কক্সবাজার-৪ আসনের আওয়ামী লীগদলীয় সংসদ
সদস্য (এমপি) আবদুর রহমান বদির বিরুদ্ধে দুর্নীতি মামলার রায় আগামী ২
নভেম্বর ঘোষণা করবেন আদালত। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের
অভিযোগে বদির এ মামলা দায়ের করে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার মামলার
শুনানি শেষে ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৩-এর বিচারক আবু আহমদ জমাদার রায় ঘোষণার
দিন ধার্য করেন। মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, আবদুর রহমান বদি জ্ঞাত
আয়বহির্ভূত ১০ কোটি ৮৬ লাখ ৮১ হাজার ৬৬৯ টাকা মূল্যমানের সম্পদের তথ্য গোপন
করে বিবরণীতে মিথ্যা তথ্য দেন। দুদকের অনুসন্ধানে দেখা যায়, অবৈধভাবে
অর্জিত সম্পদের বৈধতা দেখানোর জন্য কম মূল্যে সম্পদ ক্রয় দেখিয়ে ১ কোটি ৯৮
লাখ ৩ হাজার ৩৭৫ টাকা বেশি মূল্যে বিক্রি দেখানো হয়েছে।
এই
অভিযোগে দুদক ২০১৪ সালের ২১ আগস্ট বদির বিরুদ্ধে মামলা করে। গত বছরের ৭ মে
তার বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় দুদক। ২০১৫ সালের ৮ সেপ্টেম্বর আদালতে অভিযোগ
গঠনের মধ্য দিয়ে এমপি বদির বিরুদ্ধে এই মামলার বিচারকাজ শুরু হয়। দুদকের
আইনজীবী মাহমুদ হোসেন জাহাঙ্গীর জানান, এ মামলায় বদির বিরুদ্ধে ১৫ জন
সাক্ষীর মধ্যে ১৩ জন সাক্ষ্য দেন। তিনি জানান, ২০০৮ সালে বদির সম্পদের
পরিমাণ ছিল ৪৯ লাখ ৭৯ হাজার টাকার। ২০১৩ সালে জমা দেয়া তার আয়কর বিবরণীতে
দেখা যায়, তার সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি ৬ লাখ ৯৬ হাজার টাকা। দুদক আইনজীবী
জানান, পরে দুদক বদির সম্পদের বিবরণী চেয়ে নোটিশ পাঠায়। পরে তিনি ৫ কোটি ২০
লাখ ১৪ হাজার ৫৮৩ টাকার সম্পদের বিবরণী দাখিল করেন। বাকি ১০ কোটি ৮৬ লাখ
টাকার তথ্য তিনি গোপন করেন।

No comments:
Post a Comment