রাজনীতিতে
দুই পরিবার বিপরীতমুখী। একজন রিপাবলিকান দলের নেতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট,
আরেকজন ডেমোক্রেটিক দলের বর্তমান ফার্স্ট লেডি। রাজনীতিতে মতপার্থক্য যাই
থাকুক; দু’জনের বন্ধুত্ব অটল। জর্জ ডব্লিউ বুশ ও মিশেল ওবামা তারই
দৃষ্টান্ত রাখলেন। ওবামা-বুশ পরিবারের অন্যরকম বন্ধুত্বের এই ছবি এখন সারা
বিশ্বে আলোচিত হয়ে উঠেছে। যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শনিবার ন্যাশনাল
মিউজিয়াম অব আফ্রিকান-আমেরিকান হিস্টরি অ্যান্ড কালচারের উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে উপস্থিত হয়েছিলেন ওবামা ও বুশ দম্পতি। সেখানে প্রচণ্ড মিশুক হয়ে
ওঠেন বুশ ও মিশেল ওবামা। মিশেল এক পর্যায়ে সাবেক প্রেসিডেন্ট বুশকে আলিঙ্গন
করেন। তখন জর্জ ডব্লিউ বুশের ডানে দাঁড়ানো সাবেক ফার্স্ট লেডি লরা বুশ
হাততালি দিচ্ছেন। মিশেল ওবামার বাম পাশ থেকে এগিয়ে যান প্রেসিডেন্ট বারাক
ওবামা। সঙ্গে সঙ্গে ক্যামেরার আলোতে যেন ঝলসে ওঠেন তারা। মুহূর্তেই এ ছবি
ছড়িয়ে পড়ে বিশ্বময়।
সিএনএনের জানায়, জাদুঘরটি তৈরিতে আইন প্রণয়নে স্বাক্ষর করেছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ। আর এ কাজ সম্পন্ন হয়েছে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে। তাই এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এ দুই ফার্স্ট দম্পতি। অনুষ্ঠানটি যেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩তম ও ৪৪তম ফার্স্ট দম্পতির একটি পুনর্মিলনীতে পরিণত হয়েছিল। রাজনীতির মঞ্চে তাদের পরিচয় ভিন্ন। কিন্তু বন্ধুত্বের মঞ্চে তারা এক। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত আট বছর ধরে দেখা গেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ও বর্তমান ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার মধ্যে বন্ধুত্ব ক্রমশ গাঢ় হয়ে উঠছে। সরকারি কোনো অনুষ্ঠানে তাদের দেখা যায় একজন আরেকজনের পাশে বসছেন। তারা মধুর কোনো স্মৃতি আওড়ে হাসছেন। একজন আরেকজনের হাত ধরে আছেন। এগুলো বন্ধুত্বের এক নিদর্শন। এর ব্যত্যয় ঘটেনি শনিবারের ওই অনুষ্ঠানে। এরই এক ফাঁকে মিশেল ওবামা উঠে যান। তিনি আলিঙ্গন করেন জর্জ ডব্লিউ বুশ ও তার সহধর্মিণীকে।
সিএনএনের জানায়, জাদুঘরটি তৈরিতে আইন প্রণয়নে স্বাক্ষর করেছিলেন জর্জ ডব্লিউ বুশ। আর এ কাজ সম্পন্ন হয়েছে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার সময়ে। তাই এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এ দুই ফার্স্ট দম্পতি। অনুষ্ঠানটি যেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৩তম ও ৪৪তম ফার্স্ট দম্পতির একটি পুনর্মিলনীতে পরিণত হয়েছিল। রাজনীতির মঞ্চে তাদের পরিচয় ভিন্ন। কিন্তু বন্ধুত্বের মঞ্চে তারা এক। প্রতিবেদনে বলা হয়, গত আট বছর ধরে দেখা গেছে সাবেক প্রেসিডেন্ট জর্জ ডব্লিউ বুশ ও বর্তমান ফার্স্টলেডি মিশেল ওবামার মধ্যে বন্ধুত্ব ক্রমশ গাঢ় হয়ে উঠছে। সরকারি কোনো অনুষ্ঠানে তাদের দেখা যায় একজন আরেকজনের পাশে বসছেন। তারা মধুর কোনো স্মৃতি আওড়ে হাসছেন। একজন আরেকজনের হাত ধরে আছেন। এগুলো বন্ধুত্বের এক নিদর্শন। এর ব্যত্যয় ঘটেনি শনিবারের ওই অনুষ্ঠানে। এরই এক ফাঁকে মিশেল ওবামা উঠে যান। তিনি আলিঙ্গন করেন জর্জ ডব্লিউ বুশ ও তার সহধর্মিণীকে।
এর
আগে ১২ জুলাই ডালাসে পুলিশের গুলিতে নিহতদের স্মরণসভায় তাদের দেখা গেছে
হাতে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছেন। ২০১৫ সালের ৭ মার্চ আলাবামায় সেলমায় ঐতিহাসিক
সিভিল রাইটসের ৫০তম বার্ষিকীতে উপস্থিত হয়েছিলেন তারা। সেখানেও তাদের
মধ্যকার বন্ধুত্ব প্রকাশ পায়। এদিকে, কৃষ্ণাঙ্গ ইতিহাসের দিকে নজর ফেরাতে
ওয়াশিংটনে সাড়ে ৩১ কোটি ডলার ব্যয়ে নির্মিত হয়েছে এই জাদুঘর। উদ্বোধনী
অনুষ্ঠানে কৃষ্ণাঙ্গদের উদ্দেশে ওবামা বলেন, ‘আসল কথা হল, আজকের দিনটি
যুক্তরাষ্ট্রকে সবসময়ের এক যথাযথ রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত করা নয়, বরং আজকের
দিনটি আমাদের পরিবর্তন-বিপ্লব আর আমাদের পূর্বপ্রজন্মের এমন এক ইতিহাসকে
সামনে আনবে যা থেকে আমরা আরও ভালো একটি রাষ্ট্র হওয়ার দিকে ধাবিত হতে
পারি।’ ওবামা বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্রের বোঝা নই। আমরাই আমেরিকা। এ
জাদুঘরও তাই বলে।’

No comments:
Post a Comment