বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে শেরপুর সদর উপজেলায়
পঞ্চম শ্রেণীর এক স্কুলছাত্রীকে (১২) রাতভর ধর্ষণ করে ফেলে রেখে পালিয়েছে
এক বখাটে। পরে ওই সালিসী বৈঠকে ওই ধর্ষককে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ওই
স্কুল ছাত্রীকে তার মার কাছে তুলে দেয়া হয়। শনিবার দুপুরে ওই শিশুটিকে
উদ্ধার করে স্থানীয় মহিলা পরিষদের নেতৃবৃন্দ জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি
করেন। ওই ঘটনায় শনিবার বিকেলে মেয়ের বাবা বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের
করেছেন। মহিলা পরিষদ জানায়, শেরপুর সদর উপজেলার বলাইয়েরচর ইউনিয়নের
চরশ্রীপুর গ্রামের দরিদ্র শ্রমজীবী পরিবারের মেয়ে পঞ্চম শ্রেনীর ওই
স্কুলছাত্রীর সঙ্গে পার্শ্ববর্তী চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের খাসপাড়া গ্রামের
জয়নাল মিয়ার ছেলে শামীমের (১৮) পূর্ব পরিচয় ছিল।
গত মঙ্গলবার সকালে ওই স্কুলছাত্রী তার নানির বাড়ি কান্দাপাড়ায় বেড়াতে যায়। বিকেলে শামীম তাকে কাজীর অফিসে নিয়ে বিয়ে করবে বলে প্রস্তাব দেয়। সন্ধ্যার দিকে সে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে টিকারচর ঈদগাঁহ মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে রাতে ধর্ষণ করার পর রিকশা নিয়ে আসার কথা বলে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় শামীম। রাত দেড়টা পর্যন্ত ঈদগাঁ মাঠে অপেক্ষা করে ধর্ষিতা শামীমের বাড়িতে গিয়ে তার মা ও চাচা এনামুলকে ঘটনাটি জানায়। কিন্তু তারা মেয়েটিকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। সারারাত রাস্তায় বসে থাকে ধর্ষিত ওই স্কুলছাত্রী। পরদিন বুধবার শামীমের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে সে স্থানীয় লোকজনকে তার ওপর পাশবিক নির্যাতনের ঘটনাটি জানায়।
এদিকে নাতনিকে না পেয়ে নানি ঘটনাটি তার মেয়েকে জানায়। মেয়েটির মা বুধবার বিকেলে খাসপাড়া গ্রামে গিয়ে মেয়েকে শামীমের বাড়ির সামনে থেকে উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রাম্য মাতবররা দু’পক্ষকে নিয়ে এক সালিসী বৈঠক করে। সেখানে ধর্ষক শামীমকে দোষী সাব্যস্ত করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়। এদিকে শনিবার জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নাসরিন রহমান ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শামীম আরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। শেরপুর সদর থানার ওসি তদন্ত বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, শামীম মিয়াসহ চারজনকে আসামি করে মামলা হযেছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। রোববার ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা করানো হবে। সেইসঙ্গে ভিকটিমকে আদালতে সোপর্দ করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ২২ ধারা অনুয়ায়ী তার জবানবন্দী রেকর্ড করা হবে।
গত মঙ্গলবার সকালে ওই স্কুলছাত্রী তার নানির বাড়ি কান্দাপাড়ায় বেড়াতে যায়। বিকেলে শামীম তাকে কাজীর অফিসে নিয়ে বিয়ে করবে বলে প্রস্তাব দেয়। সন্ধ্যার দিকে সে বাড়ি থেকে বের করে নিয়ে টিকারচর ঈদগাঁহ মাঠে নিয়ে যায়। সেখানে রাতে ধর্ষণ করার পর রিকশা নিয়ে আসার কথা বলে তাকে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় শামীম। রাত দেড়টা পর্যন্ত ঈদগাঁ মাঠে অপেক্ষা করে ধর্ষিতা শামীমের বাড়িতে গিয়ে তার মা ও চাচা এনামুলকে ঘটনাটি জানায়। কিন্তু তারা মেয়েটিকে মারধর করে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। সারারাত রাস্তায় বসে থাকে ধর্ষিত ওই স্কুলছাত্রী। পরদিন বুধবার শামীমের বাড়ির সামনে অবস্থান নিয়ে সে স্থানীয় লোকজনকে তার ওপর পাশবিক নির্যাতনের ঘটনাটি জানায়।
এদিকে নাতনিকে না পেয়ে নানি ঘটনাটি তার মেয়েকে জানায়। মেয়েটির মা বুধবার বিকেলে খাসপাড়া গ্রামে গিয়ে মেয়েকে শামীমের বাড়ির সামনে থেকে উদ্ধার করে। বৃহস্পতিবার সকালে গ্রাম্য মাতবররা দু’পক্ষকে নিয়ে এক সালিসী বৈঠক করে। সেখানে ধর্ষক শামীমকে দোষী সাব্যস্ত করে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেয়া হয়। এদিকে শনিবার জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক নাসরিন রহমান ও সদর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান শামীম আরা ঘটনাস্থলে গিয়ে মেয়েটিকে উদ্ধার করে এবং জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করান। শেরপুর সদর থানার ওসি তদন্ত বিপ্লব কুমার বিশ্বাস জানান, শামীম মিয়াসহ চারজনকে আসামি করে মামলা হযেছে। আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। রোববার ভিকটিমের ডাক্তারী পরীক্ষা করানো হবে। সেইসঙ্গে ভিকটিমকে আদালতে সোপর্দ করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনের ২২ ধারা অনুয়ায়ী তার জবানবন্দী রেকর্ড করা হবে।

No comments:
Post a Comment