ডেমোক্র্যাট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন ও
রিপাবলিকান প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যে তিন পর্বের বিতর্কের প্রথম
পর্বে ট্রাম্পের নাক টানার বিষয়টি প্রথম থেকেই সবার নজরে পড়েছে। এ ছাড়া দুই
প্রার্থীর পরস্পরের বক্তব্যে বিঘ্ন ঘটানোর বিষয়টিও চোখে পড়েছে।
ট্রাম্পের নাক টানা: ট্রাম্পের নাক টানার শব্দ পরিষ্কার শোনা গেছে বিতর্কের সময়। একেবারে প্রথম থেকেই দৃশ্যত সর্দির কারণে নাক টেনে যাচ্ছিলেন তিনি। এ নিয়ে আলোচনাও চলছে। হ্যাশট্যাগ দিয়ে ‘ট্রাম্পস্নিফল’ ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোয়। এমনকি টুইটারে এই নামে একটি অ্যাকাউন্টও চালু হয়েছে।
মাইক নিয়ে ট্রাম্পের অভিযোগ: বিতর্ক শেষে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘আপনারা কি খেয়াল করেছেন, বিতর্ক কক্ষে আমার মাইকটাই ছিল ত্রুটিযুক্ত।’ অবশ্য এ অভিযোগ করেও ট্রাম্প তাঁর ঘন ঘন নাক টানার শব্দের বিষয়টি আড়াল করতে পারেননি।
কথার মধ্যে পরস্পরকে বাধা: বিতর্কে হিলারি কথা বলেন মোট ৪১ মিনিট ২১ সেকেন্ড। এর মধ্যে ১৭টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। এ সময়ে ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন ২৯ বার। প্রতিপক্ষের বক্তব্যকে হিলারি ১০ বার ‘অসত্য’ বলে দাবি করেছেন। অপরদিকে ট্রাম্প কথা বলেছেন মোট ৪৪ মিনিট ২৩ সেকেন্ড। উত্তর দিয়েছেন ১৫টি প্রশ্নের, যার মধ্যে দায়সারা উত্তর দিয়েছেন বা এড়িয়ে গেছেন চারটি প্রশ্ন। প্রতিপক্ষ ট্রাম্পের বক্তব্যে নয়বার বিঘ্ন সৃষ্টি করলেও বিতর্কের সঞ্চালক তাঁকে আরও অনেক বেশিবার থামিয়েছেন। প্রতিপক্ষের বক্তব্যকে ট্রাম্প ২৬ বার ‘অসত্য’ দাবি করেছেন।
ট্রাম্পের নিজের প্রশংসা: প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে ট্রাম্প একপর্যায়ে দাবি করেন, তাঁর প্রধান গুণই হলো শান্ত মেজাজ। কিন্তু কথাটা তিনি বলেন মুখ কুঁচকে বেশ বিরক্তির সঙ্গে। ট্রাম্পের এ কথায় হলে হাসির রোল ওঠে।
ট্রাম্পের নাক টানা: ট্রাম্পের নাক টানার শব্দ পরিষ্কার শোনা গেছে বিতর্কের সময়। একেবারে প্রথম থেকেই দৃশ্যত সর্দির কারণে নাক টেনে যাচ্ছিলেন তিনি। এ নিয়ে আলোচনাও চলছে। হ্যাশট্যাগ দিয়ে ‘ট্রাম্পস্নিফল’ ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুক, টুইটারসহ সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমগুলোয়। এমনকি টুইটারে এই নামে একটি অ্যাকাউন্টও চালু হয়েছে।
মাইক নিয়ে ট্রাম্পের অভিযোগ: বিতর্ক শেষে রিপাবলিকান দলের প্রার্থী সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, ‘আপনারা কি খেয়াল করেছেন, বিতর্ক কক্ষে আমার মাইকটাই ছিল ত্রুটিযুক্ত।’ অবশ্য এ অভিযোগ করেও ট্রাম্প তাঁর ঘন ঘন নাক টানার শব্দের বিষয়টি আড়াল করতে পারেননি।
কথার মধ্যে পরস্পরকে বাধা: বিতর্কে হিলারি কথা বলেন মোট ৪১ মিনিট ২১ সেকেন্ড। এর মধ্যে ১৭টি প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। এ সময়ে ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে বিঘ্ন সৃষ্টি করেছেন ২৯ বার। প্রতিপক্ষের বক্তব্যকে হিলারি ১০ বার ‘অসত্য’ বলে দাবি করেছেন। অপরদিকে ট্রাম্প কথা বলেছেন মোট ৪৪ মিনিট ২৩ সেকেন্ড। উত্তর দিয়েছেন ১৫টি প্রশ্নের, যার মধ্যে দায়সারা উত্তর দিয়েছেন বা এড়িয়ে গেছেন চারটি প্রশ্ন। প্রতিপক্ষ ট্রাম্পের বক্তব্যে নয়বার বিঘ্ন সৃষ্টি করলেও বিতর্কের সঞ্চালক তাঁকে আরও অনেক বেশিবার থামিয়েছেন। প্রতিপক্ষের বক্তব্যকে ট্রাম্প ২৬ বার ‘অসত্য’ দাবি করেছেন।
ট্রাম্পের নিজের প্রশংসা: প্রেসিডেন্ট হিসেবে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ হিসেবে ট্রাম্প একপর্যায়ে দাবি করেন, তাঁর প্রধান গুণই হলো শান্ত মেজাজ। কিন্তু কথাটা তিনি বলেন মুখ কুঁচকে বেশ বিরক্তির সঙ্গে। ট্রাম্পের এ কথায় হলে হাসির রোল ওঠে।
No comments:
Post a Comment