অতিরিক্ত
যাত্রী নিয়ে লঞ্চ চলাচল করতে দেয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আইজিপি একেএম
শহীদুল হক। একই সঙ্গে যাত্রীদের নিরাপত্তা দিতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর
সদস্যদের সর্বোচ্চ সতর্ক থাকার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি নিরাপত্তার
ব্যাপারে যাত্রীদেরও সচেতন হওয়ার পরামর্শ দেন। গতকাল সদরঘাট লঞ্চ
টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি। আইজিপি বলেন,
মুসলিম সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় দুটি ধর্মীয় উৎসবের সময় ঘরমুখো মানুষের ভিড়
হয়। এসময় যাত্রী চলাচল বেড়ে যায়। যাত্রীদের নিরাপদে বাড়ি পৌঁছা পর্যন্ত
নিরাপত্তা দিচ্ছে পুলিশ। তিনি বলেন, জানামতে এবার কোনো ধরনের ফিটনেসহীন
লঞ্চ চলাচল করছে না। খালি চোখে সব লঞ্চ ঠিক বলেই মনে হচ্ছে। তবে ইঞ্জিনের
বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি কোনো লঞ্চের ফিটনেসবিহীনতা ধরা পড়ে তার বিরুদ্ধে
ব্যবস্থা নেবেন নৌ ম্যাজিট্রেট।
এর আগে তিনি লঞ্চের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। কামরুল ইসলাম নামের এক যাত্রী লঞ্চের বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, লঞ্চের নিজস্ব ও বাইরের কিছু লোক ডেকে আগে থেকে চাদর বিছিয়ে রাখে। পরে সেখানে অবস্থান নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় ভাড়া আদায় করা হয়। এছাড়া লঞ্চের নারী যাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেন আইজিপি। যাত্রীদের অভিযোগ শুনে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের লালবাগ জোনের ডিসি ইব্রাহিম খানকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি। অজ্ঞান ও মলম পার্টি, পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের কবল থেকে রক্ষা পেতে যাত্রীদের নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানোসহ পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য নির্দেশ দেন আইজিপি। পরে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেন তিনি।
নৌপুলিশের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার শাহাবুদ্দিন কোরেইশী, অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মুহাম্মদ মারুফ হাসান, জাহাজ মালিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া টিপু, বিআইডব্লিউটিএ এর যুগ্ম পরিচালক জয়নাল আবেদিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. শামসুদ্দিন, রেলওয়ে ডিভিশনাল ম্যানেজার মো. মাহবুবুল আলম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে তিনি লঞ্চের যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন। কামরুল ইসলাম নামের এক যাত্রী লঞ্চের বিভিন্ন অভিযোগ তুলে ধরে বলেন, লঞ্চের নিজস্ব ও বাইরের কিছু লোক ডেকে আগে থেকে চাদর বিছিয়ে রাখে। পরে সেখানে অবস্থান নেয়া ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১৫০ টাকা থেকে ২০০ টাকায় ভাড়া আদায় করা হয়। এছাড়া লঞ্চের নারী যাত্রীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনেন আইজিপি। যাত্রীদের অভিযোগ শুনে এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে পুলিশের লালবাগ জোনের ডিসি ইব্রাহিম খানকে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেন তিনি। অজ্ঞান ও মলম পার্টি, পকেটমার ও ছিনতাইকারীদের কবল থেকে রক্ষা পেতে যাত্রীদের নিরাপত্তা সচেতনতা বাড়ানোসহ পুলিশের সার্বিক নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করার জন্য নির্দেশ দেন আইজিপি। পরে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করেন তিনি।
নৌপুলিশের ডিআইজি মো. মনিরুজ্জামান, ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার শাহাবুদ্দিন কোরেইশী, অতিরিক্ত কমিশনার শেখ মুহাম্মদ মারুফ হাসান, জাহাজ মালিক সমিতির প্রধান উপদেষ্টা গোলাম কিবরিয়া টিপু, বিআইডব্লিউটিএ এর যুগ্ম পরিচালক জয়নাল আবেদিন, রেলওয়ে পুলিশের ডিআইজি মো. শামসুদ্দিন, রেলওয়ে ডিভিশনাল ম্যানেজার মো. মাহবুবুল আলম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment