Thursday, October 6, 2016

'সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের' প্রমাণ প্রকাশ করবে না ভারত

বুধবার ভারতের প্রধানমন্ত্রী নিজের মন্ত্রীদের বুক ঠুকতে বারণ করেছিলেন। বৃহস্পতিবার ভোটমুখী উত্তরপ্রদেশে গিয়ে ফের মোদি-ভজনায় সামিল হলেন খোদ ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মনোহর পর্রীকর। আর জানিয়ে দিলেন, সংবাদ মাধ্যম সেনা অভিযানের তথ্য খোলসা করার পর সরকারের পক্ষ থেকে আর প্রমাণ দেয়ার কোনো অর্থ হয় না।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর ‘সার্জিক্যাল স্ট্রাইক’-এর পর গত ক’দিন ধরেই বিরোধী শিবির ‘প্রমাণ’ দেয়ার দাবি তুলে সরব হচ্ছিল। দু’টি সংবাদ মাধ্যম বুধবার পাকিস্তানের মাটি থেকেই সেই সেনা অভিযানের ‘প্রমাণ’ হাতিয়ে এনেছে। ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাতেই সিলমোহর বসিয়ে বলেন, ‘‘আমাদের সেনা এক শ' শতাংশ নিখুঁত অভিযান চালিয়েছে, যা গোটা বিশ্বে বিরল। আমি নিজে সিধেসাধা হয়েও দেশের নিরাপত্তার স্বার্থে ‘ত্যাড়া’ও হতে পারি। সার্জিক্যাল স্ট্রাইক নিয়ে সংবাদমাধ্যম যা প্রমাণ এনেছে, তারপর সরকারের পক্ষ থেকে আর কোনো ভিডিও ফুটেজ, প্রমাণ দেয়ার প্রয়োজন নেই। যা প্রকাশ পেয়েছে, সেটাই যথেষ্ট।’’
বিজেপি সূত্রের মতে, ভারতের ভিতর মুষ্টিমেয় কয়েকজন বিরোধী নেতার চাপে সেনা অভিযানের ফুটেজ বাইরে আনা আদৌ বিচক্ষণতার কাজ হতো না। সে কারণে সংবাদ মাধ্যমের মাধ্যমে প্রমাণ বাইরে আনতেও সরকারের সহযোগিতা ছিল। কিন্তু সেনা অভিযান নিয়ে রাজনীতি তাতেও থামছে না।
বৃহস্পতিবার শরদ পওয়ারও সরকারকে ‘সংযম’-এর দাওয়াই দিয়ে আসরে নামেন। বলেন, তার আমলে চারবার এই সেনা অভিযান হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের ‘প্রমাণ’-এর পর দিল্লির অরবিন্দ কেজরিওয়াল ও তার বাহিন নীরব থেকেছে। সুর কিছুটা নরম করেছেন কংগ্রেসের সঞ্জয় নিরুপমও। কিছুদিন আগে যিনি গোটা অভিযানকেই ধাপ্পা বলেছেন। বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, তার আসল আক্রমণ ছিল নরেন্দ্র মোদির দিকে। যিনি এটি নিয়ে রাজনীতি করছেন।
কাল নরেন্দ্র মোদি বুক ঠুকতে বারণ করার কথা বলার পরেও বিজেপির রাজনীতিতে যে ইতি টানা হয়েছে, এমন নয়।
>>>নয়া দিগন্ত অনলাইন

No comments:

Post a Comment