আগামী
২০ জানুয়ারি প্রেসিডেন্টের আসনে বসতে যাচ্ছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এরপর থেকে
যেখানেই যাবেন ‘ফুটবল’ বলে পরিচিত পরমাণু অস্ত্রের লঞ্চ কোডের ব্রিফকেসটি
বহনের জন্য একজন সেনা কর্মকর্তা তার সঙ্গেই থাকবেন। মাত্র কয়েক মিনিটের
নোটিশে পরমাণু হামলার ঘোষণা দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে মার্কিন প্রেসিডেন্টের।
ট্রাম্প তার উত্তরসূরিদের মতো এ ক্ষমতাও ধারণ করবেন। তবে সমালোচকরা সবসময়েই
ট্রাম্পের ‘অস্থির চিত্ত’ এবং আকস্মিক উত্তেজনার সমালোচনা করে আসছেন।
সমালোচকদের মতে এ ধরনের চরিত্রের একজন মানুষের হাতে পরমাণু বোমার কোড
থাকাটা উদ্বেগ সৃষ্টিকারী। সিএনএনের খবরে বলা হয়, এয়ারফোর্স ওয়ান বিমানে
যাত্রা, মোটর শোভাযাত্রা বা বিদেশে সফরের ক্ষেত্রেও একজন সামরিক সহযোগী ও
পরমাণু কোড বহনকারী ওই ব্রিফকেসটি ট্রাম্পের সঙ্গে রাখতে হবে।
প্রেসিডেন্টের
নিজের পরিচয় এবং কোড ব্যবহার করে এই লঞ্চ কোড থেকেই তিনি পরমাণু হামলা
চালাতে পারেন। প্রচলিত রয়েছে, ওই ব্রিফকেসে একটি বাটন রয়েছে। এটি টিপলেই
পরমাণু নিক্ষেপ করা শুরু হবে। আদতে তা নয়, বরং প্রেসিডেন্টের আদেশের পরই
সামরিক বাহিনীর সদস্যরা পরমাণু হামলা চালানো শুরু করবেন। এ জন্য
প্রতিরক্ষামন্ত্রীরও অনুমোদন প্রয়োজন হয়। কিন্তু প্রেসিডেন্টের ইচ্ছেতে
ভেটো দেয়ার ক্ষমতা তার নেই। ফলে একজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট চাইলেই, কারও
বাধা বা পরামর্শ ছাড়াই যে কোনো মুহূর্তে একটি পরমাণু বোমা যে কারও ওপর ছুড়ে
দিতে পারেন। এ জন্য ১৫ মিনিটের কম সময়ের প্রয়োজন হবে তার। পরমাণুবিরোধী
সংস্থা প্লাউগশেয়ারস ফান্ডের প্রেসিডেন্ট জোসেফ ক্রিনসিওন বলেন, ডোনাল্ড
ট্রাম্প অবাধে পরমাণু যুদ্ধ পরিচালনা করতে পারেন। তিনি একবার বা হাজার বার
পরমাণু নিক্ষেপ করতে পারেন। সেনাবাহিনীর বিদ্রোহ ছাড়া হয়তো তাকে কেউ থামাতে
পারবে না।

No comments:
Post a Comment