চারদিন হল ঢাকায় এসেছে ফিফা প্রতিনিধি দল। কমলাপুরের অ্যাস্ট্রোটার্ফ, ফুটবল ফেডারেশন, ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছে দলটি। দলের নেতৃত্বে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক কোচ অটো ফিস্টারের ছেলে মাইক ফিস্টার। তার সঙ্গী ফিফা টেকনিক্যাল অফিসার সুব্রামানিয়াম, ফিফার ডেভেলপমেন্ট অফিসার সাজি প্রভাকরণ ও এএফসির মেম্বার অ্যাসোসিয়েশন ডিপার্টমেন্টের ডেভেলপমেন্ট অফিসার রাইয়াম। কিছু বিষয় নিয়ে আপত্তি এবং ক্ষোভ থাকলেও অন্য বিষয়গুলোতে বাংলাদেশকে সহায়তা করতে ফিফাকে সুপারিশ জানাবে দলটি। শুক্রবার এক সংবাদ সম্মেলনে এমন কথাই জানালেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা।
ফিফার প্রতিটি সদস্য দেশ আগে বার্ষিক অনুদান পেত আড়াই লাখ ডলার। ফিফার নতুন সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সেটা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ করেছেন। এর পরও চাহিদা অনুযায়ী এবং প্রকল্প যাচাই-বাছাই করে প্রতিটি দেশকে আরও সাড়ে সাত লাখ ডলার অনুদান দেবে ফিফা। বাংলাদেশের সেই সাড়ে সাত লাখ ডলার পাওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে মাইক ফিস্টারের কথা, ‘বাফুফের প্রকল্পগুলো আমরা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। প্রকল্প পাওয়ার ৬০ দিন পর সিদ্ধান্ত জানাতে পারবে ফিফা।’ বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা ভবনের উপরে একটি ডরমেটরি, ভালোমানের জিম, অনূর্ধ্ব-১৬ পুরুষ ও নারী দলের ক্যাম্পের খরচের জন্য তাদের কাছে প্রস্তাব করব।’ ফিফা প্রতিনিধি দলের অফিসার বলেছেন, বাফুফে ভবনের সামনের জায়গায় ছোট আর্টিফিশিয়াল টার্ফও তারা করে দিতে পারেন। বাফুফের সঙ্গে ফিফার এই প্রকল্প চার বছরব্যাপী।
ফিফা ফুটবলকে সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রাখতে চায়। এজন্য বাফুফে জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) করতে বাধ্য হয়েছে। এতে জেলা ক্রীড়া সংস্থার (ডিএসএ) সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ডিএফএ ও ডিএসএ’র দূরত্ব কমানোর বিষয়ে মাইক বলেন, ‘এটা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি সমস্যা। আমরা ডিএফএকে আরও গতিশীল করার জন্য বাফুফেকে পরামর্শ দিয়েছি। প্রয়োজনীয় সাহায্য করব। ডিএফএ-ডিএসএ সমন্বয়ের জন্য নতুন মডেল নিয়ে ভাবছি আমরা।’ বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নের জন্য জেলা ফুটবলের ওপর জোর দিচ্ছেন এই অফিসার, ‘ফুটবলে সাফল্য না পেলে মনে হয় কোনো কিছুই ঠিকঠাক হ?চ্ছে না। জার্মানিতে এ অবস্থা হয়েছিল একবার। ইউরো ফুটবলের এক আসরে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল জার্মানি। সঠিক পরিকল্পনা হাতে নেয়ার ১০ বছরের মধ্যে তারা বিশ্বকাপ জিতেছে। বাংলাদেশের ফুটবলেও এমন পরিকল্পনা নিতে হবে। দুই বছর আমরা দেখব। তারা যদি এটাকে টার্নিং পয়েন্ট ধরে এগোতে পারে তবেই সম্ভব ঘুরে দাঁড়ানো। এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলে কাজ করতে হবে।’
বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে বয়সভিত্তিক দলের অনুপস্থিতির বিষয়টিও চোখে পড়েছে তার, ‘ক্লাবগুলোর বয়সভিত্তিক দল থাকা প্রয়োজন। এতে ফুটবল কাঠামো শক্তিশালী হয়। ক্লাবগুলোর তৃণমূল দল না থাকলে ফুটবলে এগোনো সম্ভব না।’ অবকাঠামো বা আর্থিক সমস্যাকে ফুটবলের উন্নয়নের পথে বাধা হিসেবে মানতে রাজি নন তিনি, ‘ইথিওপিয়া, ক্যামেরুনের অবকাঠামো বাংলাদেশের চেয়ে নিম্ন। এর পরও তারা তৃণমূলে কাজ করে এগিয়ে যাচ্ছে।’ সিলেট বিকেএসপিতে বাফুফে একাডেমির কর্মকাণ্ড নিয়ে ফুটবলাঙ্গনে প্রশ্ন রয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সংস্কার কাজ করেছে। আবার ফিফা পাঁচ লাখ ডলার দিয়েছে একাডেমি বাবদ। কয়েক মাস পর একাডেমি বন্ধ হয়ে যায়। একাডেমি উদ্বোধনের দিন উপস্থিত ছিলেন ফিফার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অফিসার সাজি প্রভাকরণ। তিনি অবশ্য একাডেমি নিয়ে স্বচ্ছতার কথাই বললেন, ‘আমরা যতটুকু অর্থ দিয়েছি সেই কাজ হয়েছে। এরপর একাডেমি না চলায় বাকি অর্থ দেইনি। বাফুফে চাইলে সেই অর্থ অন্য কোনো প্রকল্পে ব্যবহার করতে পারবে।’
ফিফার প্রতিটি সদস্য দেশ আগে বার্ষিক অনুদান পেত আড়াই লাখ ডলার। ফিফার নতুন সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো সেটা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ করেছেন। এর পরও চাহিদা অনুযায়ী এবং প্রকল্প যাচাই-বাছাই করে প্রতিটি দেশকে আরও সাড়ে সাত লাখ ডলার অনুদান দেবে ফিফা। বাংলাদেশের সেই সাড়ে সাত লাখ ডলার পাওয়ার সম্ভাবনা সম্পর্কে মাইক ফিস্টারের কথা, ‘বাফুফের প্রকল্পগুলো আমরা পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব। প্রকল্প পাওয়ার ৬০ দিন পর সিদ্ধান্ত জানাতে পারবে ফিফা।’ বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিন বলেন, ‘আমরা ভবনের উপরে একটি ডরমেটরি, ভালোমানের জিম, অনূর্ধ্ব-১৬ পুরুষ ও নারী দলের ক্যাম্পের খরচের জন্য তাদের কাছে প্রস্তাব করব।’ ফিফা প্রতিনিধি দলের অফিসার বলেছেন, বাফুফে ভবনের সামনের জায়গায় ছোট আর্টিফিশিয়াল টার্ফও তারা করে দিতে পারেন। বাফুফের সঙ্গে ফিফার এই প্রকল্প চার বছরব্যাপী।
ফিফা ফুটবলকে সরকারি হস্তক্ষেপ থেকে দূরে রাখতে চায়। এজন্য বাফুফে জেলা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (ডিএফএ) করতে বাধ্য হয়েছে। এতে জেলা ক্রীড়া সংস্থার (ডিএসএ) সঙ্গে দূরত্ব তৈরি হয়েছে। ডিএফএ ও ডিএসএ’র দূরত্ব কমানোর বিষয়ে মাইক বলেন, ‘এটা উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য একটি সমস্যা। আমরা ডিএফএকে আরও গতিশীল করার জন্য বাফুফেকে পরামর্শ দিয়েছি। প্রয়োজনীয় সাহায্য করব। ডিএফএ-ডিএসএ সমন্বয়ের জন্য নতুন মডেল নিয়ে ভাবছি আমরা।’ বাংলাদেশের ফুটবল উন্নয়নের জন্য জেলা ফুটবলের ওপর জোর দিচ্ছেন এই অফিসার, ‘ফুটবলে সাফল্য না পেলে মনে হয় কোনো কিছুই ঠিকঠাক হ?চ্ছে না। জার্মানিতে এ অবস্থা হয়েছিল একবার। ইউরো ফুটবলের এক আসরে গ্রুপপর্ব থেকে বিদায় নিয়েছিল জার্মানি। সঠিক পরিকল্পনা হাতে নেয়ার ১০ বছরের মধ্যে তারা বিশ্বকাপ জিতেছে। বাংলাদেশের ফুটবলেও এমন পরিকল্পনা নিতে হবে। দুই বছর আমরা দেখব। তারা যদি এটাকে টার্নিং পয়েন্ট ধরে এগোতে পারে তবেই সম্ভব ঘুরে দাঁড়ানো। এজন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে মিলে কাজ করতে হবে।’
বাংলাদেশের ক্লাব ফুটবলে বয়সভিত্তিক দলের অনুপস্থিতির বিষয়টিও চোখে পড়েছে তার, ‘ক্লাবগুলোর বয়সভিত্তিক দল থাকা প্রয়োজন। এতে ফুটবল কাঠামো শক্তিশালী হয়। ক্লাবগুলোর তৃণমূল দল না থাকলে ফুটবলে এগোনো সম্ভব না।’ অবকাঠামো বা আর্থিক সমস্যাকে ফুটবলের উন্নয়নের পথে বাধা হিসেবে মানতে রাজি নন তিনি, ‘ইথিওপিয়া, ক্যামেরুনের অবকাঠামো বাংলাদেশের চেয়ে নিম্ন। এর পরও তারা তৃণমূলে কাজ করে এগিয়ে যাচ্ছে।’ সিলেট বিকেএসপিতে বাফুফে একাডেমির কর্মকাণ্ড নিয়ে ফুটবলাঙ্গনে প্রশ্ন রয়েছে। জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ সংস্কার কাজ করেছে। আবার ফিফা পাঁচ লাখ ডলার দিয়েছে একাডেমি বাবদ। কয়েক মাস পর একাডেমি বন্ধ হয়ে যায়। একাডেমি উদ্বোধনের দিন উপস্থিত ছিলেন ফিফার এরিয়া ডেভেলপমেন্ট অফিসার সাজি প্রভাকরণ। তিনি অবশ্য একাডেমি নিয়ে স্বচ্ছতার কথাই বললেন, ‘আমরা যতটুকু অর্থ দিয়েছি সেই কাজ হয়েছে। এরপর একাডেমি না চলায় বাকি অর্থ দেইনি। বাফুফে চাইলে সেই অর্থ অন্য কোনো প্রকল্পে ব্যবহার করতে পারবে।’

No comments:
Post a Comment