জার্মান
চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল অল্পের জন্য হামলা থেকে বেঁচে গেছেন। চেক
প্রজাতন্ত্রে সফররত মার্কেলের কনভয়ে বৃহস্পতিবার হানা দেয় সন্দেহভাজন একটি
কালো গাড়ি। পুলিশের গাড়িকে পাশ কাটিয়ে জার্মান চ্যান্সেলরের গাড়ির খুব
কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিল সেই অস্ত্রধারী সন্দেহভাজন। তবে পুলিশি তৎপরতায় শেষ
পর্যন্ত রক্ষা পেয়েছেন মের্কেল। খবর মিররের।
চেক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী বহুস্লাভ সোবোক্তার সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে বৃহস্পিতবার প্রাগ পৌঁছেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।
চেক পুলিশ জানিয়েছে, মার্কেলের কনভয় যখন প্রাগ বিমানবন্দর থেকে মূল শহরের দিকে যাচ্ছিল, তখন একটি কালো মার্সিডিজ গাড়ি কনভয়ে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে।
কনভয়ে থাকা পুলিশের গাড়ি থেকে ওই মার্সিডিজের চালককে সতর্ক করে দেয়া হয়। কনভয়ে ঢুকতে বারণ করা হয়। কিন্তু সে কথা শোনেনি। পুলিশের একটি গাড়ি সেটির পথ আটকানোর চেষ্টা করলে, মার্সিডিজটি তাকে পাশ কাটিয়ে মার্কেলের গাড়ির আরো কাছাকাছি চলে যায়।
অবস্থা বেগতিক বুঝে পুলিশ চলন্ত অবস্থাতেই ঘিরে ফেলে মার্সিডিজটিকে। না থামলে গুলি চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। এরপর ওই সন্দেহভাজন গাড়ি থামায়। তার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। জার্মান চ্যান্সেলরের উপরে হামলা করার জন্যই যে ওই সশস্ত্র ব্যক্তি কনভয়ে ঢুকেছিল, তা চেক পুলিশ স্পষ্ট করে বলেনি।
তবে প্রাগে চেক পুলিশের মুখপাত্র জুসেফ বকান জানিয়েছেন, বড়সড় ক্ষতি করার জন্যই কনভয়ে ঢুকেছিল ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি। কখনও ফ্রান্স, কখনও বেলজিয়াম, কখনও জার্মানিতে একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে গোটা ইউরোপে এখন হাই অ্যালার্ট। জার্মান চ্যান্সেলরের কনভয়ে সশস্ত্র ব্যক্তির হানার পর স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে।
চেক প্রজাতন্ত্রের প্রধানমন্ত্রী বহুস্লাভ সোবোক্তার সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে যোগ দিতে বৃহস্পিতবার প্রাগ পৌঁছেছেন জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল।
চেক পুলিশ জানিয়েছে, মার্কেলের কনভয় যখন প্রাগ বিমানবন্দর থেকে মূল শহরের দিকে যাচ্ছিল, তখন একটি কালো মার্সিডিজ গাড়ি কনভয়ে ঢুকে পড়ার চেষ্টা করে।
কনভয়ে থাকা পুলিশের গাড়ি থেকে ওই মার্সিডিজের চালককে সতর্ক করে দেয়া হয়। কনভয়ে ঢুকতে বারণ করা হয়। কিন্তু সে কথা শোনেনি। পুলিশের একটি গাড়ি সেটির পথ আটকানোর চেষ্টা করলে, মার্সিডিজটি তাকে পাশ কাটিয়ে মার্কেলের গাড়ির আরো কাছাকাছি চলে যায়।
অবস্থা বেগতিক বুঝে পুলিশ চলন্ত অবস্থাতেই ঘিরে ফেলে মার্সিডিজটিকে। না থামলে গুলি চালানো হবে বলে হুঁশিয়ারি দেয়া হয়। এরপর ওই সন্দেহভাজন গাড়ি থামায়। তার কাছ থেকে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। জার্মান চ্যান্সেলরের উপরে হামলা করার জন্যই যে ওই সশস্ত্র ব্যক্তি কনভয়ে ঢুকেছিল, তা চেক পুলিশ স্পষ্ট করে বলেনি।
তবে প্রাগে চেক পুলিশের মুখপাত্র জুসেফ বকান জানিয়েছেন, বড়সড় ক্ষতি করার জন্যই কনভয়ে ঢুকেছিল ওই সন্দেহভাজন ব্যক্তি। কখনও ফ্রান্স, কখনও বেলজিয়াম, কখনও জার্মানিতে একের পর এক জঙ্গি হামলার জেরে গোটা ইউরোপে এখন হাই অ্যালার্ট। জার্মান চ্যান্সেলরের কনভয়ে সশস্ত্র ব্যক্তির হানার পর স্বাভাবিকভাবেই আতঙ্ক ছড়িয়েছে।

No comments:
Post a Comment