| আদালত প্রাঙ্গনে কাঁদছেন রিশার মা তানিয়া হোসেন |
আদালতে
আসামির কাঠগড়ায় সন্তানের ঘাতক ওবায়দুলকে দেখে অঝোরে কাঁদলেন উইলস লিটল
ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আক্তার রিশার মা তানিয়া হোসেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে যখন ওবায়দুলকে আদালতে হাজির করা হয়, তখন রিশার মা
তানিয়া হোসেন ও বাবা রমজান হোসেন সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
আদালতে উপস্থিত একাদিক আইনজীবী জানান, ‘রিশা হত্যা মামলায় ওবায়দুলের রিমান্ড আবেদন শুনানির সময় উপস্থিত ছিলেন মামলার বাদী রিশার মা তানিয়া হোসেন। সঙ্গে ছিলেন রিশার বাবা রমজান হোসেনও। ওবায়দুল খানকে যখন আদালতে আসামির কাঠগড়ায় তোলা হয়, তখন রিশার মাকেও বাদীর কাঠগড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় মেয়ের ঘাতক ওবায়দুলকে দেখে ডুকরে কেঁদে ওঠেন তিনি। কোনওভাবেই তাকে থামানো যাচ্ছিল না। যতক্ষণ শুনানি চলেছে, ততক্ষণই তিনি কেঁদেছেন। এ সময় ওবায়দুল ছিল ভাবলেশহীন।’
শুনানি শেষে রিশার মা তানিয়া হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওবায়দুলকে দেখে মেয়ে হারানোর কষ্ট যেন বেড়ে যায়। আমি চাই, যে আমার কোল খালি করে দিয়েছে, তার মতো জঘন্য অপরাধীর যেন ফাঁসি হয়। আমাদের মন তো ঠাণ্ড হয় না।’
রিশার ঘাতক ওবায়দুলের পক্ষে আদালতে দাঁড়াননি কোনও আইনজীবী। তারা বলেন, ‘ওবায়দুলের মতো আসামির হয়ে আদালতে দাঁড়াতে ইচ্ছা করেনি কারও। এছাড়া তার পক্ষে কেউ কোনও আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কিনা সেটাও জানি না।’
গত ২৪ আগস্ট টেইলার্সের কর্মচারী ওবায়দুল উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আখতার রিশাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৮ আগস্ট রিশা মারা যায়। এরপর ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আন্দোলন শুরু করেন ওবায়দুলকে গ্রেফতারের জন্য। ৩১ আগস্ট বুধবার নীলফামারি থেকে তাকে গ্রেফতার করে রাতেই ঢাকা আনা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওবায়দুলকে আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে ৬দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আদালতে উপস্থিত একাদিক আইনজীবী জানান, ‘রিশা হত্যা মামলায় ওবায়দুলের রিমান্ড আবেদন শুনানির সময় উপস্থিত ছিলেন মামলার বাদী রিশার মা তানিয়া হোসেন। সঙ্গে ছিলেন রিশার বাবা রমজান হোসেনও। ওবায়দুল খানকে যখন আদালতে আসামির কাঠগড়ায় তোলা হয়, তখন রিশার মাকেও বাদীর কাঠগড়ায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ সময় মেয়ের ঘাতক ওবায়দুলকে দেখে ডুকরে কেঁদে ওঠেন তিনি। কোনওভাবেই তাকে থামানো যাচ্ছিল না। যতক্ষণ শুনানি চলেছে, ততক্ষণই তিনি কেঁদেছেন। এ সময় ওবায়দুল ছিল ভাবলেশহীন।’
শুনানি শেষে রিশার মা তানিয়া হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘ওবায়দুলকে দেখে মেয়ে হারানোর কষ্ট যেন বেড়ে যায়। আমি চাই, যে আমার কোল খালি করে দিয়েছে, তার মতো জঘন্য অপরাধীর যেন ফাঁসি হয়। আমাদের মন তো ঠাণ্ড হয় না।’
রিশার ঘাতক ওবায়দুলের পক্ষে আদালতে দাঁড়াননি কোনও আইনজীবী। তারা বলেন, ‘ওবায়দুলের মতো আসামির হয়ে আদালতে দাঁড়াতে ইচ্ছা করেনি কারও। এছাড়া তার পক্ষে কেউ কোনও আইনজীবীর সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন কিনা সেটাও জানি না।’
গত ২৪ আগস্ট টেইলার্সের কর্মচারী ওবায়দুল উইলস লিটল ফ্লাওয়ার স্কুলের শিক্ষার্থী সুরাইয়া আখতার রিশাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যায়। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ২৮ আগস্ট রিশা মারা যায়। এরপর ওই স্কুলের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা আন্দোলন শুরু করেন ওবায়দুলকে গ্রেফতারের জন্য। ৩১ আগস্ট বুধবার নীলফামারি থেকে তাকে গ্রেফতার করে রাতেই ঢাকা আনা হয়। বৃহস্পতিবার দুপুরে ওবায়দুলকে আদালতে হাজির করে দশ দিনের রিমান্ড চায় পুলিশ। আদালত শুনানি শেষে ৬দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
No comments:
Post a Comment