ইউরোপীয়
ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত পিয়েরে মায়েদুন বলেছেন, গুলশানই প্রকৃত
বাংলাদেশের চিত্র নয়। ১লা জুলাই গুলশানের হলি আর্টিজান বেকারিতে হামলার পর
ওই এলাকাকে নিরাপদ করার জন্য সরকার যেসব উদ্যোগ নিয়েছে তা প্রশংসনীয়। তবে
শুধু গুলশানকে নিরাপদ করলে হবে না। কিংবা ওই এলাকার মানুষকে নিরাপদ করলে
হবে না। গোটা বাংলাদেশকে, এর ১৬ কোটি মানুষকে নিরাপদ করতে হবে। দুপুরে
বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল এন্ড স্ট্রাটেজিক স্টাডিস (বিস)
আয়োজিত কান্ট্রি লেকচারে ইইউ রাষ্ট্রদূত এসব কথা বলেন। নির্ধারিত বক্তব্যে
ইইউ দূত বাংলাদেশের সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী
বাহিনীর বিভিন্ন উদ্যোগ এবং বাংলাদেশ-ইইউ সম্পর্কের বিস্তারিত তুলে ধরেন।
পিয়েরে মায়েদুন বলেন, বাংলাদেশ ও ইইউ-এর মধ্যে অত্যন্ত চমৎকার সম্পর্ক
রয়েছে। ইইউ জোটভুক্ত বিভিন্ন দেশে বাংলাদেশি পণ্য বিশেষ সুবিধা পেয়ে থাকে।
ইইউ থেকে ব্রিটেন বের হয়ে যাওয়ার (ব্রেক্সিট) আগ পর্যন্ত বাংলাদেশি পণ্যের
প্রধান গন্তব্য ছিল জার্মানী। দ্বিতীয় বৃহত্তম বাজার ছিল ব্রিটেন।
ব্রেক্সিটের পর ব্রিটেনে বাংলাদেশি পণ্যের সুবিধা অব্যাহত রাখতে নতুন করে
আলোচনা শুরু করার তাগিদ দেন ইইউ দূত। এসময় ইইউ দূত জানান, বাংলাশে নি¤œ
আয়ের দেশ (এলডিসি) থেকে নি¤œ মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ায় জিএসপি প্লাস
সুবিধা পাবে। তবে এ সুবিধা পেতে বাংলাদেশকে সুশাসন, মানবাধিকার, শ্রম
পরিস্থিতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ২৭টি ডকুমেন্টে সাক্ষর করতে হবে। বিস
চেয়ারম্যান রাষ্ট্রদূত মুন্সী ফয়েজ আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে
প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল একেএম আবদুর রহমান স্বাগত বক্তব্য
রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে বিভিন্ন দূতাবাস ও মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন
কর্মকর্তা, গবেষক, শিক্ষার্থী ও সাবেক কূটনীতিকরা উপস্থিত ছিলেন।
>>>মানবজমিন

No comments:
Post a Comment