ইন্দোনেশিয়ায় ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে
মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে ২৬ জনে দাঁড়িয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগে এখনো
১৯ জন নিখোঁজ রয়েছে। নিখোঁজদের জীবিত উদ্ধারের আশা ক্ষীণ হয়ে আসছে।
বৃহস্পতিবার কর্মকর্তারা একথা জানান। জাতীয় দুর্যোগ সংস্থা উদ্ধৃতি দিয়ে
বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, ইন্দোনেশিয়ার প্রধান দ্বীপ জাভার গারুটের
পশ্চিমাঞ্চলে ত্রাণ সরবরাহ শুরু করা হয়েছে। ওই অঞ্চলটিতে ২৩ জনের প্রাণহানি
ও ১৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। ওই অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টিপাতের কারণে তীব্র বেগে
বন্যার পানি বয়ে যাচ্ছে। দুর্যোগ সংস্থা জানায়, এই বন্যা ও ভূমিধসে যারা
মারা গেছে তাদের মধ্যে বেশ কয়েকটি শিশুও রয়েছে। এদের বয়স ১২ বছরের কম।
তাদের বেশ কয়েকজনকে এখনো সনাক্ত করা হয়নি। নিখোঁজদের সন্ধানে তল্লাশী
চালাতে ত্রাণবাহী দল ও সেনা সদস্যরা গারুটে গেছেন। দুর্যোগ সংস্থার প্রধান
উইলিয়াম রামপাঙ্গিলি এক বিবৃতিতে জানান,
আকাশ
পথে ড্রোন বিমানের
সাহায্য্যে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ করা হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, দুর্যোগ সম্পর্কে
একটি প্রতিবেদন প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদোর কাছে পাঠানো হয়েছে। গৃহহীনদের
জন্য অস্থায়ী আশ্রয় শিবির ও অস্থায়ীভাবে খাবার তৈরির ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রাকৃতিক এই দুর্যোগটিতে ৪৩০ জন লোক গৃহহীন হয়ে পড়েছে। জরুরি সংস্থা
কর্মীরা দুর্গতকের মাঝে কম্বল ও পোশাক বিতরণ করছে।
জাভার পশ্চিমের একটি স্থানে জরুরি কর্মীরা এখনো নিঁখোজ এক ব্যক্তির
সন্ধানে তল্লাশী চালিয়ে যাচ্ছে। সুমেডাং অঞ্চলে এক ভয়াবহ ভূমিধসে তিনি
নিখোঁজ হয়েছেন বলে দুর্যোগ সংস্থার মুখপাত্র সুতোপো পুরোউ নুগরোহো বার্তা
সংস্থা এএফপিকে বলেন। এই ঘটনায় আরো তিন জন প্রাণ হারিয়েছে। মঙ্গলবার রাতে
কোন ধরণের পূর্ব সতর্কতা বার্তা কাদা ও পাথর মিশ্রিত পানি আকস্মিকভাবে
সুমেডাংয়ের একটি গ্রামের মধ্যে ঢুকে পড়ে। এতে বহু বাড়িঘর ও একটি মসজিদ এবং
চাপা পড়ে।

No comments:
Post a Comment