এলোপাতাড়িভাবে রাখা। হলি ফ্যামিলির দিক থেকে আসা যানবাহনগুলো চলাচল করতে গিয়ে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। বেলা তিনটার দিকে দেখা গেল, যানবাহন এড়িয়ে স্তূপাকার মাটির পাশ দিয়ে চলতে গিয়ে হঠাৎ ভাঙা ইটে চাকা পিছলে পড়ে গেলেন এক মোটরসাইকেল চালক। পোশাক ধুলায় মাখামাখি। পেছনের আরোহীর মাথায় হেলমেট ছিল না, মাথায় আঘাত পেলেন তিনি। ফুটপাত বলতে সেখানে এখন কিছু নেই। ঘটনাস্থলে কথা হয় মগবাজার আদ্দীন হাসপাতালের গলির স্কুলশিক্ষক রফিকুল ইসলাম, দিলু রোডের বাসিন্দা রোমেল হোসেন ও আখতার সিদ্দিকীর সঙ্গে। তাঁদের বক্তব্য হচ্ছে, উড়ালসড়ক নির্মাণের কারণে চলাচলসহ যাবতীয় ভোগান্তি তাঁরা মেনে নিয়েছেন। কারণ, উড়ালসড়ক সম্পূর্ণ চালু হওয়ার পর তার একটি সুফল পাওয়া যাবে। কিন্তু নিচে সড়কের ধারে নর্দমা নির্মাণ করতে গিয়ে পরিত্যক্ত মাটি ও নির্মাণসামগ্রী কেন দীর্ঘ দিন ফেলে রেখে রাস্তা বন্ধ করে রাখা হবে?
এ বিষয়ে যোগাযোগ করলে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রকৌশল বিভাগ থেকে জানানো হয়, মাটি বা নির্মাণসামগ্রী যথাসময়ে সরিয়ে নেওয়ার জন্য ঠিকাদারদের বলা আছে। কিন্তু বেশির ভাগ সময় তাঁরা তা শোনেন না।

No comments:
Post a Comment