মহেশখালীতে সন্ত্রাসীদের হামলা, বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট।
মহেশখালী প্রতিনিধি ঃ
ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের আহমদিয়াকাটাঁ এলাকায় মামলার বাদীপক্ষকে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা দফায় দফায় হামলা, বাড়িঘর ভাংচুর ও মেয়েদের ইজ্জত হানী করায় থানায় মামলা দায়ের করেছে। সেই মামলা প্রত্যাহার করার জন্য বাদীপক্ষ কে নিয়মিত চাপ প্রয়োগ করে আসছে তা প্রত্যাহার না করায় ২০ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে। নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানাগেছে, আহমদিয়াকাটাঁ এলাকায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে মো. সিরাজ ও আবছার গং একই এলাকার রফিকুল ইসলামের উপর উপূর্যপুরী হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে আহত রফিকুল ইসলাম এর অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় মহেশখালী হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। আহত পরিবার পক্ষ (রফিকুল ইসলাম ও জালাল মিয়া) জানান, পূর্বশক্রুতার জেরধরে ৪ নভেম্বর বিকাল ৪টার দিকে মো. সিরাজ , আবছার ও নুর হোসেন গং এর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রসস্ত্র সজ্জিত হয়ে রফিকুল ইসলাম কে পিঠিয়ে গুরুতর আহত, বাড়িঘরে লুটপাট ও মেয়েদের শ্লীলতাহানী করেছে। সেই ঘটনার প্রেক্ষাপটে জালাল মিয়া বাদী হয়ে মো. সিরাজ, আবছার, জসিম, রশিদ, নুর হোছেন, নুরুল হক ও মো. আলম কে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছে। তৎ পরবর্তী সময় থেকে আবছার ও নুর হোসেন গং বাদীপক্ষকে মামলা প্রত্যাহার করার জন্য জোর প্রয়োগ করে আসছে তা প্রত্যাহার না করায় ১৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার সময় আবছার ও নুর হোসেনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রসস্ত্র সজ্জিত হয়ে রফিকুল ইসলামের বাড়িতে লুটপাট চালিয়ে রফিক কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে চলে আসার সময় বাড়িতে থাকা মেয়েরা বাধাঁ দেওয়ার চেষ্টা চালালে মেয়েদের ইজ্জত নষ্ঠ করেছে। তারা পুরো এলাকা জিম্মি করে রেখেছে কারো কোন কথা শুনে না। বর্তমানে রফিকুল ইসলামের লোকজন কে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। আরো জানাগেছে, সিরাজ, আবছার, জসিম, রশিদ, নুর হোছেন, নুরুল হক ও মো. আলম ইয়াবা-হিরোইন পাচার, অস্ত্র পাচার, মদ, গাজাঁ, জলদস্যুতা, চাদাঁবাজী, প্যারাবন নিধন সহ নানান অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি নুরুল আবছার ও নুর হোসেনের নেতেৃত্বে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে পুরো এলাকায় সন্ত্রাসের রাম রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সর্বস্থরের জনগনকে জিম্মি করে রেখেছে। আবছার ও নুর হোসেন কে র্যাব কর্তৃক ক্রসফায়ার দিলে এলাকায় শান্তি আসবে অন্যতায় শুধু ছোট মহেশখালী নয় পুরো মহেশখালীতে ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্টা এবং নিয়মিত জলদস্যুতা ও শাপলাপুর সড়কে ডাকাতি বেড়েই যাবে। এব্যাপারে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল চন্দ্র বণিক জানান, সন্ত্রাসীদের কে অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে এবং নুরুল আবছার ও নুর হোসেন সহ অসংখ্য জনের বিরোদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে।
মহেশখালী প্রতিনিধি ঃ
ছোট মহেশখালী ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের আহমদিয়াকাটাঁ এলাকায় মামলার বাদীপক্ষকে ইয়াবা ব্যবসায়ীরা দফায় দফায় হামলা, বাড়িঘর ভাংচুর ও মেয়েদের ইজ্জত হানী করায় থানায় মামলা দায়ের করেছে। সেই মামলা প্রত্যাহার করার জন্য বাদীপক্ষ কে নিয়মিত চাপ প্রয়োগ করে আসছে তা প্রত্যাহার না করায় ২০ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার দিকে দফায় দফায় হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে। নির্ভরযোগ্য সুত্রে জানাগেছে, আহমদিয়াকাটাঁ এলাকায় জায়গা সংক্রান্ত বিরোধের জেরধরে মো. সিরাজ ও আবছার গং একই এলাকার রফিকুল ইসলামের উপর উপূর্যপুরী হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেছে আহত রফিকুল ইসলাম এর অবস্থা আশংঙ্কাজনক হওয়ায় মহেশখালী হাসপাতালের কর্মরত চিকিৎসক কক্সবাজার সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে। আহত পরিবার পক্ষ (রফিকুল ইসলাম ও জালাল মিয়া) জানান, পূর্বশক্রুতার জেরধরে ৪ নভেম্বর বিকাল ৪টার দিকে মো. সিরাজ , আবছার ও নুর হোসেন গং এর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রসস্ত্র সজ্জিত হয়ে রফিকুল ইসলাম কে পিঠিয়ে গুরুতর আহত, বাড়িঘরে লুটপাট ও মেয়েদের শ্লীলতাহানী করেছে। সেই ঘটনার প্রেক্ষাপটে জালাল মিয়া বাদী হয়ে মো. সিরাজ, আবছার, জসিম, রশিদ, নুর হোছেন, নুরুল হক ও মো. আলম কে আসামী করে থানায় মামলা দায়ের করেছে। তৎ পরবর্তী সময় থেকে আবছার ও নুর হোসেন গং বাদীপক্ষকে মামলা প্রত্যাহার করার জন্য জোর প্রয়োগ করে আসছে তা প্রত্যাহার না করায় ১৯ নভেম্বর রাত সাড়ে ৮টার সময় আবছার ও নুর হোসেনের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী অস্ত্রসস্ত্র সজ্জিত হয়ে রফিকুল ইসলামের বাড়িতে লুটপাট চালিয়ে রফিক কে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে স্বর্ণালংকার, নগদ টাকা ও আসবাবপত্র লুটপাট করে নিয়ে চলে আসার সময় বাড়িতে থাকা মেয়েরা বাধাঁ দেওয়ার চেষ্টা চালালে মেয়েদের ইজ্জত নষ্ঠ করেছে। তারা পুরো এলাকা জিম্মি করে রেখেছে কারো কোন কথা শুনে না। বর্তমানে রফিকুল ইসলামের লোকজন কে বাড়ি থেকে বের করে দিয়েছে। আরো জানাগেছে, সিরাজ, আবছার, জসিম, রশিদ, নুর হোছেন, নুরুল হক ও মো. আলম ইয়াবা-হিরোইন পাচার, অস্ত্র পাচার, মদ, গাজাঁ, জলদস্যুতা, চাদাঁবাজী, প্যারাবন নিধন সহ নানান অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। পাশাপাশি নুরুল আবছার ও নুর হোসেনের নেতেৃত্বে একটি সন্ত্রাসী বাহিনী গড়ে তুলে পুরো এলাকায় সন্ত্রাসের রাম রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সর্বস্থরের জনগনকে জিম্মি করে রেখেছে। আবছার ও নুর হোসেন কে র্যাব কর্তৃক ক্রসফায়ার দিলে এলাকায় শান্তি আসবে অন্যতায় শুধু ছোট মহেশখালী নয় পুরো মহেশখালীতে ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্টা এবং নিয়মিত জলদস্যুতা ও শাপলাপুর সড়কে ডাকাতি বেড়েই যাবে। এব্যাপারে মহেশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ বাবুল চন্দ্র বণিক জানান, সন্ত্রাসীদের কে অতি দ্রুত গ্রেপ্তার করা হবে এবং নুরুল আবছার ও নুর হোসেন সহ অসংখ্য জনের বিরোদ্ধে থানায় মামলা রয়েছে।

No comments:
Post a Comment