সাগরে
নিম্নচাপের প্রভাবে বৈরী আবহাওয়ার কারণে শনিবার রাতে সারা দেশে অভ্যন্তরীণ
পথে নৌ চলাচল বন্ধ থাকার পর রোববার সকাল থেকে নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে।
অভ্যন্তরীণ নৌ চলাচল কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) এর জনসংযোগ কর্মকর্তা
মোবারক হোসেন মজুমদার এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আবহাওয়ার বিশেষ
বুলেটিনে সাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে আসায় সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪
নম্বর হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথে ৩ নম্বর সতর্ক
সংকেত নামিয়ে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। মোবারক হোসেন বলেন,
এখন ঝুঁকি কম থাকায় সকাল ৮টা থেকে সব ধরনের নৌযান চলাচলের অনুমতি দেয়া
হয়েছে। এর আগে বৈরী আবহাওয়ার কারণে শনিবার রাত ৮টা থেকে দেশে সব ধরনের
নৌযান চলাচল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছিল বিআইডব্লিউটিএ। রোববার সকাল ৮টায়
আবহাওয়া অধিদফতরের বিশেষ বুলেটিনে বলা হয়েছে,
গভীর নিম্নচাপটি সকাল ৬টার
দিকে দুর্বল হয়ে সীতাকুণ্ড দিয়ে চট্টগ্রাম উপকূল অতিক্রম শুরু করে। এটি আরও
উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে অগ্রসর হয়ে পরবর্তী তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যে
ক্রমশ দুর্বল হয়ে পুরোপুরি উপকূল অতিক্রম করবে। সমুদ্রবন্দরগুলোকে ৪ নম্বর
হুঁশিয়ারি সংকেত নামিয়ে ৩ নম্বর এবং অভ্যন্তরীণ নৌপথে ৩ নম্বর সতর্ক সংকেত
নামিয়ে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে। বিআইডব্লিউটিএর পরিবহন
পরিদর্শক মো. হূমায়ুন কবির বলেন, চাঁদপুর পর্যন্ত এক ১ নম্বর সংকেত; আর
বরিশালে ২ নম্বর সংকেত। তাই এ মুহূর্তে আমরা দক্ষিণাঞ্চলে শুধু চাঁদপুরের
লঞ্চ ছাড়ছি। তবে অন্যপথে নৌযান চলাচল শুরু হয়েছে। তিনি বলেন, নিম্নচাপ
দুর্বল হয়ে এলেও এর প্রভাবে দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে দমকা ও ঝড়ো হাওয়া
বইছে। আগের দিনের মতই বৃষ্টি হচ্ছে। তাই আবহাওয়ার উন্নতি হলে বিকালে সব
রুটের লঞ্চ ছাড়া হবে।

No comments:
Post a Comment