বাংলাদেশ
ও চীন দু’দেশের মধ্যে বিদ্যমান গভীর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ককে কৌশলগত সহযোগিতা ও
অংশীদারিত্বের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে একমত হয়েছে। এছাড়াও দু’দেশ
সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে একযোগে কাজ করার প্রত্যয়ও ব্যক্ত
করে। বিকালে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনার মধ্যে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এ
বিষয়ে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়। বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে গভীর ঘনিষ্ঠ সহযোগিতার
সম্পর্ক বিদ্যমান। কিন্তু এই সহযোগিতাকে উভয় দেশ কৌশলগত সহযোগিতা ও
অংশীদারিত্বের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দু’নেতার মধ্যে ঐকমত্য হয়েছে, -
পররাষ্ট্র সচিব মো.শহীদুল হক বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের একথা বলেন। পররাষ্ট্র
সচিব বলেন, চীনের প্রেসিডেন্ট এবং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী দু’দেশের মধ্যে
বিদ্যমান দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে কৌশলগত সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বের মাধ্যমে
আরো গভীর এবং সম্প্রসারিত করার পাশাপাশি একে একটি নতুন অবয়ব প্রদানে একমত
হয়েছেন। সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই দ্বিপাক্ষিক বৈঠককে অত্যন্ত
ফলপ্রসূ উল্লেখ করে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, বৈঠকে দু’দেশের পারস্পরিক
স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। চীনের প্রেসিডেন্টের
এই সফরকে ঐতিহাসিক উল্লেখ করে শহীদুল হক বলেন, এই সফরের ফলে দু’দেশের
দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্ষেত্রেও নবদিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, দু’নেতাই এ বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আগামী দিনগুলোতে দু’দেশের মধ্যে আরো উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময় হবে বলেও পররাষ্ট্র সচিব অভিমত ব্যক্ত করেন। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বিষয়ে দু’নেতার আলোচনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দু’দেশের সম্পর্ক অনেক পুরনো। তবে, চীনের প্রেসিডেন্টের এই সফরের মধ্য দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে বিশেষ করে আইসিটি খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরো নতুন ক্ষেত্র উন্মুক্ত হয়েছে।
পররাষ্ট্র সচিব বলেন, দু’নেতাই এ বিষয়ে দু’দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়ের ওপর গুরুত্বারোপ করেন। আগামী দিনগুলোতে দু’দেশের মধ্যে আরো উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময় হবে বলেও পররাষ্ট্র সচিব অভিমত ব্যক্ত করেন। ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগ বিষয়ে দু’নেতার আলোচনা প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র সচিব বলেন, ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রে দু’দেশের সম্পর্ক অনেক পুরনো। তবে, চীনের প্রেসিডেন্টের এই সফরের মধ্য দিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্যে বিশেষ করে আইসিটি খাতে সহযোগিতার ক্ষেত্রে আরো নতুন ক্ষেত্র উন্মুক্ত হয়েছে।
>>>মানবজমিন

No comments:
Post a Comment