সিম
নিবন্ধনে আঙুলের ছাপ (বায়োমেট্রিক) পদ্ধতি চালুর পর দেশে গত এক বছরে
সক্রিয় মুঠোফোন সংযোগের সংখ্যা এক কোটির বেশি কমেছে। এ সময়ে নতুন সংযোগের
সংখ্যাও আগের বছরগুলোর মতো বাড়েনি। তবে আগামী চার বছরে বাজার হিসেবে
বাংলাদেশ ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রাখবে বলে মনে করছে মুঠোফোন অপারেটরদের
বৈশ্বিক সংগঠন জিএসএমএ। সংগঠনটি মনে করে, আগামী ২০২০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে
নতুন করে আরও ২ কোটি ১০ লাখ লোক মুঠোফোন ব্যবহার করবেন। জিএসএমএ প্রকাশিত
‘গ্লোবাল মোবাইল ট্রেন্ডস’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এমন তথ্য তুলে ধরে বলা
হয়েছে, ২০১৫ সালের তুলনায় ২০২০ সালে সারা বিশ্বে ১০০ কোটির বেশি লোক
মুঠোফোন ব্যবহার করবেন। এই ১০০ কোটি নতুন ব্যবহারকারীর ৭৫ শতাংশই আসবে
মাত্র ১০টি দেশ থেকে। এর মধ্যে এশিয়ার ছয়টি দেশ থেকে যোগ হবে ৬০ শতাংশ নতুন
গ্রাহক। দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, চীন, ইন্দোনেশিয়া, পাকিস্তান ও
মিয়ানমার।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানে ১২ কোটি ৮৯ লাখ। যদিও বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রায় ১২ কোটি সিম নিবন্ধিত হয়েছে বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসি জানিয়েছে। সে হিসাবে দেশে এখন সক্রিয় মুঠোফোন সংযোগ বা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটি। আর জিএসএমএর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে একক মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানে ৭ কোটি। জিএসএমএর হিসাব বিবেচনায় নিলে আগামী চার বছরে দেশে একক মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা নয় কোটি ছাড়াবে। একই সময়ে সক্রিয় মুঠোফোন সংযোগের সংখ্যা ১৪ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। জিএসএমএর এই অভিমতের সঙ্গে একমত পোষণ করে গ্রামীণফোনের প্রধান করপোরেট অ্যাফেয়ার্স কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, অতি দরিদ্র ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যা বাদ দিলে দেশে একক মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখনো খুব বেশি নয়। ২০২০ সালের মধ্যে আরও দুই থেকে তিন কোটি ব্যবহারকারী বৃদ্ধির সম্ভাবনা তাই খুবই বাস্তব। মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশে স্মার্টফোনের ব্যবহারও আগামী চার বছরে ৩৩ শতাংশ বাড়বে বলে জিএসএমএর গবেষণায় বলা হয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে বর্তমানে দেশে দুই কোটির বেশি স্মার্টফোন রয়েছে।
বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানে ১২ কোটি ৮৯ লাখ। যদিও বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধন প্রক্রিয়ায় প্রায় ১২ কোটি সিম নিবন্ধিত হয়েছে বলে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং বিটিআরসি জানিয়েছে। সে হিসাবে দেশে এখন সক্রিয় মুঠোফোন সংযোগ বা ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১২ কোটি। আর জিএসএমএর হিসাব অনুযায়ী, বাংলাদেশে একক মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বর্তমানে ৭ কোটি। জিএসএমএর হিসাব বিবেচনায় নিলে আগামী চার বছরে দেশে একক মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা নয় কোটি ছাড়াবে। একই সময়ে সক্রিয় মুঠোফোন সংযোগের সংখ্যা ১৪ কোটি ছাড়িয়ে যাবে। জিএসএমএর এই অভিমতের সঙ্গে একমত পোষণ করে গ্রামীণফোনের প্রধান করপোরেট অ্যাফেয়ার্স কর্মকর্তা মাহমুদ হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, অতি দরিদ্র ও অপ্রাপ্তবয়স্কদের সংখ্যা বাদ দিলে দেশে একক মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা এখনো খুব বেশি নয়। ২০২০ সালের মধ্যে আরও দুই থেকে তিন কোটি ব্যবহারকারী বৃদ্ধির সম্ভাবনা তাই খুবই বাস্তব। মুঠোফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বৃদ্ধির পাশাপাশি বাংলাদেশে স্মার্টফোনের ব্যবহারও আগামী চার বছরে ৩৩ শতাংশ বাড়বে বলে জিএসএমএর গবেষণায় বলা হয়েছে। সংস্থাটির হিসাবে বর্তমানে দেশে দুই কোটির বেশি স্মার্টফোন রয়েছে।
সক্রিয়
সংযোগের বিপরীতে বাংলাদেশে স্মার্টফোনের ব্যবহারের হার ২২ শতাংশ। ২০২০
সালে সক্রিয় সংযোগের বিপরীতে বাংলাদেশে স্মার্টফোন ব্যবহারের হার দাঁড়াবে
৫৫ শতাংশ। অর্থাৎ সে সময় স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর সংখ্যা সাড়ে ৫ কোটি
ছাড়িয়ে যাবে। স্মার্টফোন ব্যবহারে উন্নত দেশের তুলনায় এশিয়ার উন্নয়নশীল
দেশগুলো এখনো পিছিয়ে আছে উল্লেখ করে জিএসএমএর গবেষণায় বলা হয়েছে, চাহিদা
থাকায় ২০২০ সালের মধ্যে এই পার্থক্য কমে আসবে। এ সময় উন্নয়নশীল দেশগুলোয়
স্মার্টফোনের ব্যবহার ৫০ থেকে ৭০ শতাংশের মধ্যে থাকবে। মুঠোফোন
আমদানিকারকদের সংগঠন বাংলাদেশ মোবাইল ফোন ইমপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের
(বিএমপিআইএ) হিসাব অনুযায়ী, ২০১২ থেকে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পাঁচ
বছরে দেশে বৈধভাবে ১ কোটি ৮৬ লাখ স্মার্টফোন আমদানি হয়েছে। এর বাইরে
অবৈধভাবে আমদানি হওয়া সেটের সংখ্যা প্রায় ৫০ লাখ। বৈধ-অবৈধ মিলিয়ে দেশে এখন
দুই কোটির বেশি লোক স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন বলে আমদানিকারক ও ব্যবসায়ীরা
বলছেন। বিএমপিআইএর মহাসচিব রেজওয়ানুল হক প্রথম আলোকে বলেন, দেশে এখন
প্রতিবছর স্মার্টফোনের বাজার ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হারে বাড়ছে। প্রবৃদ্ধির এই
ধারা ধরে রাখতে পারলে ২০২০ সালের আগেই পাঁচ কোটির বেশি লোকের হাতে
স্মার্টফোন থাকবে।

No comments:
Post a Comment