সবচেয়ে
জনপ্রিয় অবস্থানে থেকেও মার্কিন নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ঘটনায় রাষ্ট্রীয়
গোয়েন্দা সংস্থা ফেডারেল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের পরিচালক জেমস কোমেকে
দায়ী করেছেন হিলারি ক্লিনটন। ডেমোক্রেট প্রার্থীর নির্বাচনে সহায়তাকারীদের
সঙ্গে এক ফোনালাপে হিলারি এ অভিযোগ করেন। খবর রয়টার্সের। ডেমোক্রেট দল
মনোনীত হিলারি এবারের নির্বাচনে সবচেয়ে জনপ্রিয় প্রার্থী ছিলেন। নির্বাচনের
আগের সব জরিপও বলছিল হিলারিই প্রেসিডেন্ট হচ্ছেন। তবে এসব কিছুকে ভুল
প্রমাণিত করে এক অবিশ্বাস্য জয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন রিপাবলিকান
প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্প। এদিকে নির্বাচন পরবর্তী বক্তব্যে শনিবার হিলারি
বলেন, আমার স্বেচ্ছাসেবীরা নির্বাচনের ফল বিশ্লেষণ করে দেখেছেন ই-মেইল
কেলেংকারি নিয়ে কোমের বক্তব্যের পরই তার প্রভাব নেতিবাচক পড়তে শুরু করে।
বিষয়টি মোকাবেলায় প্রচারণার মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়া উচিৎ ছিল বলে মন্তব্য
করেন তিনি। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
থাকাকালীন হিলারি ক্লিনটন রাষ্ট্রীয় তথ্য আদানপ্রদানে ব্যক্তিগত ই-মেইল
সার্ভার ব্যবহার করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ২০১৫ সালে প্রথম তার বিরুদ্ধে
অভিযোগটি উঠলেও তদন্তের পর গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি বলে এফবিআই
জানিয়েছিল। এ কারণে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত নেয়
সংস্থাটি। তবে নির্বাচনের মাত্র ১০ দিন আগে জেমস কোমে কংগ্রেসকে জানান তিনি
নতুন কিছু ই-মেইল এর সন্ধান পেয়েছেন এবং সেগুলো নিয়ে পুনরায় তদন্ত
করবেন। নির্বাচনের মাত্র দু'দিন আগে আবারও এক চিঠিতে জানিয়েছিলেন যে,
গুরুতর কিছু পাওয়া যায়নি বলে তিনি তার পূর্ববর্তী অবস্থানেই ফিরে
যাচ্ছেন। নির্বাচনের আগ মুহূর্তে ই-মেইল কেলেংকারির বিষয়টি আবার উঠে আসার
কারণেই হিলারির ওপর আমেরিকানদের বিশ্বাসের ঘাটতি তৈরি হয়েছিল বলে মনে করেন
বিশ্লেষকরা।

No comments:
Post a Comment