কক্সবাজারের
উখিয়ায় রেজু খাল এলাকায় সমুদ্র সৈকতে পর্যটকবাহী একটি প্রাইভেট হেলিকপ্টার
বিধ্বস্ত হয়ে এক আরোহী নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন কপ্টারের আরো চার
আরোহী।
বিধ্বস্ত হওয়ার একটু আগে হেলিকপ্টারটি উখিয়ার রয়েল টিউলিপ হোটেলে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে নামিয়ে দিয়ে ফিরছিল। ফেরার পথে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় কপ্টারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বলা যায়, অনেকটা ভাগ্যক্রমেই বেঁচে গেলেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
সাকিব একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার হয়ে শুটিংয়ে অংশ নিতে হেলিকপ্টারটিতে করে কক্সবাজার আসেন।
এই দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নাম শাহ আলম। তিনি ওই বিজ্ঞাপনী সংস্থার কর্মকর্তা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
হেলিকপ্টারটির পাইলট শফিকুল ইসলামসহ অপর আহত চারজনকে কক্সবাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কপ্টারটি উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে পুলিশ, বিজিবি ও দমকল বাহিনী।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ জানান, মেঘনা অ্যাভিয়েশনের হেলিকপ্টারটি আজ সকাল ৭টায় ঢাকা থেকে উড্ডয়ন করে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার রেজুখাল এলাকার সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত পৌঁছলে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। হেলিকপ্টারটিতে একজন পাইলট ও চারজন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনায় নিহত শেখ শাহ আলম সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়ার বাসিন্দা।
তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনায় আহত পাইলট অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার শফিকুর রহমান বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবাহিনীর চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুরা নগরিয়াকান্দির বাসিন্দা।
অপর আহত শরিফ বিজ্ঞাপনী সংস্থা উজিলভী অ্যাড ফার্মের কর্মকর্তা। দুর্ঘটনায় আহত তার দুই সন্তানসহ তিনি কক্সবাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েই ঢাকায় চলে যান বলে পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেন।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ম্যানেজার সাধন কুমার মহন্থ জানান, মেঘনা অ্যাভিয়েশনের হেলিকপ্টারটি উখিয়ার হোটেল রয়েল টিউলিপে সাকিব আল হাসানকে নামিয়ে দিয়ে ফেরার পথে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রেজুখাল এলাকায় সমুদ্র সৈকতে বিধ্বস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হেলিকপ্টারটি খুব নিচু দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ সৈকতে পড়ে যায়।
কপ্টারটি ঢেউয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে খুব নিচু দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল!
ইনানী সৈকতে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি খুব নিচু দিয়ে সাগরের ঢেউয়ের সাথে খেলা করে যাচ্ছিল বলে জানা গেছে। এভাবে উড়ার একপর্যায়ে একটি বিশাল ঢেউয়ের সাথে হেলিকপ্টারটির নিচের অংশের ধাক্কা লাগে এবং কিছুদূর গিয়েই বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী উখিয়ার সোনারপাড়া নিবাসী জেলে হামিদ হোসেন ও মনজুর আলম জানান, সকাল থেকেই আমরা ইনানী সৈকতের রেজু খালের মোহনায় ভেসে আসা শামুক (মুক্তা) সংগ্রহ করছিলাম। একপর্যায়ে দেখতে পেলাম একটি হেলিকপ্টার নিচু দিয়ে ঢেউয়ের ফাঁকে ফাঁকে খেলা করেই উড়ে যাচ্ছে। হঠাৎ দেখলাম বড় একটি ঢেউ আছড়ে পড়ে হেলিকপ্টারের পেটে। মনে হচ্ছিল হেলিকপ্টারটি ডুবেই গেছে। কিন্তু না, একটু পর উড়ে গিয়েই তীরের কাছে হাঁটু পানিতে বিধ্বস্ত হয়। সাথে সাথে আমরা ছুটে যাই এবং আহতদের উদ্ধারে সাহায্য করি।
তবে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন জানান, দুর্ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। কারণ পরে জানা যাবে।
তিনি আরো জানান, মেঘনা অ্যাভিয়েশনের ওই হেলিকপ্টারটি আজ সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা থেকে ইনানী পৌঁছায়। এর কিছুক্ষণ পর আবার ঢাকায় ফিরে যাওয়ার পথে বিধ্বস্ত হয়। এ বিষয়ে আহত পাইলটের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঈগল বি এজেন্ট নামে একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রতিনিধি সেকান্দার আবু জাফর হিরো সাংবাদিকদের জানান, প্রতিষ্ঠানে নির্মিতব্য একটি বিজ্ঞাপন চিত্রে অংশ নিতে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ইনানীতে আসেন। সকালে সাকিবকে নামিয়ে দিয়ে বিজ্ঞাপন চিত্রকর্মের সাথে যুক্ত মোহাম্মদ শাহ আলম ও শরীফুল ইসলাম তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কপ্টারে করে ঢাকা ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার পর মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে মোহাম্মদ শাহ আলমকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার রফিকুল ইসলাম তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডা: রফিক জানান, শাহ আলমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ও তার লাশ মর্গে রয়েছে।
দরজা খুলে ভিডিও করায় বিধ্বস্ত হয় হেলিকপ্টারটি
রেজু নদীসংলগ্ন সাগর মোহনায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় আহত পাইলটের বরাত দিয়ে মেঘনা এভিয়েশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, নিহত শাহ আলম হেলিকপ্টারের দরজা খুলে ভিডিও করায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
তিনি বলেন, ‘ইনানীর স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন আমাদের উইং কমান্ডার শফিকুল ইসলাম আমাকে জানিয়েছেন, নিহত শাহ আলম হেলিকপ্টারের দরজা খুলে ভিডিও করতে গেলে পাইলট তাকে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি পাইলটের কথা অমান্য করেই দরজা খোলা রেখে ভিডিও করছিলেন।’
খোরশেদ আলম জানান, ওই সময় পাইলট শাহ আলমকে বলেন, ‘ভিডিও যখন করতে চান তাহলে নিচের দিকে যাই।’
‘এভাবে সাগরের ওপর থেকে নামতে গিয়ে সাগরের পানির পাশেই বালুতটে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।’
শুধু পাইলটের বলা এ কথার ওপর ভরসা করে বসে না থেকে নিজেরাই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে বের করবেন বলে জানান মেঘনা এভিয়েশনের সিইও।
তবে প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে এ ঘটনাকেই দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।
বিধ্বস্ত হওয়ার একটু আগে হেলিকপ্টারটি উখিয়ার রয়েল টিউলিপ হোটেলে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে নামিয়ে দিয়ে ফিরছিল। ফেরার পথে আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় কপ্টারটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বলা যায়, অনেকটা ভাগ্যক্রমেই বেঁচে গেলেন অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান।
সাকিব একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার হয়ে শুটিংয়ে অংশ নিতে হেলিকপ্টারটিতে করে কক্সবাজার আসেন।
এই দুর্ঘটনায় নিহত ব্যক্তির নাম শাহ আলম। তিনি ওই বিজ্ঞাপনী সংস্থার কর্মকর্তা বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
হেলিকপ্টারটির পাইলট শফিকুল ইসলামসহ অপর আহত চারজনকে কক্সবাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়ার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।
কপ্টারটি উদ্ধার কার্যক্রম চালাচ্ছে পুলিশ, বিজিবি ও দমকল বাহিনী।
কক্সবাজারের পুলিশ সুপার শ্যামল কুমার নাথ জানান, মেঘনা অ্যাভিয়েশনের হেলিকপ্টারটি আজ সকাল ৭টায় ঢাকা থেকে উড্ডয়ন করে। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কক্সবাজারের উখিয়ার রেজুখাল এলাকার সমুদ্র সৈকত পর্যন্ত পৌঁছলে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। হেলিকপ্টারটিতে একজন পাইলট ও চারজন আরোহী ছিলেন। দুর্ঘটনায় নিহত শেখ শাহ আলম সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ উপজেলার তেঁতুলিয়ার বাসিন্দা।

তিনি আরো জানান, দুর্ঘটনায় আহত পাইলট অবসরপ্রাপ্ত উইং কমান্ডার শফিকুর রহমান বর্তমানে কক্সবাজার বিমানবাহিনীর চিকিৎসাকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন। তিনি নরসিংদী জেলার রায়পুরা নগরিয়াকান্দির বাসিন্দা।
অপর আহত শরিফ বিজ্ঞাপনী সংস্থা উজিলভী অ্যাড ফার্মের কর্মকর্তা। দুর্ঘটনায় আহত তার দুই সন্তানসহ তিনি কক্সবাজারে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েই ঢাকায় চলে যান বলে পুলিশ সুপার নিশ্চিত করেন।
কক্সবাজার বিমানবন্দরের ম্যানেজার সাধন কুমার মহন্থ জানান, মেঘনা অ্যাভিয়েশনের হেলিকপ্টারটি উখিয়ার হোটেল রয়েল টিউলিপে সাকিব আল হাসানকে নামিয়ে দিয়ে ফেরার পথে যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে রেজুখাল এলাকায় সমুদ্র সৈকতে বিধ্বস্ত হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, হেলিকপ্টারটি খুব নিচু দিয়ে যাচ্ছিল। এ সময় হঠাৎ সৈকতে পড়ে যায়।
কপ্টারটি ঢেউয়ের সাথে পাল্লা দিয়ে খুব নিচু দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল!
ইনানী সৈকতে বিধ্বস্ত হেলিকপ্টারটি খুব নিচু দিয়ে সাগরের ঢেউয়ের সাথে খেলা করে যাচ্ছিল বলে জানা গেছে। এভাবে উড়ার একপর্যায়ে একটি বিশাল ঢেউয়ের সাথে হেলিকপ্টারটির নিচের অংশের ধাক্কা লাগে এবং কিছুদূর গিয়েই বিধ্বস্ত হয়ে পড়ে।
প্রত্যক্ষদর্শী উখিয়ার সোনারপাড়া নিবাসী জেলে হামিদ হোসেন ও মনজুর আলম জানান, সকাল থেকেই আমরা ইনানী সৈকতের রেজু খালের মোহনায় ভেসে আসা শামুক (মুক্তা) সংগ্রহ করছিলাম। একপর্যায়ে দেখতে পেলাম একটি হেলিকপ্টার নিচু দিয়ে ঢেউয়ের ফাঁকে ফাঁকে খেলা করেই উড়ে যাচ্ছে। হঠাৎ দেখলাম বড় একটি ঢেউ আছড়ে পড়ে হেলিকপ্টারের পেটে। মনে হচ্ছিল হেলিকপ্টারটি ডুবেই গেছে। কিন্তু না, একটু পর উড়ে গিয়েই তীরের কাছে হাঁটু পানিতে বিধ্বস্ত হয়। সাথে সাথে আমরা ছুটে যাই এবং আহতদের উদ্ধারে সাহায্য করি।
তবে কক্সবাজার জেলা প্রশাসক মো: আলী হোসেন জানান, দুর্ঘটনার বিষয়ে অনুসন্ধান চলছে। কারণ পরে জানা যাবে।
তিনি আরো জানান, মেঘনা অ্যাভিয়েশনের ওই হেলিকপ্টারটি আজ সকাল সাড়ে ৯টায় ঢাকা থেকে ইনানী পৌঁছায়। এর কিছুক্ষণ পর আবার ঢাকায় ফিরে যাওয়ার পথে বিধ্বস্ত হয়। এ বিষয়ে আহত পাইলটের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঈগল বি এজেন্ট নামে একটি বিজ্ঞাপনী সংস্থার প্রতিনিধি সেকান্দার আবু জাফর হিরো সাংবাদিকদের জানান, প্রতিষ্ঠানে নির্মিতব্য একটি বিজ্ঞাপন চিত্রে অংশ নিতে ক্রিকেটার সাকিব আল হাসান ইনানীতে আসেন। সকালে সাকিবকে নামিয়ে দিয়ে বিজ্ঞাপন চিত্রকর্মের সাথে যুক্ত মোহাম্মদ শাহ আলম ও শরীফুল ইসলাম তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে কপ্টারে করে ঢাকা ফিরছিলেন। দুর্ঘটনার পর মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে মোহাম্মদ শাহ আলমকে কক্সবাজার জেলা সদর হাসপাতালে নেয়া হলে জরুরি বিভাগে কর্তব্যরত ডাক্তার রফিকুল ইসলাম তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ডা: রফিক জানান, শাহ আলমের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে ও তার লাশ মর্গে রয়েছে।
দরজা খুলে ভিডিও করায় বিধ্বস্ত হয় হেলিকপ্টারটি
রেজু নদীসংলগ্ন সাগর মোহনায় হেলিকপ্টার দুর্ঘটনায় আহত পাইলটের বরাত দিয়ে মেঘনা এভিয়েশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) খোরশেদ আলম জানিয়েছেন, নিহত শাহ আলম হেলিকপ্টারের দরজা খুলে ভিডিও করায় এ দুর্ঘটনাটি ঘটে।
তিনি বলেন, ‘ইনানীর স্বাস্থ্য উপকেন্দ্রে চিকিৎসাধীন আমাদের উইং কমান্ডার শফিকুল ইসলাম আমাকে জানিয়েছেন, নিহত শাহ আলম হেলিকপ্টারের দরজা খুলে ভিডিও করতে গেলে পাইলট তাকে নিষেধ করেন। কিন্তু তিনি পাইলটের কথা অমান্য করেই দরজা খোলা রেখে ভিডিও করছিলেন।’
খোরশেদ আলম জানান, ওই সময় পাইলট শাহ আলমকে বলেন, ‘ভিডিও যখন করতে চান তাহলে নিচের দিকে যাই।’
‘এভাবে সাগরের ওপর থেকে নামতে গিয়ে সাগরের পানির পাশেই বালুতটে হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়।’
শুধু পাইলটের বলা এ কথার ওপর ভরসা করে বসে না থেকে নিজেরাই দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে বের করবেন বলে জানান মেঘনা এভিয়েশনের সিইও।
তবে প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনার কারণ হিসেবে এ ঘটনাকেই দেখা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

No comments:
Post a Comment