রাজধানীর গুলশানে একটি প্রতিষ্ঠানের
শোরুমে ‘চোরের’ প্রবেশ নিয়ে তুঘলকি কারবার ঘটে গেছে। মঙ্গলবার সকাল থেকে
তাদেরকে ধরতে ভবনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়। এতে করে আশেপাশের
মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে যে, জঙ্গি হামলা কি না। গুলশান থানার ওসি
সিরাজুল ইসলাম জানিয়েছেন, এলজির শোরুমে চুরির ঘটনা ঘটলেও কাউকে আটক করা
সম্ভব হয়নি। সূত্র জানায়, রাত তিনটার দিকে গুলশানের এলজি শোরুমে তিন ‘চোর’
প্রবেশ করে। তারা জিনিসপত্র নিয়ে ঐ ভবন থেকে বের হতে না পেরে আটকে যায়।
সকাল আটটার দিকে ভবনের সিকিউরিটি গার্ডরা ভেতরে অজ্ঞাত তিন ব্যক্তির
অবস্থানের বিষয়টি টের পায়। এরপরই গুলশান থানা পুলিশকে খবর দেয়া হয়।
খবরে পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ও চ্যানচারি পুলিশ ভবনটি ঘিরে ফেলে। প্রথম দফায় পুলিশ ধারণা করে, ভিতরে অবস্থানরত অজ্ঞাত ব্যক্তিদের সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। পুলিশ বাইরে থেকে তাদের আত্মসমর্পণ করতে মাইকিং করে । এর মধ্যে পুলিশ বুঝতে পারে ভিতরে অবস্থানরত তিন ব্যক্তি চোর। পুলিশ ভেতরে ঢোকার পর চোররা গ্রিল কাটার স্থান দিয়ে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মুস্তাক আহমেদ বলেছেন, গুলশান-১ এর সাততলা ভবনের এলজি শোরুমে চোর প্রবেশ করেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে সেখানে থেকে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। চোরদের ফেলে যাওয়া একটি ব্যাগ থেকে কয়েকটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়েছে।
খবরে পেয়ে গুলশান থানা পুলিশ ও চ্যানচারি পুলিশ ভবনটি ঘিরে ফেলে। প্রথম দফায় পুলিশ ধারণা করে, ভিতরে অবস্থানরত অজ্ঞাত ব্যক্তিদের সঙ্গে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে। পুলিশ বাইরে থেকে তাদের আত্মসমর্পণ করতে মাইকিং করে । এর মধ্যে পুলিশ বুঝতে পারে ভিতরে অবস্থানরত তিন ব্যক্তি চোর। পুলিশ ভেতরে ঢোকার পর চোররা গ্রিল কাটার স্থান দিয়ে পালিয়ে যায়। এ বিষয়ে পুলিশের গুলশান বিভাগের উপকমিশনার মুস্তাক আহমেদ বলেছেন, গুলশান-১ এর সাততলা ভবনের এলজি শোরুমে চোর প্রবেশ করেছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তবে সেখানে থেকে কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি। চোরদের ফেলে যাওয়া একটি ব্যাগ থেকে কয়েকটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়েছে।

No comments:
Post a Comment