ভারত-পাকিস্তানের
মধ্যে পারমাণবিক যুদ্ধ হলে শুধু দুই দেশ নয়, ক্ষতি হবে গোটা বিশ্বের।
দুর্ভিক্ষ দেখা দিবে বিশ্বব্যাপী। মৃত্যু হবে অন্তত ২০০ কোটি মানুষের।
প্রায় নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে পারে মানবসভ্যতা। ২০১৩ সালে প্রকাশিত একটি
রিপোর্টে এমনটাই বলা হয়েছিল। তিন বছর আগে প্রকাশিত ওই গবেষণা প্রতিবেদনে
বলা হয়, পাকিস্তান ও ভারতের মধ্যে যদি সীমিত পর্যায়েও পারমাণবিক অস্ত্রের
লড়াই হয় তবে, বিশ্বের আবহাওয়ামণ্ডলের ব্যাপক ক্ষতি ও শস্যক্ষেত্র ধ্বংস
হবে। আর তার পরিণামে সারা পৃথিবীতে খাদ্যের বাজারে বিরূপ প্রভাব পড়বে।
নোবেল শান্তি পুরস্কারবিজয়ী ইন্টারন্যাশনাল ফিজিশিয়ানস ফর দ্য প্রিভেনশন
অব নিউক্লিয়ার ওয়ার এবং ফিজিশিয়ানস ফর সোশ্যাল রেসপনসিবিলিটি নামে দু’টি
সংগঠন ওই প্রতিবেদন প্রকাশ করে। প্রতিবেদনে বলা হয়, পরমাণু যুদ্ধের ফলে
আবহাওয়ামণ্ডলে যে কার্বন অ্যারোসল কণা ছড়াবে, তাতে সুদূর আমেরিকাতেও
কমপক্ষে এক দশক সময় ধরে কৃষি উৎপাদন প্রায় ১০ শতাংশ কমে যাবে। এ কণার
প্রভাবে চীনে প্রথম চার বছরে গড়ে ২১ শতাংশ ও পরের ছ’বছর আরও ১০ শতাংশ ধান,
গমের উৎপাদন কমে যাবে। ১৯৪৫ সালে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে জাপানের
হিরোশিমা ও নাগাসাকিতে ফেলা মার্কিন পরমাণু বোমায় দুই লাখের বেশি মানুষের
মৃত্যু হয়। এখন পারমাণবিক বোমা আরও শক্তিশালী, আরও ভয়ঙ্কর। সেই প্রেক্ষতে
ওই গবেষণায় বলা হয়, এখন কোনও পারমাণিবক যুদ্ধ মানেই তা মানবসভ্যতা ধ্বংস
হয়ে যাওয়ার সামিল।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment