বিদেশী
যুদ্ধাস্ত্র প্রস্তুত প্রতিষ্ঠান থেকে দুই শতাধিক যুদ্ধবিমান কেনার
প্রস্তাব দিয়েছে ভারত। তবে শর্ত এই যে, সেসব যুদ্ধবিমান ভারতের মাটিতেই
তৈরি করতে হবে। বিদেশী প্রতিষ্ঠান ভারতের স্থানীয় কোম্পানির সঙ্গে মিলে এসব
অস্ত্র তৈরি করবে। এতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘মেইক ইন্ডিয়া’
প্রকল্প এগিয়ে যাবে বলে মনে করছে সরকার।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের অধিকাংশ যুদ্ধবিমান রাশিয়া থেকে কেনা। সোভিয়েত যুগে কেনা সেসব যুদ্ধবিমান মেয়াদোত্তীর্ণ অথবা পুরনো। এ কারণে অন্তত ২০০-৩০০ নতুন যুদ্ধবিমান ক্রয়ের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এতে অন্তত ১৩০০-১৫০০ কোটি ডলার ব্যয় হবে। সামরিক ব্যয় যদি করতেই হয়, তবে দেশীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী ও আধুনিক করে গড়ে তোলার যুগপৎ পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে চান নরেন্দ্র মোদি। এ লক্ষ্যে শর্তসাপেক্ষ ২০০ যুদ্ধবিমান ক্রয়ের প্রস্তাব দিয়ে বিভিন্ন বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
এনডিটিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ভারতের অধিকাংশ যুদ্ধবিমান রাশিয়া থেকে কেনা। সোভিয়েত যুগে কেনা সেসব যুদ্ধবিমান মেয়াদোত্তীর্ণ অথবা পুরনো। এ কারণে অন্তত ২০০-৩০০ নতুন যুদ্ধবিমান ক্রয়ের পরিকল্পনা করেছে সরকার। এতে অন্তত ১৩০০-১৫০০ কোটি ডলার ব্যয় হবে। সামরিক ব্যয় যদি করতেই হয়, তবে দেশীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী ও আধুনিক করে গড়ে তোলার যুগপৎ পরিকল্পনা এগিয়ে নিতে চান নরেন্দ্র মোদি। এ লক্ষ্যে শর্তসাপেক্ষ ২০০ যুদ্ধবিমান ক্রয়ের প্রস্তাব দিয়ে বিভিন্ন বিদেশী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দিয়েছে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়।
গত
মাসে ফ্রান্স থেকে ৩৬টি রাফালে বিমান কেনার চুক্তি হয়েছে। তবুও আরও
যুদ্ধবিমানের প্রয়োজন। আঞ্চলিক পরাশক্তি চীনকে মোকাবেলায় ও পুরনো শত্রু
পাকিস্তানকে দমিয়ে রাখতে আধুনিক সমরাস্ত্রে সজ্জিত হচ্ছে ভারতীয় বাহিনী।
ভারতীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন কর্মকর্তা লখিদ মার্টিন জানান, দেশের
মাটিতে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান তৈরির কারখানা করতে চায় ভারত। এতে নিজেদের চাহিদা
মেটানোর পাশাপাশি যুদ্ধবিমান রফতানি করা যাবে। সে লক্ষ্যে প্রযুক্তি
বিনিময়ে উন্নত দেশগুলোর সঙ্গে চুক্তির চেষ্টা করছে নয়াদিল্লি। তিনি আরও
বলেন, ‘এই মুহূর্তে আমাদের ২০০ যুদ্ধবিমান প্রয়োজন। আমরা সেদিকেই নজর
দিচ্ছি।’

No comments:
Post a Comment