বিএনপি
মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কান্নার সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের
যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ বলেছেন, বিএনপিতো জাতিকে বারবার
কাঁদিয়েছে। হত্যাকারীদের চোখে অশ্রু মানায় না। বৃহস্পতিবার রাজধানীর জাতীয়
ক্রীড়া পরিষদ মিলনায়তনে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় তিনি
এসব কথা বলেন। শেখ রাসেল জাতীয় শিশু কিশোর পরিষদ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।
হানিফ বলেন, বিএনপিতো কান্নার দল, বিএনপি জাতির উপর বারবার আঘাত করে
কাঁদিয়েছে। ১৯৭৫ সালে জাতির জনককে হত্যার মধ্যে দিয়ে এ জাতিকে কাঁদিয়েছিল
দলটির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান। শেখ হাসিনার উপর ১৯বার হামলা করেছে। ২০০১
সালে ক্ষমতায় এসে দেশের মানুষকে কাঁদিয়েছে। ২০০৪ সালের ২১শে আগস্ট গ্রেনেড
হামলা করে দেশের মানুষকে আবারও কাঁদায় দলটি। এ সময় মির্জা ফখরুল ইসলাম
আলমগীরকে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ২০০১ সালে আপনাদের দল যখন ক্ষমতায় এসেছিল
আপনি মন্ত্রী হয়েছিলেন, কিন্তু তখন যে আওয়ামী লীগের ২৬ হাজার নেতাকর্মীদের
হত্যা করেছিল আপনার দল সে সময় আপনার আবেগ অনুভূতি কোথায় ছিল? এখন আপনার
দলের একজন সন্ত্রাসী ঢাকায় রিকশা চালাচ্ছে দেখে আপনি কান্না করছেন। আপনাদের
আমলেতো আওয়ামী লীগের লাখ লাখ নেতাকর্মী মানবেতর জীবন যাপন করেছিল। কই
সেময়তো তাদের জন্য আপনার অনুভূতি আসেনি। আপনার মনে তখন আনন্দ ছিল। তাই
আপনারা দল এ দেশে কান্না করেনি কখনো, দেশের মানুষকে কাঁদিয়েছে সবসময়।
বঙ্গবন্ধু হত্যার সুষ্ঠু তদন্তর আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কি কারণে আমাদের জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়েছিল তার কারণ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বের করা দরকার। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মেও কাছে জাতির পিতা হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে তাদের সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী।
বঙ্গবন্ধু হত্যার সুষ্ঠু তদন্তর আহ্বান জানিয়ে আওয়ামী লীগের এ নেতা বলেন, ৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কি কারণে আমাদের জাতির পিতাকে হত্যা করা হয়েছিল তার কারণ সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে বের করা দরকার। আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মেও কাছে জাতির পিতা হত্যার ষড়যন্ত্রকারীদের চিহ্নিত করে তাদের সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা থাকা দরকার। সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের মহাসচিব মাহমুদ-উস-সামাদ চৌধুরী।

No comments:
Post a Comment