জাতীয়
বিপ্লব ও সংহতি' দিবস উপলক্ষে বিএনপির সমাবেশ করার অনুমতি না দেয়ায়
সারাদেশে বিক্ষোভ সমাবেশের ঘোষণা দিয়েছে দলটি। আগামীকাল সোমবার ঢাকা
মহানগরীর থানায় থানায় এবং সারাদেশের মহানগর ও জেলা সদরে বিক্ষোভ সমাবেশ
পালন করবে বিএনপি। রোববার রাজধানীর নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ
সম্মেলনে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
রোববার সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের অনুমতি চেয়ে না পেয়ে এ সংবাদ
সম্মেলনের আয়োজন করে দলটি।
মির্জা ফখরুল বলেন, 'জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষ্যে গত ২০ অক্টোবর
বিএনপির এক যৌথসভায় সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভা করার সিদ্ধান্ত হয়। সেই
মোতাবেক আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হয়। কিন্তু ওইদিন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে
কয়েকটি রাজনৈতিক দলের জনসভা হবে সেজন্য বিএনপির জনসভার অনুমতি দেয়া হবে না
বলে জানানো হয়।' তিনি বলেন, 'এরপর আমরা নয়াপল্টনে বিএনপির অফিসের সামনে ৮
নভেম্বর সমাবেশ করার জন্য অনুমতি প্রার্থনা করি। এখানেও অনুমতি দেয়া হয়নি।
সবকিছুর বিবেচনায় ১৩ নভেম্বর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জনসভার জন্য অনুমতি
চাওয়া হয়।' বিএনিপর মহাসচিব বলেন, পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বিএনপির একটি
প্রতিনিধিদল একাধিকার ডিএমপিতে গেলেও কোনো দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা
সাক্ষাৎ করেননি। যেদিন সমাবশে ছিল ওইদিনই বেলা ২টায় ইঞ্জিনিয়ার্স
ইনিস্টিটিউশনে আমাদের অনুমতি দেয়া হয়।
এটা বিরোধী দলের সঙ্গে প্রতারণা করা,
এভাবে গোটা জাতিকে বোকা বানাতে চায় সরকার। তিনি বলেন, আজকে ( রোববার)
গণপূর্ত অধিদফতর থেকে চিঠি দিয়ে জানানো হয়, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে সমাবেশের
জন্য পুলিশ অনুমতিপত্র লাগবে।
জনসভার মাধ্যমে দাবি তুলে ধরা সাংবিধানিক অধিকার উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল
বলেন, এখন কোনো জরুরি অবস্থা চলছে না যে, সমাবেশ করার অনুমতি দেয়া যাবে না।
জনসভার অনুমতি না দিয়ে সরকার আমাদের মৌলিক অধিকার লংঘন করছে। তিনি আরও
বলেন, রাজনৈতিক সংকট নিরসনে আমরা বারবার আলোচনার কথা বলছি। কিন্তু সরকার
কোনো কর্ণপাত করেনি। আমরা আলোচনার মাধ্যমেই সমস্যার সমাধান চাই। সংবাদ
সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবদুস সালাম,
আতাউর রহমান ঢালী, যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক
এবিএম মোশাররফ হোসেন, সহসাংগঠনিক সম্পাদক আবদুস সালাম, সহদফতর সম্পাদক
মনির হোসেন প্রমুখ।

No comments:
Post a Comment