![]() |
| মার্ক জাকারবার্গ |
সামাজিক
যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পরিচালনায় যে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা
হয়, এতে কোনো সন্দেহ নেই। আর সেই অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে বিশ্বকে
পরিচয় করিয়ে দেওয়ার পদক্ষেপ নিয়েছেন মার্ক জাকারবার্গ। গত বুধবার ঘোষণা
দেন, তিনি তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে ধারাবাহিকভাবে নতুন সব প্রযুক্তির ছবি
দেবেন। যাতে সবাই সেগুলোর সঙ্গে পরিচিত হতে পারেন। মার্ক জাকারবার্গ তাঁর
প্রথম পোস্টে সুইডেনের লুলিয়ায় অবস্থিত ফেসবুকের এক স্থাপনার বেশ কিছু ছবি
দেন। এই স্থাপনাটি আসলে ফেসবুকের একটি ডেটা সেন্টার। স্থাপনা সম্পর্কে
মার্ক মন্তব্য করেন, ‘এটি আমাদের বৈশ্বিক অবকাঠামোর একটি অংশ।
স্থানীয়
বিভিন্ন প্রাকৃতিক উৎস থেকে পাওয়া উপাদান ব্যবহার করে চলে এই ডেটা
সেন্টার।’ সম্পূর্ণ স্থাপনায় তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের নিচে। এ
জন্য বড় বড় বেশ কিছু ফ্যান ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে উত্তপ্ত কম্পিউটার
সার্ভারগুলো প্রাকৃতিক উপায়ে ঠান্ডা হয়। নদীর ধারে প্রায় এক ডজন জলবিদ্যুৎ
প্ল্যান্ট চালানো হচ্ছে, যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ বিদ্যুৎশক্তি পাওয়া যায়।
এভাবে সনাতনী পদ্ধতির চেয়ে ১০ শতাংশ বেশি কার্যকর এবং ৪০ শতাংশ কম
বিদ্যুৎশক্তি ব্যবহার করা সম্ভব। প্রাকৃতিক উপায়ে ডেটা সেন্টার ও প্রসেসর
ঠান্ডা রাখার উদ্যোগে ফেসবুকই প্রথম নয়। মাইক্রোসফট সমুদ্রের তলদেশে
পরীক্ষা চালাচ্ছে, যাতে খুব সহজে ঠান্ডা করার উপায় বের করা যায়। দেখা যাক
মার্ক জাকারবার্গ তাঁর পরবর্তী পোস্টে কী চমক নিয়ে আসেন!
মারিফুল হাসান, সূত্র: ম্যাশেবল
মারিফুল হাসান, সূত্র: ম্যাশেবল

No comments:
Post a Comment