নির্বাচনের
আগ মুহূর্তে লড়াইটা বেশ জমিয়ে ফেলেছেন বিতর্কিত রিপাবলিকান প্রার্থী
ডোনাল্ড ট্রাম্প। সর্বশেষ জরিপেও ডেমোক্রেট প্রার্থী হিলারি ক্লিনটন এগিয়ে
রয়েছেন। তবে দু'জনের মধ্যে আগের চেয়ে ব্যবধান বেশ কম। রীতিমত হিলারির ঘাড়ে
নিঃশ্বাস ফেলছেন ট্রাম্প। জরিপ বলছে, বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে পিছিয়ে পড়া
ট্রাম্প তার অবস্থান পুনরুদ্ধারে বেশ এগিয়ে গেছেন।
অন্যদিকে হিলারিও বেশ
কয়েকটি রাজ্যের ভোটারদের মন কাড়তে সমর্থ হয়েছেন। অবশ্য দু'জনই বিভিন্ন
রাজ্যে আগের অবস্থান থেকে পিছিয়েও পড়েছেন। এদিকে শেষ মুহূর্তের প্রচারণায়
নির্বাচনে শক্তিশালী প্রতিপক্ষ হিসেবেই নিজেকে উপস্থাপন করতে সক্ষম হয়েছেন
ট্রাম্প। সপ্তাহখানেক আগেও জরিপে যেখানে ট্রাম্প হিলারির চেয়ে ৫ থেকে ৭
পয়েন্ট পিছিয়ে ছিলেন, সেখানে দু'জনের ব্যবধান এখন ২-৩ পয়েন্ট। রয়টার্সের
সর্বশেষ জরিপ বলছে, ট্রাম্পের চেয়ে হিলারি ৫ পয়েন্ট ব্যবধানে এগিয়ে আছেন।
জরিপে ৪৪ ভাগ ভোটার ডেমোক্রেটিক প্রার্থীকে ভোট দিতে ইচ্ছুক। আর রিপাবলিকান
প্রার্থীর পক্ষে রয়েছেন ৩৯ শতাংশ ভোটার। আর ফক্স নিউজের সর্বশেষ জরিপ
বলছে, ট্রাম্পের চেয়ে হিলারি মাত্র দুই পয়েন্ট এগিয়ে আছেন। সপ্তাহান্তের
জরিপ বলছে, ৪৫ ভাগ ভোটার হিলারির পক্ষে রয়েছেন। আর নিজের পিছিয়ে পড়া
অবস্থানকে অনেক বেশি সুসংহত করে এগিয়ে এসেছেন ট্রাম্প। ৪৩ ভাগ ভোটার রয়েছেন
তার পক্ষে।রয়টার্সের তথ্য মতে, গত এক সপ্তাহে ২৪টি অঙ্গরাজ্যে ট্রাম্পের
সমর্থক বেড়েছে, কমেছে ১১টি অঙ্গরাজ্যে। অন্যদিকে, ১৩টি অঙ্গরাজ্যে হিলারির
সমর্থন বেড়েছে, কমেছে ২২টিতে।
আসন্ন নির্বাচনে জিততে হলে অবশ্য একজন
প্রার্থীকে অন্তত ২৭০টি ইলেক্টোরাল ভোট পেতে হবে। সর্বশেষ জরিপে হিলারির
২৫৬টি সলিড ইলেক্টোরাল ভোট এবং মোট ৩০২ ভোট জয়ের সম্ভাবনার ফল পাওয়া গেছে,
ট্রাম্প ২৩৬ ভোট পেতে পারেন। যেখানে গত সপ্তাহের জরিপে হিলারির ২৭৮টি সলিড
ইলেক্টোরাল ভোট এবং মোট ৩২০ ভোটে জয়ের সম্ভাবনার কথা বলা হয়েছিল, ট্রাম্পের
২১৮ ভোট পাওয়া কথা বলা হয়েছিল। সে হিসাবে যে কোনো দিক দিয়েই গত সপ্তাহ
থেকে ট্রাম্প নিজের অবস্থান উন্নত করেছেন। আর এসব কারণ বলে দিচ্ছে, একটি
হাড্ডাহাড্ডি লড়াই দেখতে যাচ্ছে পুরো বিশ্ব। নির্বাচনের ফলাফল যখন ছুরির
ডগায় তখন জনবিরল মেইন স্টেটে জয়ের জন্য জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন দুই প্রার্থী।
বিভাজিত এ রাজ্যে দুই প্রার্থীই ইলেক্টোরাল কলেজ ভোট নিজেদের দিকে টানতে
জোর চেষ্টা চালাচ্ছেন। নেব্রাস্কার অবস্থাও একই। এখানেও দুইপ্রার্থী একই
চেষ্টা করছেন। এদিকে গুরুত্বপূর্ণ ফ্লোরিডা, নর্থ ক্যারোলিনা ও মিশিগান
রাজ্যে হিলারির অবস্থান অনেকটাই দুর্বল হয়ে গেছে।

No comments:
Post a Comment