সিগারেটে নিকোটিনসহ ৫৬টি বিষাক্ত রাসায়নিক
উপাদান আছে। ধূমপান করলে যক্ষ্মা, ব্রংকাইটিস, ফুসফুসের ক্যানসার,
হৃদ্রোগসহ নানা জটিল রোগ হতে পারে—এটা প্রায় সবাই জানে। তবে যেটা অনেকে
জানে না, তা হলো নিজে ধূমপান না করেও মানুষ পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হয়ে
অসুস্থ হয়ে থাকে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব অনুযায়ী পরোক্ষ ধূমপানের
কারণে প্রতিবছর ছয় লাখ মানুষের মৃত্যু হয়, যার মধ্যে দেড় লাখের বেশি শিশু।
পরোক্ষ ধূমপানের কারণে শিশুদের হাঁপানি, নিউমোনিয়া ইত্যাদি হতে পারে।
পরোক্ষ ধূমপানের বড় শিকার নারীরা। নারীদের শারীরিক ক্ষতি পুরুষদের তুলনায়
বেশি হয়ে থাকে। তাই ভেবে দেখুন, ধূমপায়ী হলে আপনি নিজের তো বটেই,
নিজের
পরিবারের সদস্যদের জন্যও কত বিপদ ডেকে আনছেন। ধূমপান ছাড়ার জন্য কিছু
পরামর্শ আপনার কাজে আসতে পারে— সদিচ্ছা: প্রয়োজন দৃঢ় প্রত্যয়। ধূমপানের
ক্ষতিকর দিকগুলো সম্পর্কে বারবার পড়ুন, জানুন এবং ভাবুন। এভাবেই সদিচ্ছা
গড়ে উঠবে। নিজের কাছে অঙ্গীকার করুন—আপনি ধূমপান ছেড়ে দেবেন এবং নিশ্চয়ই তা
পারবেন। বিকল্প: বিকল্প হিসেবে পান-জর্দা বা অন্য কোনো ক্ষতিকর জিনিস
বেছে নেবেন না। চা, কফি, ফলের রস, চুইংগাম ইত্যাদির অভ্যাস করতে পারেন।
অন্য কোনো উপাদেয় জিনিসের দিকে ঝুঁকে নিকোটিনের নেশা থেকে মুক্ত হতে
পারবেন। ব্যস্ততা: ব্যস্ততা বাড়ালে নেশা দূর করা সহজ হবে। অধূমপায়ী
বন্ধুবান্ধবের সঙ্গ লাভ করার চেষ্টা করুন। বাগান করা, সিনেমা দেখা, বই পড়া,
গান শোনা ইত্যাদি নিয়ে সময় কাটাতে পারেন। ব্যায়াম শুরু করতে পারেন।
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইন্টারন্যাশনাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

No comments:
Post a Comment