দীপিকা
পাড়ুকোন,জ্যাকলিন ফার্নান্দেজ এবং সোনাক্ষি সিনহার বিয়ে হয়েছে
উত্তরপ্রদেশের এক গ্রামে। অবাক হচ্ছেন? সম্প্রতি তাঁদের সরকারি রেশন কার্ড
মারফৎ জানা গিয়েছে এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য়। ফরুকবাদ গ্রামের বাসিন্দা রাকেশ
চন্দকে বিয়ে করেছেন দীপিকা, জ্যাকলিন বিয়ে করেছেন সাধু লালকে এবং সোনাক্ষির
স্বামী হলেন রমেশ চন্দ্র। পাওয়া গিয়েছে রানি মুখোপাধ্যায়ের রেশন কার্ডও।
তবে আদিত্য চোপড়া নন, রানি মুখোপাধ্যায়ের স্বামী হলেন শ্রীমান রাম স্বরূপ।
এঁদের প্রত্য়েকের বাৎসরিক আয় হল ১৮,০০০ টাকা। তাই তাঁরা প্রত্যেকেই প্রতি
মাসে নিজেদের রেশন কার্ড দেখিয়ে ভর্তুকিতে চাল, গম, কেরোসিনও কেনেন।
এই তিন সুন্দরীর ভুয়ো রেশন কার্ড পাওয়া গিয়েছে গ্রাম থেকেই। বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আসে গ্রামবাসীদেরই। রেশন কার্ড থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের নাম নথিভুক্ত হওয়ার সময়ই নজরে পড়ে ঘটনাটি। বছর খানেক ধরেই চুপিচুপি ভর্তুকির রেশন নিচ্ছিলেন তাঁরা। উত্তরপ্রদেশের সাহেবগঞ্জের এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই হৈ হৈ রব পড়ে যায় গ্রামে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, এই নামে ভুয়ো রেশন কার্ড বানিয়ে তার মাধ্যমে রেশন তুলে নিতেন ডিস্ট্রিবিউটর। আর সেই রেশন পরে বেশি দামে বিক্রি করতেন। বিষয়টি নিয়ে অবিলম্বে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। এর পিছনে কোনও চক্র কাজ করছে কি না তা জেনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
এই তিন সুন্দরীর ভুয়ো রেশন কার্ড পাওয়া গিয়েছে গ্রাম থেকেই। বিষয়টি প্রথম প্রকাশ্যে আসে গ্রামবাসীদেরই। রেশন কার্ড থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের নাম নথিভুক্ত হওয়ার সময়ই নজরে পড়ে ঘটনাটি। বছর খানেক ধরেই চুপিচুপি ভর্তুকির রেশন নিচ্ছিলেন তাঁরা। উত্তরপ্রদেশের সাহেবগঞ্জের এই ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই হৈ হৈ রব পড়ে যায় গ্রামে। প্রাথমিক তদন্তের পর পুলিশ জানিয়েছে, এই নামে ভুয়ো রেশন কার্ড বানিয়ে তার মাধ্যমে রেশন তুলে নিতেন ডিস্ট্রিবিউটর। আর সেই রেশন পরে বেশি দামে বিক্রি করতেন। বিষয়টি নিয়ে অবিলম্বে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক। এর পিছনে কোনও চক্র কাজ করছে কি না তা জেনে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

No comments:
Post a Comment