পাকিস্তানের
প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ বলেছেন, নিয়ন্ত্রণ রেখায় যেকোনও সহিংসতা ও
আগ্রাসন থেকে জনগণ এবং আঞ্চলিক অখণ্ডতার সুরক্ষা নিশ্চিত করতে তার সরকার সব
ধরনের ব্যবস্থা নেবে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার এক বৈঠকে অংশ নিয়ে
তিনি এ কথা বলেন। নওয়াজ বলেন, যেকোনও আগ্রাসন থেকে আমরা আমাদের মাতৃভূমিকে
সুরক্ষা করব। গোটা জাতি আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে
আছে। ভারতীয় নৃশংসতা দিয়ে কাশ্মিরি জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে দমানো যাবে না।’
জম্মু কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের সঙ্গে যে উত্তেজনা চলছে তা নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা করা হয়। সেসময় নওয়াজ আরও অভিযোগ করেন, ভারতীয় আগ্রাসন আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছে। ভারতের আগ্রাসন প্রতিহত করতে পাকিস্তান সরকার ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।’
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বুধবার রাতে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতের সেনারা সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলোতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছে। ওই অভিযানে ৯ পাকিস্তানি সেনা ও ৩৫ থেকে ৪০ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক দিয়ে এমন সামরিক অভিযানকে বোঝানো হয়, যে অভিযানে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর বাইরে আশপাশের অবকাঠামো কিংবা জনসাধারণ হামলার শিকার হয় না বলে দাবি করা হয়। ঘটনার পর থেকে দুই সেনা সদস্য নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে পাকিস্তান দাবি করে আসছে এটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ছিল না, সীমান্ত সংঘর্ষ বা আন্তঃসীমান্ত গোলাগুলির ঘটনা ছিল। পাকিস্তান ভূখণ্ডে এ ধরনের অভিযান চালানো হলে একই কায়দায় এর জবাব দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় পাকিস্তানের পক্ষ থেকে।
জম্মু কাশ্মিরের নিয়ন্ত্রণ রেখায় ভারতের সঙ্গে যে উত্তেজনা চলছে তা নিয়ে ওই বৈঠকে আলোচনা করা হয়। সেসময় নওয়াজ আরও অভিযোগ করেন, ভারতীয় আগ্রাসন আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছে। ভারতের আগ্রাসন প্রতিহত করতে পাকিস্তান সরকার ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ রয়েছে বলেও হুঁশিয়ার করেন তিনি।’
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সকালে ভারতীয় সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, বুধবার রাতে নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে ভারতের সেনারা সন্ত্রাসী ঘাঁটিগুলোতে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক চালিয়েছে। ওই অভিযানে ৯ পাকিস্তানি সেনা ও ৩৫ থেকে ৪০ জঙ্গি নিহত হয়েছে বলেও দাবি করা হয়। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক দিয়ে এমন সামরিক অভিযানকে বোঝানো হয়, যে অভিযানে সুনির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর বাইরে আশপাশের অবকাঠামো কিংবা জনসাধারণ হামলার শিকার হয় না বলে দাবি করা হয়। ঘটনার পর থেকে দুই সেনা সদস্য নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত করে পাকিস্তান দাবি করে আসছে এটি সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ছিল না, সীমান্ত সংঘর্ষ বা আন্তঃসীমান্ত গোলাগুলির ঘটনা ছিল। পাকিস্তান ভূখণ্ডে এ ধরনের অভিযান চালানো হলে একই কায়দায় এর জবাব দেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেওয়া হয় পাকিস্তানের পক্ষ থেকে।
>>>সূত্র: ডন @বাংলা ট্রিবিউন

No comments:
Post a Comment