ছাত্রলীগ
নেতা বদরুলের চাপাতির কোপে গুরুতর আহত সিলেটের কলেজছাত্রী খাদিজা বেগম
নার্গিস এখন অনেকটাই সুস্থ। তিনি স্মৃতি ফিরে পেয়েছেন। সবাইকে চিনতে
পারছেন। স্বাভাবিকভাবে দু-একটি কথাও বলছেন। সোমবার যুগান্তরকে এসব কথা
জানিয়েছেন খাদিজার বাবা মাসুক মিয়া। তিনি বলেন, খাদিজা এখন অনেকটা সুস্থ।
সে ঠিকভাবে বাবা-মা বলতে পারছে। সবাইকে চিনতে পারছে। দু-একটি করে স্বাভাবিক
কথাও বলতে পারছে। সবার সার্বিক সহযোগিতায় এটা সম্ভব হয়েছে। চিকিৎসকদের
বরাত দিয়ে তিনি বলেন, হয়তো এ মাসের শেষে তাকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেয়া হবে।
তবে হাত ও পায়ের উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে সিআরপিতে নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন
চিকিৎসকরা।
এ প্রসঙ্গে রাজধানীর
স্কয়ার হাসপাতালের ক্রিটিক্যাল কেয়ার মেডিসিন বিভাগের পরিচালক ডা. মির্জা
নাজিম উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, খাদিজা এখন অনেকটাই সুস্থ। সে প্রতিদিনই
একটু একটু করে সুস্থ হচ্ছে। আমরা তাকে ডিসচার্জ করার কথা ভাবছি। তবে এ
বিষয়ে এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি বলেন, খাদিজার অগ্রগতি সম্পর্কে
অচিরেই মিডিয়াকে আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হবে। প্রসঙ্গত, ৩ অক্টোবর সিলেট
এমসি কলেজে ডিগ্রি দ্বিতীয় বর্ষের পরীক্ষা শেষে বের হলে খাদিজা বেগম
নার্গিসকে চাপাতি দিয়ে উপর্যুপরি কুপিয়ে আহত করে শাহজালাল বিজ্ঞান ও
প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগ নেতা বদরুল আলম। এরপর প্রথমে তাকে
সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়। পরে উন্নত
চিকিৎসার জন্য ঢাকায় আনা হয়। তারপর থেকে খাদিজা রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে
চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এখানে কয়েক ধাপে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে অস্ত্রোপচার
করা হয়। চিকিৎসকদের দীর্ঘমেয়াদি নিবিড় চিকিৎসা ও পরিচর্যায় ধীরে ধীরে
সুস্থ হয়ে উঠছেন তিনি।

No comments:
Post a Comment