গোপনীয় বিশেষ করে যৌনতা সম্পর্কিত ছবি
ছড়িয়ে ব্ল্যাকমেইল এবং সমাজে হেয় করার নয়া এক উপদ্রব সৃষ্টি হয়েছে। এটির
প্রধান শিকার নারী বিশেষ করে তরুণীরা। রক্ষণশীল সমাজে যেহেতু যৌনতা একটি
ট্যাবু হিসেবে বিবেচিত, সেখানেই এ ধরনের ঘটনা বেশী ঘটছে। যৌনতা, অনার
কিলিং, অপমান এবং ব্ল্যাকমেইল করা নিয়ে বিবিসির ম্যাগাজিন বিভাগ 'শেইম
(লজ্জা) সিরিজ' নামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ করছে। বিবিসির এই সিরিজে
ওঠে এসেছে বাংলাদেশী তরুণী পূর্নিমা শীলের মর্মান্তিক ঘটনাটি।
মাত্র ১৩ বছর
বয়সে গণধর্ষণের শিকার হয় পূর্নিমা। কিন্তু ১২ বছর পরও তাকে সেটা তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।
বিবিসির শেইম সিরিজে এই ঘটনায় বলা হয়, বাংলাদেশে যেহেতু ধর্ষিতাকে 'অন্য
দৃষ্টিতে' দেখা হয়, তাই কিছু লোক তাকে অপমানিত করার জন্য ফেসবুকে তার ছবি ও
মোবাইলফোন নম্বর দিয়ে তার নামে একটি পর্নগ্রাফিক পেজ খুলেছে। পূর্নিমা
বলেন, কে বা কারা এই পেজ খোলার নেপথ্যে তা তিনি জানেন না। এমনকি তার কিছু
'বন্ধু' তাকে নিয়ে বাজে মন্তব্য করে বলেও অভিযোগ করেন তিনি। সমাজের
নির্মমতার দিকটি বর্ণনা করতে গিয়ে পূর্নিমা বলেন, 'আমি রাস্তায় বের হতে
পারি না। লোকজন আমাকে ইঙ্গিত করে বলে, এই সেই মেয়েটি। অনেকে তার চুল ধরে
টানে। কেউবা আঘাত করে।'

No comments:
Post a Comment