![]() |
| বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রতিবেদন প্রকাশ অনুষ্ঠানে সিপিডির কর্মকর্তারা। প্রথম আলো |
প্রতিযোগিতা সক্ষমতায় এক ধাপ এগিয়েছে
বাংলাদেশ। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা
সক্ষমতা সূচক বা গ্লোবাল কম্পিটিটিভ ইনডেক্সে (জিসিআই) ২০১৬-১৭ অর্থবছরে
বাংলাদেশ বিশ্বের ১৩৮টি দেশের মধ্যে ১০৬তম অবস্থান পেয়েছে। গত বছর তা ছিল
১০৭তম। এবার বাংলাদেশ এগিয়েছে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা ও অবকাঠামোর উন্নতির
কারণে। ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের বৈশ্বিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা প্রতিবেদনটি
গতকাল বুধবার বিশ্বজুড়ে প্রকাশ করা হয়। বাংলাদেশে এটি প্রকাশ করে সেন্টার
ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি)। প্রতিবেদনের সঙ্গে সিপিডি তাদের একটি র্যাপিড
অ্যাসেসমেন্ট সার্ভে বা তাৎক্ষণিক পর্যালোচনা জরিপও প্রকাশ করে।
প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে বরাবরের মতো এবারও প্রথম অবস্থান পেয়েছে সুইজারল্যান্ড। প্রথম ১০-এ থাকা বাকি দেশগুলো হলো সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, জাপান, হংকং ও ফিনল্যান্ড। বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশের মধ্যে ভালো অবস্থানে আছে মালয়েশিয়া (২৫তম), চীন (২৮তম), থাইল্যান্ড (৩৪তম), ইন্দোনেশিয়া (৪১তম), ভিয়েতনাম (৬০তম), শ্রীলঙ্কা (৭১তম) ও কম্বোডিয়া (৮৯তম)। দক্ষিণ এশিয়ায় এ বছর সবচেয়ে ভালো করেছে ভারত। ৫৫তম অবস্থান থেকে তারা উঠে এসেছে ৩৯তম অবস্থানে। এ ছাড়া নেপাল দুই ধাপ এগিয়ে ৯৮তম ও ভুটান ৮ ধাপ এগিয়ে ৯৭তম অবস্থান পেয়েছে। এই অঞ্চলে বাংলাদেশের পেছনে আছে কেবল পাকিস্তান। দেশটি ৪ ধাপ এগিয়েও ১২২তম অবস্থান পেয়েছে।
প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে সিপিডি গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে সংস্থাটির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রতিবেদনের বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ সক্ষমতা সূচকে আগের চেয়ে নম্বর বেশি পাচ্ছে। তবে অন্যরা এগিয়ে যাওয়ায় সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশেষ এগোচ্ছে না। তিনি বলেন, গত সাত বছরে বাংলাদেশের নম্বর বেড়েছে ৭ শতাংশ। কিন্তু অবস্থানের উন্নতি হয়েছে মাত্র এক ধাপ। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হতে হলে উৎপাদনশীলতা নির্ভর অর্থনীতিতে যেতে হবে। সেখানে শ্রমের দক্ষতা ও বিনিয়োগের দক্ষতার প্রশ্ন আসবে। এ প্রতিবেদন থেকে ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ চাহিদার ইঙ্গিত নীতিনির্ধারকেরা পাবেন।
প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচক তৈরি হয়েছে ১২টি বিষয়ের ওপর। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, পণ্যবাজারের দক্ষতা, শ্রমবাজারের দক্ষতা, প্রযুক্তি, বাজারের আকার, ব্যবসায় উন্নতি ও উদ্ভাবনে বাংলাদেশের নম্বর বেড়েছে। অন্যদিকে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক শিক্ষা ও আর্থিক খাতের উন্নতিতে বাংলাদেশ পিছিয়েছে। প্রতিবেদনটি তৈরিতে গত ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের ৮৯টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মতামত নেওয়া হয়। তাদের বেশির ভাগের কাছে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা ছিল অবকাঠামো সংকট। গত বছর প্রথম অবস্থানে ছিল দুর্নীতি। এবার এটি দ্বিতীয় অবস্থান পেয়েছে। পরের অবস্থানগুলোতে আছে ঋণের অভাব, আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা, শিক্ষিত শ্রমশক্তির অভাব, উচ্চ কর হার ইত্যাদি।
এ বিষয়ে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিগত বছরগুলোতে মূল কয়েকটি সমস্যায় ব্যবসায়ীদের বেশি জোর দিতে দেখা যেত। এখন তারা অন্য কিছু সমস্যাও সামনে নিয়ে আসছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, নীতির ধারাবাহিকতার অভাব, মূল্যস্ফীতি ও শ্রমনীতিবিষয়ক সমস্যাগুলো এখন গুরুত্ব পাচ্ছে না। জরিপে ব্যবসায়ীরা আর্থিক পরিবেশ নিয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নেতিবাচক মত দিয়েছেন। যেমন পুঁজিবাজারে মূলধন সংগ্রহ নিয়ে গত বছর ৪৫ শতাংশ ব্যবসায়ী ভালো বলে মত দিয়েছিলেন। এবার ৫১ শতাংশ মন্দ বলে অভিহিত করেছেন। ব্যাংক খাত নিয়েও ব্যবসায়ীদের মত নেতিবাচক। গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, আর্থিক খাতে বাংলাদেশ একসময় মধ্যম পর্যায়ে ছিল। এখন নিম্ন সারিতে আটকে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে সংলাপ ও যোগাযোগপ্রধান আনিসাতুল ফাতেমা ইউসুফ ও জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহকারী কিশোর কুমার বসাক উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচকে বরাবরের মতো এবারও প্রথম অবস্থান পেয়েছে সুইজারল্যান্ড। প্রথম ১০-এ থাকা বাকি দেশগুলো হলো সিঙ্গাপুর, যুক্তরাষ্ট্র, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, সুইডেন, যুক্তরাজ্য, জাপান, হংকং ও ফিনল্যান্ড। বাংলাদেশের প্রতিযোগী দেশের মধ্যে ভালো অবস্থানে আছে মালয়েশিয়া (২৫তম), চীন (২৮তম), থাইল্যান্ড (৩৪তম), ইন্দোনেশিয়া (৪১তম), ভিয়েতনাম (৬০তম), শ্রীলঙ্কা (৭১তম) ও কম্বোডিয়া (৮৯তম)। দক্ষিণ এশিয়ায় এ বছর সবচেয়ে ভালো করেছে ভারত। ৫৫তম অবস্থান থেকে তারা উঠে এসেছে ৩৯তম অবস্থানে। এ ছাড়া নেপাল দুই ধাপ এগিয়ে ৯৮তম ও ভুটান ৮ ধাপ এগিয়ে ৯৭তম অবস্থান পেয়েছে। এই অঞ্চলে বাংলাদেশের পেছনে আছে কেবল পাকিস্তান। দেশটি ৪ ধাপ এগিয়েও ১২২তম অবস্থান পেয়েছে।
প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে সিপিডি গতকাল রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। এতে সংস্থাটির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম প্রতিবেদনের বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ সক্ষমতা সূচকে আগের চেয়ে নম্বর বেশি পাচ্ছে। তবে অন্যরা এগিয়ে যাওয়ায় সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান বিশেষ এগোচ্ছে না। তিনি বলেন, গত সাত বছরে বাংলাদেশের নম্বর বেড়েছে ৭ শতাংশ। কিন্তু অবস্থানের উন্নতি হয়েছে মাত্র এক ধাপ। সিপিডির নির্বাহী পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বাংলাদেশকে উচ্চ-মধ্যম আয়ের দেশ হতে হলে উৎপাদনশীলতা নির্ভর অর্থনীতিতে যেতে হবে। সেখানে শ্রমের দক্ষতা ও বিনিয়োগের দক্ষতার প্রশ্ন আসবে। এ প্রতিবেদন থেকে ব্যবসায়ীদের ভবিষ্যৎ চাহিদার ইঙ্গিত নীতিনির্ধারকেরা পাবেন।
প্রতিযোগিতা সক্ষমতা সূচক তৈরি হয়েছে ১২টি বিষয়ের ওপর। এর মধ্যে প্রতিষ্ঠান, অবকাঠামো, উচ্চশিক্ষা ও প্রশিক্ষণ, পণ্যবাজারের দক্ষতা, শ্রমবাজারের দক্ষতা, প্রযুক্তি, বাজারের আকার, ব্যবসায় উন্নতি ও উদ্ভাবনে বাংলাদেশের নম্বর বেড়েছে। অন্যদিকে সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা, স্বাস্থ্য ও প্রাথমিক শিক্ষা ও আর্থিক খাতের উন্নতিতে বাংলাদেশ পিছিয়েছে। প্রতিবেদনটি তৈরিতে গত ফেব্রুয়ারি থেকে মে মাস পর্যন্ত সময়ে বাংলাদেশের ৮৯টি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মতামত নেওয়া হয়। তাদের বেশির ভাগের কাছে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা ছিল অবকাঠামো সংকট। গত বছর প্রথম অবস্থানে ছিল দুর্নীতি। এবার এটি দ্বিতীয় অবস্থান পেয়েছে। পরের অবস্থানগুলোতে আছে ঋণের অভাব, আমলাতন্ত্রের অদক্ষতা, শিক্ষিত শ্রমশক্তির অভাব, উচ্চ কর হার ইত্যাদি।
এ বিষয়ে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, বিগত বছরগুলোতে মূল কয়েকটি সমস্যায় ব্যবসায়ীদের বেশি জোর দিতে দেখা যেত। এখন তারা অন্য কিছু সমস্যাও সামনে নিয়ে আসছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা, নীতির ধারাবাহিকতার অভাব, মূল্যস্ফীতি ও শ্রমনীতিবিষয়ক সমস্যাগুলো এখন গুরুত্ব পাচ্ছে না। জরিপে ব্যবসায়ীরা আর্থিক পরিবেশ নিয়ে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে নেতিবাচক মত দিয়েছেন। যেমন পুঁজিবাজারে মূলধন সংগ্রহ নিয়ে গত বছর ৪৫ শতাংশ ব্যবসায়ী ভালো বলে মত দিয়েছিলেন। এবার ৫১ শতাংশ মন্দ বলে অভিহিত করেছেন। ব্যাংক খাত নিয়েও ব্যবসায়ীদের মত নেতিবাচক। গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, আর্থিক খাতে বাংলাদেশ একসময় মধ্যম পর্যায়ে ছিল। এখন নিম্ন সারিতে আটকে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানে সংলাপ ও যোগাযোগপ্রধান আনিসাতুল ফাতেমা ইউসুফ ও জ্যেষ্ঠ গবেষণা সহকারী কিশোর কুমার বসাক উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment