ফরিদপুরের
মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে ১৯২৩ সালে স্থাপিত হয় গয়েশপুর প্রাথমিক
বিদ্যালয়টি। ১৯৭৩ সালে স্থাপিত হয় গয়েশপুর-বকশীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি।
পাশাপাশি দুটি বিদ্যালয় মধুমতি ও গড়াই নদীর মাঝখানে অবস্থিত। একই সঙ্গে
মধুমতী ও গড়াই নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাচ্ছে দুটি বিদ্যালয়ের পাকা, সেমি
পাকা মিলিয়ে নয়টি ভবন। বুধবার দুপুরে মধুখালী উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আজিজুর
রহমান মোল্যা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার লুৎফুন নাহার, উপজেলা শিক্ষা অফিসার
মো. আ. মালেক, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন, ইউপি
চেয়ারম্যান মো. জাহিদুর রহমান বাবুসহ স্থানীয় ও ফরিদপুর এর সাংবাদিকগণ
ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেছেন।
উপজেলার কামারখালীর গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গয়েশপুর-বকশীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এই হলো বর্তমান অবস্থা। মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে মধুমতী ও গড়াই নদীর পশ্চিমপাড়ে মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলাসংলগ্ন এলাকায় ওই বিদ্যালয় দুটি অবস্থিত।
শুধু ওই দুটি বিদ্যালয়ই নয়। ওই ইউনিয়নের গয়েশপুর, চর গয়েশপুর, বকশীপুর, আড়পড়া, জারজন নগর ও স্বরবরাজন এই ছয়টি গ্রামে মধুমতী নদীর তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এ বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে ভাঙ্গন শুরু হলেও গত চারদিন ধরে মধুমতি ও গড়াই নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় পাঁচটি পরিবার হারিয়েছে তাদের বসতবাড়িসহ শেষ সম্বল। ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরো শতাধিক পরিবার। আর পানিবন্দী হয়ে আছে পাঁচ শতাধিক পরিবার।
গয়েশপুর-বকশীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘স্কুলের ছয়টি ভবনের মধ্যে সেমি পাকা দুটি ও ডোয়া পাকা চারটি ভবন রয়েছে। আমরা স্কুলের বর্তমান অবস্থার কথা জানিয়েছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। তারা পাঠদানের জন্য বিকল্প জায়গা খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে কবে থেকে পাঠ দান শুরু করতে পারব তা জানিনা।’
গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম ওহেদুজ্জামান বলেন, ‘১৯২৩ সালে এ বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়। তখন এটি ছিল গয়েশপুরে। ৩০ বছর আগে ভাঙ্গনের কারণে স্কুলটি বকশীপুরে বর্তমান স্থানে নিয়ে আসা হয়। এবার আমরা দ্বিতীয় দফা ভাঙ্গনের কবলে পড়েছি।’
উপজেলার ইউএনও লুৎফুন নাহার বলেন, ‘মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে।’
ফরিদপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘গয়েশপুর বকশীপুর এলাকায় পাউবোর কোনো প্রকল্প চলমান নেই। এজন্য আমাদের কাজ করার সুযোগ কম। তবে স্কুলের ভবনগুলি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর বা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় যারা নির্মাণ করেছেন তাদেরই প্রতিরক্ষামূলক কাজ হাতে নেয়া উচিত।’
উপজেলার কামারখালীর গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও গয়েশপুর-বকশীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এই হলো বর্তমান অবস্থা। মধুখালী উপজেলার কামারখালী ইউনিয়নে মধুমতী ও গড়াই নদীর পশ্চিমপাড়ে মাগুরার মোহাম্মদপুর উপজেলাসংলগ্ন এলাকায় ওই বিদ্যালয় দুটি অবস্থিত।

শুধু ওই দুটি বিদ্যালয়ই নয়। ওই ইউনিয়নের গয়েশপুর, চর গয়েশপুর, বকশীপুর, আড়পড়া, জারজন নগর ও স্বরবরাজন এই ছয়টি গ্রামে মধুমতী নদীর তীব্র ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এ বর্ষা মৌসুমের শুরু থেকে ভাঙ্গন শুরু হলেও গত চারদিন ধরে মধুমতি ও গড়াই নদীর পানি বৃদ্ধির কারণে ভাঙ্গনের তীব্রতা বেড়ে গেছে। এর মধ্যে প্রায় পাঁচটি পরিবার হারিয়েছে তাদের বসতবাড়িসহ শেষ সম্বল। ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে রয়েছে আরো শতাধিক পরিবার। আর পানিবন্দী হয়ে আছে পাঁচ শতাধিক পরিবার।
গয়েশপুর-বকশীপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোরঞ্জন বিশ্বাস বলেন, ‘স্কুলের ছয়টি ভবনের মধ্যে সেমি পাকা দুটি ও ডোয়া পাকা চারটি ভবন রয়েছে। আমরা স্কুলের বর্তমান অবস্থার কথা জানিয়েছি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)সহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের। তারা পাঠদানের জন্য বিকল্প জায়গা খোঁজার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে কবে থেকে পাঠ দান শুরু করতে পারব তা জানিনা।’
গয়েশপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক এস এম ওহেদুজ্জামান বলেন, ‘১৯২৩ সালে এ বিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়। তখন এটি ছিল গয়েশপুরে। ৩০ বছর আগে ভাঙ্গনের কারণে স্কুলটি বকশীপুরে বর্তমান স্থানে নিয়ে আসা হয়। এবার আমরা দ্বিতীয় দফা ভাঙ্গনের কবলে পড়েছি।’
উপজেলার ইউএনও লুৎফুন নাহার বলেন, ‘মাধ্যমিক বিদ্যালয়টি অন্যত্র সরিয়ে নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে দুই লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। এছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়টি সরিয়ে নিতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১০ হাজার টাকা দেয়া হয়েছে।’
ফরিদপুর পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘গয়েশপুর বকশীপুর এলাকায় পাউবোর কোনো প্রকল্প চলমান নেই। এজন্য আমাদের কাজ করার সুযোগ কম। তবে স্কুলের ভবনগুলি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদফতর বা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় যারা নির্মাণ করেছেন তাদেরই প্রতিরক্ষামূলক কাজ হাতে নেয়া উচিত।’
>>>দৈনিক ইত্তেফাক

No comments:
Post a Comment