![]() |
| শফিক রেহমানকে আদালতে নেয়ার দৃশ্য (ফাইল ফটো) -বিবিসি বাংলা |
বাংলাদেশের
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদকে অপহরণ ও হত্যা পরিকল্পনা
মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া সাংবাদিক শফিক রেহমানকে তিন মাসের জামিন দিয়েছে
আদালত।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আজ তার এ জামিন মঞ্জুর করে।
মিস্টার রেহমানকে গত ১৬ এপ্রিল তার ইস্কাটনের বাসা থেকে আটক করা হয়েছিলো।
তাঁর আইনজীবীদের একজন এডভোকেট আসাদুজ্জামান বিবিসিকে বলেন শফিক রেহমানকে তিন মাসের জামিন দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
তিনি বলেন, “শফিক রেহমান তিন মাস বা মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন দেয়া পর্যন্ত জামিনে থাকতে পারবেন”।
এছাড়া আদালত পাসপোর্ট জমা দেয়ার কথা বলেছে তবে ইতোমধ্যেই সেটি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সেটি জব্দ করেছে বলে জানান মিস্টার আসাদুজ্জামান।
শফিক রেহমান বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত সাংবাদিক।
বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ বা ‘ভালোবাসা দিবসকে’ উদযাপনের ভিন্নমাত্রা দিয়েছেন তিনি।
১৯৮০’র দশকে সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের সময় ‘যায় যায় দিন’ সাময়িকী সম্পাদনা এবং লেখালেখির কারণে মি: রেহমানের ব্যাপক পরিচিতি গড়ে উঠে।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে টেলিভিশনে ‘লাল গোলাপ’ নামের একটি অনুষ্ঠান করে দর্শকদের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন তিনি।
অনেকে মনে করেন, ১৯৮০’র দশকে সাংবাদিকতার ধারা মি: রেহমান পরবর্তীতে আর ধরে রাখতে পারেননি।
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের বিএনপি’র সাথে মি: রহমানের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।
দলের কোন পদ-পদবীতে না থাকলেও, বিএনপি’র নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের পর আদালতে নেয়ার পর সেখানে দেখা করেছিলেন তার স্ত্রী তালেয়া রেহমান।
পরে তিনি বিবিসিকে বলেছিলেন যে "শফিক রেহমানের সঙ্গে আদালতে দেখা করতে গেলে তিনি তাকে বলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া থেকে তাকে 'ডিট্যাচ' করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন"।
অন্যদিকে পুলিশ বলেছিলো ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদকে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে বাংলাদেশের পল্টন থানায় যে মামলা হয়েছিল তার তদন্তে মিঃ রেহমানের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ তারা পেয়েছেন।
সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ আজ তার এ জামিন মঞ্জুর করে।
মিস্টার রেহমানকে গত ১৬ এপ্রিল তার ইস্কাটনের বাসা থেকে আটক করা হয়েছিলো।
তাঁর আইনজীবীদের একজন এডভোকেট আসাদুজ্জামান বিবিসিকে বলেন শফিক রেহমানকে তিন মাসের জামিন দিয়েছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত।
তিনি বলেন, “শফিক রেহমান তিন মাস বা মামলায় পুলিশ প্রতিবেদন দেয়া পর্যন্ত জামিনে থাকতে পারবেন”।
এছাড়া আদালত পাসপোর্ট জমা দেয়ার কথা বলেছে তবে ইতোমধ্যেই সেটি আইন শৃঙ্খলা বাহিনী সেটি জব্দ করেছে বলে জানান মিস্টার আসাদুজ্জামান।
শফিক রেহমান বাংলাদেশের একজন সুপরিচিত সাংবাদিক।
বাংলাদেশের শহরাঞ্চলে ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’ বা ‘ভালোবাসা দিবসকে’ উদযাপনের ভিন্নমাত্রা দিয়েছেন তিনি।
১৯৮০’র দশকে সামরিক শাসন বিরোধী আন্দোলনের সময় ‘যায় যায় দিন’ সাময়িকী সম্পাদনা এবং লেখালেখির কারণে মি: রেহমানের ব্যাপক পরিচিতি গড়ে উঠে।
গত বেশ কয়েক বছর ধরে টেলিভিশনে ‘লাল গোলাপ’ নামের একটি অনুষ্ঠান করে দর্শকদের কাছে বেশ পরিচিত হয়ে উঠেছেন তিনি।
অনেকে মনে করেন, ১৯৮০’র দশকে সাংবাদিকতার ধারা মি: রেহমান পরবর্তীতে আর ধরে রাখতে পারেননি।
বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দলের বিএনপি’র সাথে মি: রহমানের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে।
দলের কোন পদ-পদবীতে না থাকলেও, বিএনপি’র নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে তার যথেষ্ট প্রভাব রয়েছে।
শফিক রেহমানকে গ্রেফতারের পর আদালতে নেয়ার পর সেখানে দেখা করেছিলেন তার স্ত্রী তালেয়া রেহমান।
পরে তিনি বিবিসিকে বলেছিলেন যে "শফিক রেহমানের সঙ্গে আদালতে দেখা করতে গেলে তিনি তাকে বলেন বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়া থেকে তাকে 'ডিট্যাচ' করার জন্য এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করছেন"।
অন্যদিকে পুলিশ বলেছিলো ২০১৫ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে সজীব ওয়াজেদকে অপহরণ ও হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগে বাংলাদেশের পল্টন থানায় যে মামলা হয়েছিল তার তদন্তে মিঃ রেহমানের সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ তারা পেয়েছেন।

No comments:
Post a Comment