হোয়াইট
হাউজে নিজের প্রথম কর্ম দিবসেই ট্রান্স-প্যাসিফিক পার্টনারশিপ বা টিপিপি
বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত
প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। স্থানীয় সময় সোমবার এক ভিডিও প্রকাশ করে তিনি
এ হুমকি দেন। ট্রাম্পের ঘোষণার পরপরই জাপানের প্রধানমন্ত্রী সিনজো অ্যাবে
বলেছেন, 'যুক্তরাষ্ট্রের অংশগ্রহণ ছাড়া টিপিপি চুক্তি তার কার্যকারিতা
হারাবে।' সিনজো অ্যাবে টিটিপি নেতাদের সঙ্গে মিলিত হতে শনিবার পেরুর
রাজধানী লিমায় যান। সেখানে তিনি বলেন, টিটিপি নেতারা যুক্তরাষ্ট্রকে ছাড়া
এই চুক্তি কার্যকরের বিষয়ে কোনো আলোচনা করেননি। এটা পরিষ্কার যুক্তরাষ্ট্র
ছাড়া এই চুক্তি অর্থহীন। ২০ জানুয়ারি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্টের
দায়িত্ব নেবেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। দায়িত্ব নিয়ে প্রথমেই তিনি কী করবেন,
ভিডিও বার্তায় সেই ধারণাও দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প।
যুক্তরাষ্ট্রসহ
এশীয় ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের ১২টি দেশ বহুল বিতর্কিত টিপিপি
চুক্তি স্বাক্ষর করে। চুক্তিতে সদস্য দেশগুলোর মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্যের
ক্ষেত্রে বিনা শুল্ক সুবিধার কথা উল্লেখ রয়েছে। দীর্ঘ আলোচনার পর ২০১৫
সালে চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। তবে তা এখনও অনুসমর্থন করা হয়নি। চুক্তিতে
স্বাক্ষরকারী অন্য দেশগুলো হল, অস্ট্রেলিয়া, জাপান, ব্রুনাই দারুস সালাম,
কানাডা, চিলি, মালয়েশিয়া, মেক্সিকো, নিউজিল্যান্ড, পেরু, সিঙ্গাপুর ও
ভিয়েতনাম। দেশগুলো বর্তমান বিশ্ব বাণিজ্যের ৪০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে।
টিপিপি চুক্তির লক্ষ্য অর্থনৈতিক বন্ধন সুদৃঢ় করা এবং প্রবৃদ্ধি সমৃদ্ধ
করা। যদিও টিপিপির বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের বিরোধিতা রয়েছে। এই
চুক্তির যারা বিরোধিতা করেন, তাদের মতে, চুক্তি থেকে বহুজাতিক বড় বড়
কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানই লাভবান হবে। এতে বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের কর্পোরেট
কোম্পানিগুলোর ব্যবসা ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত হবে।
সূত্র: বিবিসি ও রয়টার্স।
সূত্র: বিবিসি ও রয়টার্স।

No comments:
Post a Comment