আমেরিকায়
এবার দুর্বৃত্তদের ছুরিকাঘাতে বাংলাদেশি এক নারী নিহত হয়েছেন। তার নাম
নাজমা বেগম (৬০)। স্থানীয় সময় বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে নিউ ইয়র্কের
জ্যামাইকা ক্রুজ শহরে নিজ কর্মস্থল থেকে বাসায় ফেরার পথে তিনি হামলার শিকার
হন। পরে স্থানীয় একটি হাসপাতালে নেয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত
ঘোষণা করেন।
এর আগে গত ১৩ আগস্ট নিউইয়র্কে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহতদের একজন মসজিদের ইমাম ছিলেন, অন্যজন ছিলেন ওই ইমামের সহকারী।
বুধবার নিহত নাজমা শরীয়তপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা। তিনি শরীয়তপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক শামছুল আলম খানের স্ত্রী। তার মৃত্যুর খবরে তার বাড়ি সদর উপজেলার আটিপাড়ায় চলছে শোকের মাতম।
নাজমার পরিবারের সদস্যরা জানান, দুর্বৃত্তরা যখন নাজমা বেগমকে ছুরিকাঘাত করে তখন তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী শামসুল আলম খান। তিনিই নাজমাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
নাজমার দেবর এসকান্দার আজম খান জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালে শরীয়তপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক শামসুল আলম খানের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। শরীয়তপুর জেলা শহরে সদর হাসপাতাল সংলগ্ন বাড়িতে তারা দীর্ঘ দুই যুগ বাস করেছেন। এই দম্পতির দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে নাজমুল আলম খান লিটু ও মেয়ে তৃণা খানম ঢাকায় থাকেন। ছোট ছেলে শুভকে নিয়ে ২০০৮ সাল থেকে আমেরিকায় বাস করছিলেন এই দম্পতি। ছোট ছেলের বিয়ের উদ্দেশে দুই মাস পরই দেশে ফেরার কথা ছিল পরিবারটির।
এর আগে গত ১৩ আগস্ট নিউইয়র্কে দুই বাংলাদেশিকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। নিহতদের একজন মসজিদের ইমাম ছিলেন, অন্যজন ছিলেন ওই ইমামের সহকারী।
বুধবার নিহত নাজমা শরীয়তপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক সহকারী শিক্ষিকা। তিনি শরীয়তপুর সরকারি কলেজের রসায়ন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক শামছুল আলম খানের স্ত্রী। তার মৃত্যুর খবরে তার বাড়ি সদর উপজেলার আটিপাড়ায় চলছে শোকের মাতম।
নাজমার পরিবারের সদস্যরা জানান, দুর্বৃত্তরা যখন নাজমা বেগমকে ছুরিকাঘাত করে তখন তার সঙ্গে ছিলেন স্বামী শামসুল আলম খান। তিনিই নাজমাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান।
নাজমার দেবর এসকান্দার আজম খান জানিয়েছেন, ১৯৭২ সালে শরীয়তপুর সরকারি কলেজের প্রভাষক শামসুল আলম খানের সাথে তাঁর বিয়ে হয়। শরীয়তপুর জেলা শহরে সদর হাসপাতাল সংলগ্ন বাড়িতে তারা দীর্ঘ দুই যুগ বাস করেছেন। এই দম্পতির দুই ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বড় ছেলে নাজমুল আলম খান লিটু ও মেয়ে তৃণা খানম ঢাকায় থাকেন। ছোট ছেলে শুভকে নিয়ে ২০০৮ সাল থেকে আমেরিকায় বাস করছিলেন এই দম্পতি। ছোট ছেলের বিয়ের উদ্দেশে দুই মাস পরই দেশে ফেরার কথা ছিল পরিবারটির।

No comments:
Post a Comment